গাজীপুর ও টঙ্গী প্রতিনিধি

ঘোষিত ১২ হাজার ৫০০ টাকা সর্বনিম্ন বেতন প্রত্যাখ্যান করে গাজীপুরে বিভিন্ন শিল্প এলাকায় আজ বৃহস্পতিবারেও বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। পরে শিল্প ও মহানগর পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এদিকে নিরাপত্তার কারণে এসব এলাকার বেশ কিছু পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবারের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইমরান আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছে। এ পর্যন্ত ১২টি পোশাক কারখানা থেকে বন্ধ রাখার চিঠি আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পোশাকশ্রমিকেরা কাজে যোগ দিতে চাইলে কারখানা ফের চালু করা হবে।’
গত ২৩ অক্টোবর থেকে সর্বনিম্ন বেতন ২৩ হাজার নির্ধারণের দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্প এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা আন্দোলন শুরু করেন। পরে গত ৭ নভেম্বর সর্বনিম্ন বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে শিল্প ও থানার পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এর কিছু সময় পর নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় শ্রমিকেরা মহাসড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বলছে, সকাল থেকেই শ্রমিকেরা গাজীপুর মহানগরীর নাওজোড় ও চান্দনা চৌরাস্তা-শিববাড়ী সড়কে আন্দোলন শুরু করেন। শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে তাঁরা নাওজোড় এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে কাঠ ও বাঁশ ফেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে অবরোধ করেন। এ সময় পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের সদস্যরা শ্রমিকদের সরিয়ে দেন।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেছিল। পুলিশ, বিজিবি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। আমরা চাইছি শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে। আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

ঘোষিত ১২ হাজার ৫০০ টাকা সর্বনিম্ন বেতন প্রত্যাখ্যান করে গাজীপুরে বিভিন্ন শিল্প এলাকায় আজ বৃহস্পতিবারেও বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। পরে শিল্প ও মহানগর পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এদিকে নিরাপত্তার কারণে এসব এলাকার বেশ কিছু পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবারের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইমরান আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছে। এ পর্যন্ত ১২টি পোশাক কারখানা থেকে বন্ধ রাখার চিঠি আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পোশাকশ্রমিকেরা কাজে যোগ দিতে চাইলে কারখানা ফের চালু করা হবে।’
গত ২৩ অক্টোবর থেকে সর্বনিম্ন বেতন ২৩ হাজার নির্ধারণের দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্প এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা আন্দোলন শুরু করেন। পরে গত ৭ নভেম্বর সর্বনিম্ন বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে শিল্প ও থানার পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এর কিছু সময় পর নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় শ্রমিকেরা মহাসড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বলছে, সকাল থেকেই শ্রমিকেরা গাজীপুর মহানগরীর নাওজোড় ও চান্দনা চৌরাস্তা-শিববাড়ী সড়কে আন্দোলন শুরু করেন। শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে তাঁরা নাওজোড় এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে কাঠ ও বাঁশ ফেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে অবরোধ করেন। এ সময় পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের সদস্যরা শ্রমিকদের সরিয়ে দেন।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেছিল। পুলিশ, বিজিবি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। আমরা চাইছি শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে। আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে