আল-আমিন রাজু, ঝালকাঠি থেকে

আব্দুর রাজ্জাক। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের সোনালী মাদ্রাসার গণিত শিক্ষক ছিলেন। শাসন আর ভালোবাসা দিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখাতেন গণিত। দীর্ঘ শিক্ষকজীবনে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার মানুষটি বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চের আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন।
অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা নিতে ঢাকায় ছেলের কাছে এসেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু এই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে কে জানত!
আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আহসান হাবীব রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবাকে ডাক্তার দেখিয়ে গতকাল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে তুলে দিয়েছিলাম। বাড়ি পৌঁছে আমাকে ফোন দিতে বলেছিলাম। কিন্তু খবর পাওয়া গেল, বাবা যে লঞ্চে গেছেন, সেই লঞ্চে আগুন লেগেছে। সকালে আসে বাবার মৃত্যুর খবর!’
রানা বলেন, ‘নিজে গিয়ে লঞ্চে তুলে দিয়ে আসছি। কে জানত এই বিদায়ই শেষ বিদায় হবে! আমার বাবা একেবারে চলে গেল।’
বাবার মৃত্যুর খবরে ঝালকাঠি পৌঁছেছেন রানা। বাবার মরদেহ এখনো বুঝে পাননি। মরদেহের অপেক্ষায় আছেন ঝালকাঠি হাসপাতালের ডোমঘরের সামনে। জানেন না কখন বুঝে পাবেন মরদেহ।
রানা বলেন, ‘সরকার এখন কী করবে? আমার বাবাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে? আমাকে ১ কোটি টাকা হয়তো দিতে পারবে, আমার বাবাকে তো আর ফিরিয়ে দিতে পারবে না। এ ধরনের দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করুক। এ ঘটনায় যদি কারও অপরাধ থাকে, তাহলে তাদের বিচার করুক।’
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিন তলাবিশিষ্ট লঞ্চটি পাঁচ শতাধিক যাত্রী নিয়ে সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায়। রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠির গাবখানের কাছাকাছি সুগন্ধা নদীতে লঞ্চটিতে আগুন ধরে যায়। পরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের দিয়াকুল এলাকায় নদীর তীরে লঞ্চটি ভেড়ানো হয়।
আগুন লাগার পরই প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে যাত্রীদের অনেকে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্রলার নিয়ে লঞ্চের আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানিয়েছে, রাত ৩টা ২৮ মিনিটে তাঁরা অগ্নিকাণ্ডের খবর পান। কর্মীরা ৩টা ৫০ মিনিটে সেখানে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের চেষ্টায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা, কোস্ট গার্ড ও পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করেন।
এখন পর্যন্ত ৩৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুন থেকে বাঁচতে যারা নদীতে লাফ দিয়েছিল তাদের অনেকে এখনো নিখোঁজ আছে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘লঞ্চটির ইঞ্জিনরুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’ এ ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

আব্দুর রাজ্জাক। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের সোনালী মাদ্রাসার গণিত শিক্ষক ছিলেন। শাসন আর ভালোবাসা দিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখাতেন গণিত। দীর্ঘ শিক্ষকজীবনে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার মানুষটি বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চের আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন।
অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা নিতে ঢাকায় ছেলের কাছে এসেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু এই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে কে জানত!
আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আহসান হাবীব রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবাকে ডাক্তার দেখিয়ে গতকাল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে তুলে দিয়েছিলাম। বাড়ি পৌঁছে আমাকে ফোন দিতে বলেছিলাম। কিন্তু খবর পাওয়া গেল, বাবা যে লঞ্চে গেছেন, সেই লঞ্চে আগুন লেগেছে। সকালে আসে বাবার মৃত্যুর খবর!’
রানা বলেন, ‘নিজে গিয়ে লঞ্চে তুলে দিয়ে আসছি। কে জানত এই বিদায়ই শেষ বিদায় হবে! আমার বাবা একেবারে চলে গেল।’
বাবার মৃত্যুর খবরে ঝালকাঠি পৌঁছেছেন রানা। বাবার মরদেহ এখনো বুঝে পাননি। মরদেহের অপেক্ষায় আছেন ঝালকাঠি হাসপাতালের ডোমঘরের সামনে। জানেন না কখন বুঝে পাবেন মরদেহ।
রানা বলেন, ‘সরকার এখন কী করবে? আমার বাবাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে? আমাকে ১ কোটি টাকা হয়তো দিতে পারবে, আমার বাবাকে তো আর ফিরিয়ে দিতে পারবে না। এ ধরনের দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করুক। এ ঘটনায় যদি কারও অপরাধ থাকে, তাহলে তাদের বিচার করুক।’
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিন তলাবিশিষ্ট লঞ্চটি পাঁচ শতাধিক যাত্রী নিয়ে সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায়। রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠির গাবখানের কাছাকাছি সুগন্ধা নদীতে লঞ্চটিতে আগুন ধরে যায়। পরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের দিয়াকুল এলাকায় নদীর তীরে লঞ্চটি ভেড়ানো হয়।
আগুন লাগার পরই প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে যাত্রীদের অনেকে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্রলার নিয়ে লঞ্চের আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানিয়েছে, রাত ৩টা ২৮ মিনিটে তাঁরা অগ্নিকাণ্ডের খবর পান। কর্মীরা ৩টা ৫০ মিনিটে সেখানে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের চেষ্টায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা, কোস্ট গার্ড ও পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করেন।
এখন পর্যন্ত ৩৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুন থেকে বাঁচতে যারা নদীতে লাফ দিয়েছিল তাদের অনেকে এখনো নিখোঁজ আছে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘লঞ্চটির ইঞ্জিনরুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’ এ ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে