
সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে তিন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা, ভেঙে গেছে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ-রৌয়াইল সড়কের অংশ। পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও মধ্যনগরের নিম্নাঞ্চলও পানিতে তলিয়েছে।

ভোলার মনপুরায় টানা আট দিনের বর্ষণে জলাবদ্ধতায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়েছেন। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও চরাঞ্চলে খাদ্যসংকট, বিশুদ্ধ পানির অভাব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। স্থানীয়রা স্লুইসগেট মেরামত, খাল পুনঃখনন ও জরুরি ত্রাণের দাবি জানিয়েছেন।

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার ও ধরলার পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বিভিন্ন উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত তিন দিনে অন্তত ৮০টি পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে পাউবো জিও ব্যাগ ফেললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তিন দিন পর আজ মঙ্গলবার ব্রহ্মপুত্র নদের পানির উচ্চতা সব কটি পয়েন্টে কমতে শুরু করায় জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হতে শুরু করেছে। তবে বন্যা পরিস্থিতি আবারও অবনতির আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।