গণভোট হলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংবিধান বা বিশেষ আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি গণতন্ত্রের একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা নাগরিকদের ভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘গণভোটে দুটি পক্ষ “হ্যাঁ” এবং “না”। সরকার “হ্যাঁ”-এর পক্ষ নিয়েছে। সরকার গণভোটে কোনো পক্ষ নিতে পারে না।’ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বামনডাঙ্গা আবদুল হক ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে পাহাড়ি দুর্গম কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হবে হেলিকপ্টারে। রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির প্রতিটি কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। অতি দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে সরঞ্জাম পৌঁছাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোনো প্রস্তুতি বাকি নেই। এবার ভোটের হার ৫৫ শতাংশের মতো হতে পারে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী। যেখানে সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেনাপ্রধান স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন—আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করব।’