ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দীপা বিশ্বাস (২৭) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দীপার লাশ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবারের দাবি তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
লাশ উদ্ধারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান শাকিল। তিনি বলেন, ‘আজ সোমবার সকালে গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
দীপা বিশ্বাস নগরকান্দা উপজেলার দফা দক্ষিণ পাড়া এলাকার প্রসিদ্ধ বিশ্বাস ওরফে শিবুর স্ত্রী। এ ছাড়া তিনি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কানুড়িয়া গ্রামের সুশান্ত কর্মকারের মেয়ে।
দীপা বিশ্বাসের বাবা সুশান্ত কর্মকারের দাবি, তাঁর মেয়ে দীপাকে স্বামী শিবু ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। এর আগেও কয়েক দফা তাঁর মেয়েকে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে মারধর ও নির্যাতন করেছেন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, প্রায় চার বছর আগে প্রসিদ্ধ বিশ্বাস শিবুর সঙ্গে বিয়ে হয় দীপার। তাঁদের ঘরে দেড় বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও পরিবারের লোকজন দীপাকে নির্যাতন ও মারধর করেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দীপাকে মৃত ঘোষণা করেন। দীপার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্বামী শিবু স্থানীয় সংবাদদাতা হিসেবে কয়েকটি পত্রিকায় কাজ করেন বলে জানা গেছে।
এসপি আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, ‘খবর পেয়ে দীপা বিশ্বাসের লাশ নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উদ্ধার করে থানায় এনে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই লাশের সঙ্গে থাকা স্বামী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। দীপার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দীপা বিশ্বাস (২৭) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দীপার লাশ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবারের দাবি তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
লাশ উদ্ধারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান শাকিল। তিনি বলেন, ‘আজ সোমবার সকালে গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
দীপা বিশ্বাস নগরকান্দা উপজেলার দফা দক্ষিণ পাড়া এলাকার প্রসিদ্ধ বিশ্বাস ওরফে শিবুর স্ত্রী। এ ছাড়া তিনি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কানুড়িয়া গ্রামের সুশান্ত কর্মকারের মেয়ে।
দীপা বিশ্বাসের বাবা সুশান্ত কর্মকারের দাবি, তাঁর মেয়ে দীপাকে স্বামী শিবু ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। এর আগেও কয়েক দফা তাঁর মেয়েকে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে মারধর ও নির্যাতন করেছেন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, প্রায় চার বছর আগে প্রসিদ্ধ বিশ্বাস শিবুর সঙ্গে বিয়ে হয় দীপার। তাঁদের ঘরে দেড় বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও পরিবারের লোকজন দীপাকে নির্যাতন ও মারধর করেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দীপাকে মৃত ঘোষণা করেন। দীপার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্বামী শিবু স্থানীয় সংবাদদাতা হিসেবে কয়েকটি পত্রিকায় কাজ করেন বলে জানা গেছে।
এসপি আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, ‘খবর পেয়ে দীপা বিশ্বাসের লাশ নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উদ্ধার করে থানায় এনে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই লাশের সঙ্গে থাকা স্বামী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। দীপার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে