
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। এই জেলায় এবারই প্রথম একসঙ্গে তিন আসনে জয় পেল দলটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত সেলিমুজ্জামান মোল্যা পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৯৬১ ভোট।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত কে এম বাবর পেয়েছেন ৪০ হাজার ৪৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এস এম জিলানী পেয়েছেন ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট।
এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে মাত্র একবার বিএনপির প্রার্থী এফ ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর বিজয়ী হয়েছিলেন।
এ ছাড়া গোপালগঞ্জে তিনটি আসনের গণভোটে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। গোপালগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকায় ‘হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৫৪ হাজার ৭১৬টি, ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৯৮টি, গোপালগঞ্জ-২-এ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৩০১টি, ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯০টি এবং গোপালগঞ্জ-৩- এ ‘না’ ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৩৬৮টি, ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৯৮টি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীতে বিএনপি ও বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী তিনটি আসনে এবং জামায়াতে ইসলামী একটি আসনে জয়ী হয়েছেন। একই সঙ্গে চারটি আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
১৫ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। একটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী।
২৪ মিনিট আগে
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন বলেছেন, এবারের নির্বাচনে রংপুরের জনগণ জাতীয় পার্টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আওয়ামী লীগও রাজনৈতিকভাবে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী আমীর এজাজ খান। তিনি নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দীর চেয়ে ৫০ হাজার ৪৩৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে