
ঢাকা-৪ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে জয়লাভ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট। জয়নুল আবেদীন প্রায় ২ হাজার ৯২০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে এই আসনের দখল নিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-৪ আসনে পোস্টাল ভোটসহ মোট ১১৬টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আসনের ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০৬ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬২১ জন। এর মধ্যে ২ হাজার ৫৫২টি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। সে হিসাবে নির্বাচনে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ৬৯ টি। আসনটিতে ভোট পড়ার হার ৪৫ শতাংশ।
নির্বাচনের দৌড়ে থাকা অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ ‘হাতপাখা’ প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৫১৮ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৮৬৭ ভোট লাভ করেছেন।
ভোরবেলা ফলাফল ঘোষণার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থী ও তাঁদের প্রতিনিধিদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ফলাফল ঘোষণার পর জামায়াত শিবিরের কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পরাজয় বরণ করলেও বিএনপি শিবিরের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার কথা জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের খুব গরম বিরোধী দল ভাববেন না—যৌক্তিক বিষয় উপেক্ষা হলে ওয়াকআউটের সুযোগ থাকবে, তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।’
১৬ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংবিধান সংস্কারের জন্য কমিটি গঠন করা হলে তা বিবেচনা করবে বিরোধী দল বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে গণভোটের মাধ্যমে পাওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাঁর দল।
১৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে হাসনাত আবদুল্লাহ অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন এবং বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
১ দিন আগে
সরকারের উদ্দেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘আপনাদের প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা দিল্লিতে প্রবেশ করতে পারলেন না, অপমানিত হয়ে ফিরে আসলেন; জাতির কাছে ব্যাখ্যা দিতে পারেন নাই।’
২ দিন আগে