চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

সন্তান চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও বাবা যশোর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হয়েছেন। এমন অভিযোগ উঠেছে যশোরের চৌগাছার ঝাউতলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়নাল হকের বিরুদ্ধে।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষা-২০২৪ এর পরীক্ষক নিয়োগপত্রে ১১টি শর্ত দিয়ে বলা হয়েছে, শর্তাবলি পালন সাপেক্ষে আপনাকে যশোর বোর্ডের উপর্যুক্ত বিষয় ও পত্রের একজন পরীক্ষক নিয়োগ করা হলো (তবে সন্তান/পোষ্য পরীক্ষার্থী হলে প্রধান পরীক্ষক/পরীক্ষক/নিরীক্ষক হতে পারবেন না এবং এই নিয়োগপত্রটি বাতিল হবে)। ব্রাকেটের ভেতরের অংশটুকু বোল্ড করে লেখা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক আয়নাল হকের ছেলে চৌগাছা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে চৌগাছা ছারা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এরপরও তিনি তথ্য গোপন করে যশোর বোর্ডের ইংরেজি ১ম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হয়েছেন এবং এরই মধ্যে বোর্ড থেকে খাতাও নিয়ে এসেছেন।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি বোর্ডের আওতাধীন সকল পরীক্ষক/প্রধান পরীক্ষক/নিরীক্ষকদের নিয়োগপত্র বোর্ডের ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা সেখান থেকে নিয়োগপত্রটি ডাউনলোড করে নিয়োগপত্রের ওপরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককের স্বাক্ষর করে বোর্ডে নিয়ে গিয়ে উত্তরপত্র নিয়ে আসতে হবে।
আয়নাল হক এই সুযোগে নিজের ছেলে পরীক্ষার্থী—বিষয়টি গোপন করে ইংরেজি ১ম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হিসেবে ৪০০ খাতা দেখার জন্য নিয়ে এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে চৌগাছার শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আয়নাল হক প্রথমে অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও পরে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘এই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। জানার পর আজই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সাহেবের পিএকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। প্রধান পরীক্ষক হিসেবে ইংরেজি প্রথম পত্রের ৪০০ খাতা পেয়েছিলাম। আমি অনুরোধ করেছি অন্য কাউকে খাতা দিয়ে দেওয়ার জন্য। আপনাদের (সাংবাদিক) কারণে এই খাতা দেখতে পারিনি।’
স্থানীয় এক সাংবাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চেয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি যা বলবেন সেটাই করব অর্থাৎ আপনি বললে খাতা দেখব।’ পরে তার অফিশিয়াল বক্তব্য চাইলে বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত ছিলাম না। আপনার মাধ্যমে জানলাম। বিষয়টি বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে জানাব। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই হবে।’
তবে এ বিষয়ে জানতে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বিশ্বাস শাহিন আহম্মদের ফোন নম্বরে একাধিকার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সন্তান চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও বাবা যশোর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হয়েছেন। এমন অভিযোগ উঠেছে যশোরের চৌগাছার ঝাউতলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়নাল হকের বিরুদ্ধে।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষা-২০২৪ এর পরীক্ষক নিয়োগপত্রে ১১টি শর্ত দিয়ে বলা হয়েছে, শর্তাবলি পালন সাপেক্ষে আপনাকে যশোর বোর্ডের উপর্যুক্ত বিষয় ও পত্রের একজন পরীক্ষক নিয়োগ করা হলো (তবে সন্তান/পোষ্য পরীক্ষার্থী হলে প্রধান পরীক্ষক/পরীক্ষক/নিরীক্ষক হতে পারবেন না এবং এই নিয়োগপত্রটি বাতিল হবে)। ব্রাকেটের ভেতরের অংশটুকু বোল্ড করে লেখা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক আয়নাল হকের ছেলে চৌগাছা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে চৌগাছা ছারা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এরপরও তিনি তথ্য গোপন করে যশোর বোর্ডের ইংরেজি ১ম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হয়েছেন এবং এরই মধ্যে বোর্ড থেকে খাতাও নিয়ে এসেছেন।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি বোর্ডের আওতাধীন সকল পরীক্ষক/প্রধান পরীক্ষক/নিরীক্ষকদের নিয়োগপত্র বোর্ডের ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা সেখান থেকে নিয়োগপত্রটি ডাউনলোড করে নিয়োগপত্রের ওপরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককের স্বাক্ষর করে বোর্ডে নিয়ে গিয়ে উত্তরপত্র নিয়ে আসতে হবে।
আয়নাল হক এই সুযোগে নিজের ছেলে পরীক্ষার্থী—বিষয়টি গোপন করে ইংরেজি ১ম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হিসেবে ৪০০ খাতা দেখার জন্য নিয়ে এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে চৌগাছার শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আয়নাল হক প্রথমে অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও পরে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘এই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। জানার পর আজই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সাহেবের পিএকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। প্রধান পরীক্ষক হিসেবে ইংরেজি প্রথম পত্রের ৪০০ খাতা পেয়েছিলাম। আমি অনুরোধ করেছি অন্য কাউকে খাতা দিয়ে দেওয়ার জন্য। আপনাদের (সাংবাদিক) কারণে এই খাতা দেখতে পারিনি।’
স্থানীয় এক সাংবাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চেয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি যা বলবেন সেটাই করব অর্থাৎ আপনি বললে খাতা দেখব।’ পরে তার অফিশিয়াল বক্তব্য চাইলে বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত ছিলাম না। আপনার মাধ্যমে জানলাম। বিষয়টি বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে জানাব। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই হবে।’
তবে এ বিষয়ে জানতে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বিশ্বাস শাহিন আহম্মদের ফোন নম্বরে একাধিকার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে