গাইবান্ধায় পাঁচটি সংসদীয় আসনে গণভোট কাস্ট হয়েছে ১২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৯। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৭৯ হাজার ৩২৭টি এবং ‘না’ ভোট ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪২টি।
গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জে ১২৪ ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯৬টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৯ হাজার ৬০৩টি।
গাইবান্ধা-২ সদর আসনে ১১৯ কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩০৫ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৯ হাজার ৪৪৯টি।
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ১৪৭ ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৫৪ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮১ হাজার ৩০৯টি।
গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনের ১৪৩ কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ১১৬টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ২৯৮টি। গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে ১৪৭ কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ হাজার ৫১ হাজার ১৫৬টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪৭ হজার ৩৮৩টি।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রত্যেকটা নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
৮ মিনিট আগে
এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের মোট ভোটের মাত্র ২ হাজার ৯০৬টি পেয়েছেন, যা প্রদত্ত ভোটের তুলনায় খুবই কম। ফলে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এনসিপি প্রার্থী মোট ভোটারের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ ভোট পান।
১৪ মিনিট আগে
সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের মাত্র একটিতেও জিততে পারেনি জামায়াতে ইসলাম। তবে দলটির নেতৃত্বধীন ১১ দলীয় জোটের খেলাফতে মজলিস পয়েছে একটি আসন। আর বাকি ১৮টি আসনই জিতেছে বিএনপি।
২৪ মিনিট আগে
মেহেরপুর জেলার দুটি আসনেই জামায়াত জোট প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তাঁরা হলেন মেহেরপুর-১ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মাও. তাজ উদ্দীন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনে জামায়াত নেতা নাজমুল হুদা।
৩৯ মিনিট আগে