জাহিদ হাসান, যশোর

যশোর শহরের পুলেরহাটে মুক্তেশ্বরী নদীর আধা কিলোমিটার অংশ দখল করে বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করা হয়েছে। আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নামের এ প্রতিষ্ঠান দুটিতে যাতায়াতের জন্য মাঝ বরাবর মাটি দিয়ে ভরাট করে সরু করা হয় নদী। সেই সরু নদীর মাঝখানে কংক্রিটের খুঁটি দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে লোহার পদচারী-সেতু। সেতু ও হাসপাতালটি নির্মাণে নদীর এই অংশ এমনভাবে দখল আর শাসন করা হয়েছে যে বোঝার উপায় নেই এটিই একসময়কার প্রমত্ত মুক্তেশ্বরী।
প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর মাঝখানে বাঁধ দিয়ে একাংশ শুকিয়ে কাটা হচ্ছে মাটি। সেই মাটি নদীর তীর দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনার ভরাট ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বছরের পর বছর নদী দখল আর শুকিয়ে ফেলার ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি আজকের পত্রিকা'কে বলেন, মুক্তেশ্বরী নদী দখলের তালিকায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালও রয়েছে। তাদের অংশে নদীর শূন্য দশমিক ৬১ একর বা ৬১ শতক দখলে রয়েছে। দ্রুতই দখলের নোটিশ পাঠানো হবে। তিনি বলেন, ‘নদী শুকিয়ে ফেলার ঘটনা জানা নেই। তবে হাসপাতালের সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া অংশটুকুর ময়লা তারা পরিষ্কার করবে, এমন একটি আবেদন করেছিল। সে অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
ভৈরব নদের শাখানদী মুক্তেশ্বরী যশোরের চৌগাছা দিয়ে মূল শহরে ঢুকেছে। গত রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, যশোর-বেনাপোল আঞ্চলিক মহাসড়কের পুলেরহাট এলাকার সেতুর দক্ষিণ-পূর্ব কোনা থেকে নদীতীরে গড়ে উঠেছে পাঁচ শ’ শয্যাবিশিষ্ট আদ্-দ্বীন হাসপাতাল। নদীর তীরে প্রাচীর দেওয়া হয়েছে। নদীর তীর দখল করে কংক্রিটের ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই বিভিন্ন ফলের গাছ লাগানো হয়েছে। নদীপাড়েই হাঁস-মুরগির বিভিন্ন ঘরও নির্মাণ করেছে আদ্-দ্বীন। নদীর ওপর আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত সখিনা মেডিকেল কলেজ ভবনে যাতায়াতের জন্য একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এই সেতুর দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট করে সরু করা হয়েছে নদী। কংক্রিটের খুঁটি নির্মাণ করার জন্য নদীর মাঝখানেও ঢালাই করা হয়েছে। এতে পানিপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে। পূর্ব পাশে নদীর মাঝ বরাবর নতুন করে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। বাঁধ দিয়ে দুটি শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি শুকিয়ে ফেলা হয়েছে। শুকানোর পর ১০-১৫ জন শ্রমিককে সেই মাটি কেটে মেডিকেল কলেজের প্রাচীর বাঁধাইয়ের কাজ করতে দেখা গেছে। পর্যায়ক্রমে পশ্চিম অংশের পানিও শুকিয়ে মাটি কাটা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকেরা।
পানি শুকিয়ে মাটি কাটার বিষয়ে আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ারের পরিচালক ফজলুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওখানে উন্মুক্ত মাছ চাষের ব্যবস্থা করা হবে। সব সময় যাতে পানি থাকে, সে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে এ ধরনের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা নদী দখল করে ভবন নির্মাণ করিনি। ম্যাপে নদীর সীমানা নিরাপদ দূরত্বে রেখেই হাসপাতাল নির্মাণ করেছি। নদীর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’ সেতুর বিষয়ে বলেন, ওটা অস্থায়ী সেতু। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। তবে এই সেতু পানিপ্রবাহে কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে মুক্তেশ্বরী নদীর অংশ দখল করে হাসপাতাল ও কলেজ নির্মাণ শুরু হয়। নদী ও পরিবেশবাদীদের আন্দোলনের মুখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘জরুরি উচ্ছেদ নোটিশ’ দেওয়া হলেও বিগত সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় নির্মাণকাজ শুরু করেন আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন। তাঁর ভাই যশোর-১ (শার্শা) আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন। ভাইয়ের প্রভাব খাটানোয় ওই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে বেগ পেতে হয়নি মহিউদ্দিনকে। বর্তমানে প্রভাবশালী একটি দলের সঙ্গে মহিউদ্দিনের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তিনি সেই দল থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হতে চান বলেও জানা গেছে। এমনকি হাসপাতাল নির্মাণের শুরু থেকে যশোর জেলা ও সদর উপজেলা প্রশাসন কয়েক দফা নির্মাণাধীন অবৈধ অবকাঠামো অপসারণের নোটিশ দিলেও তিনি বিষয়টি আমলে নেননি।
এ ব্যাপার কথা বলার জন্য ডা. শেখ মহিউদ্দিনের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি ধরেননি।
যশোর নদী রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, ‘যখন নদী দখল করে হাসপাতাল নির্মাণ শুরু হয়; তখন থেকে আমরা আন্দোলন শুরু করি। অথচ যাদের সম্পদ তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। প্রশাসনের শুধু তালিকা থাকলে তো হবে না; ক্ষমতাও প্রয়োগ করতে হবে। আগেও ক্ষমতাসীন দলের ছত্রচ্ছায়ায় নদী দখল করা হয়েছে, এখনো তারা ক্ষমতাসীনদের ছত্রচ্ছায়ায় নদীর পানি শুকিয়ে মাটি কাটছে। প্রশাসন নদী রক্ষায় কোনো উদ্যোগ না নিলে নতুন কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।’
জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। নদী দখলের বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি দখল হয় তাহলে প্রশাসন নিশ্চয়ই উদ্যোগ নেব।’
মুক্তেশ্বরী নদী দখল করে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ আজকের পত্রিকায় ‘নদীর বুকে হাসপাতাল, সেতু’ শিরোনামে খবর ছাপা হয়।
আরও খবর পড়ুন:

যশোর শহরের পুলেরহাটে মুক্তেশ্বরী নদীর আধা কিলোমিটার অংশ দখল করে বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করা হয়েছে। আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নামের এ প্রতিষ্ঠান দুটিতে যাতায়াতের জন্য মাঝ বরাবর মাটি দিয়ে ভরাট করে সরু করা হয় নদী। সেই সরু নদীর মাঝখানে কংক্রিটের খুঁটি দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে লোহার পদচারী-সেতু। সেতু ও হাসপাতালটি নির্মাণে নদীর এই অংশ এমনভাবে দখল আর শাসন করা হয়েছে যে বোঝার উপায় নেই এটিই একসময়কার প্রমত্ত মুক্তেশ্বরী।
প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর মাঝখানে বাঁধ দিয়ে একাংশ শুকিয়ে কাটা হচ্ছে মাটি। সেই মাটি নদীর তীর দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনার ভরাট ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বছরের পর বছর নদী দখল আর শুকিয়ে ফেলার ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি আজকের পত্রিকা'কে বলেন, মুক্তেশ্বরী নদী দখলের তালিকায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালও রয়েছে। তাদের অংশে নদীর শূন্য দশমিক ৬১ একর বা ৬১ শতক দখলে রয়েছে। দ্রুতই দখলের নোটিশ পাঠানো হবে। তিনি বলেন, ‘নদী শুকিয়ে ফেলার ঘটনা জানা নেই। তবে হাসপাতালের সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া অংশটুকুর ময়লা তারা পরিষ্কার করবে, এমন একটি আবেদন করেছিল। সে অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
ভৈরব নদের শাখানদী মুক্তেশ্বরী যশোরের চৌগাছা দিয়ে মূল শহরে ঢুকেছে। গত রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, যশোর-বেনাপোল আঞ্চলিক মহাসড়কের পুলেরহাট এলাকার সেতুর দক্ষিণ-পূর্ব কোনা থেকে নদীতীরে গড়ে উঠেছে পাঁচ শ’ শয্যাবিশিষ্ট আদ্-দ্বীন হাসপাতাল। নদীর তীরে প্রাচীর দেওয়া হয়েছে। নদীর তীর দখল করে কংক্রিটের ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই বিভিন্ন ফলের গাছ লাগানো হয়েছে। নদীপাড়েই হাঁস-মুরগির বিভিন্ন ঘরও নির্মাণ করেছে আদ্-দ্বীন। নদীর ওপর আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত সখিনা মেডিকেল কলেজ ভবনে যাতায়াতের জন্য একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এই সেতুর দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট করে সরু করা হয়েছে নদী। কংক্রিটের খুঁটি নির্মাণ করার জন্য নদীর মাঝখানেও ঢালাই করা হয়েছে। এতে পানিপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে। পূর্ব পাশে নদীর মাঝ বরাবর নতুন করে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। বাঁধ দিয়ে দুটি শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি শুকিয়ে ফেলা হয়েছে। শুকানোর পর ১০-১৫ জন শ্রমিককে সেই মাটি কেটে মেডিকেল কলেজের প্রাচীর বাঁধাইয়ের কাজ করতে দেখা গেছে। পর্যায়ক্রমে পশ্চিম অংশের পানিও শুকিয়ে মাটি কাটা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকেরা।
পানি শুকিয়ে মাটি কাটার বিষয়ে আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ারের পরিচালক ফজলুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওখানে উন্মুক্ত মাছ চাষের ব্যবস্থা করা হবে। সব সময় যাতে পানি থাকে, সে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে এ ধরনের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা নদী দখল করে ভবন নির্মাণ করিনি। ম্যাপে নদীর সীমানা নিরাপদ দূরত্বে রেখেই হাসপাতাল নির্মাণ করেছি। নদীর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’ সেতুর বিষয়ে বলেন, ওটা অস্থায়ী সেতু। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। তবে এই সেতু পানিপ্রবাহে কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে মুক্তেশ্বরী নদীর অংশ দখল করে হাসপাতাল ও কলেজ নির্মাণ শুরু হয়। নদী ও পরিবেশবাদীদের আন্দোলনের মুখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘জরুরি উচ্ছেদ নোটিশ’ দেওয়া হলেও বিগত সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় নির্মাণকাজ শুরু করেন আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন। তাঁর ভাই যশোর-১ (শার্শা) আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন। ভাইয়ের প্রভাব খাটানোয় ওই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে বেগ পেতে হয়নি মহিউদ্দিনকে। বর্তমানে প্রভাবশালী একটি দলের সঙ্গে মহিউদ্দিনের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তিনি সেই দল থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হতে চান বলেও জানা গেছে। এমনকি হাসপাতাল নির্মাণের শুরু থেকে যশোর জেলা ও সদর উপজেলা প্রশাসন কয়েক দফা নির্মাণাধীন অবৈধ অবকাঠামো অপসারণের নোটিশ দিলেও তিনি বিষয়টি আমলে নেননি।
এ ব্যাপার কথা বলার জন্য ডা. শেখ মহিউদ্দিনের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি ধরেননি।
যশোর নদী রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, ‘যখন নদী দখল করে হাসপাতাল নির্মাণ শুরু হয়; তখন থেকে আমরা আন্দোলন শুরু করি। অথচ যাদের সম্পদ তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। প্রশাসনের শুধু তালিকা থাকলে তো হবে না; ক্ষমতাও প্রয়োগ করতে হবে। আগেও ক্ষমতাসীন দলের ছত্রচ্ছায়ায় নদী দখল করা হয়েছে, এখনো তারা ক্ষমতাসীনদের ছত্রচ্ছায়ায় নদীর পানি শুকিয়ে মাটি কাটছে। প্রশাসন নদী রক্ষায় কোনো উদ্যোগ না নিলে নতুন কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।’
জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। নদী দখলের বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি দখল হয় তাহলে প্রশাসন নিশ্চয়ই উদ্যোগ নেব।’
মুক্তেশ্বরী নদী দখল করে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ আজকের পত্রিকায় ‘নদীর বুকে হাসপাতাল, সেতু’ শিরোনামে খবর ছাপা হয়।
আরও খবর পড়ুন:

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে