নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতাল প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিকল্পনা ও গবেষণা শাখার পরিচালক ডা. মো. ইকবাল কবীর এবং এসআরএস ডিজাইন অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুদকের জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, হাসপাতালটির তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক ডা. ইকবাল কবীরের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই মৌখিক নির্দেশে এসআরএস ডিজাইন অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেডকে দিয়ে মহাখালী কোভিড-১৯ হাসপাতালের ছয়তলায় নির্মাণকাজ করা হয়। এ কাজে কোনো ওয়ার্ক অর্ডার বা নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড ইস্যু করা হয়নি।
এজাহারে আরও বলা হয়, ওই কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি অতিরিক্ত ব্যয়ের বিল তৈরি করে, যার পরিমাণ ৪ কোটি ৩৫ হাজার ৪১৩ টাকা। বিলটি হাসপাতাল পরিচালকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়। তবে নিরপেক্ষ প্রকৌশলীর মাধ্যমে পরিমাপ অনুযায়ী কাজের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় ৬৯ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৯ টাকা। ফলে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৬১ হাজার ৮৫৪ টাকা অতিরিক্ত দেখিয়ে আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়।
দুদকের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালকের প্রত্যক্ষ মদদে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুর রহমান সরকারি অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৫১১, ১২০ (খ) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, করোনাকালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ২০২০ সালে ডা. ইকবাল কবীরকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা শাখার পরিচালক পদ থেকে অপসারণ করা হয়। তিনি কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে পরিচালিত দুটি প্রকল্পেও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতাল প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিকল্পনা ও গবেষণা শাখার পরিচালক ডা. মো. ইকবাল কবীর এবং এসআরএস ডিজাইন অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুদকের জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, হাসপাতালটির তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক ডা. ইকবাল কবীরের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই মৌখিক নির্দেশে এসআরএস ডিজাইন অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেডকে দিয়ে মহাখালী কোভিড-১৯ হাসপাতালের ছয়তলায় নির্মাণকাজ করা হয়। এ কাজে কোনো ওয়ার্ক অর্ডার বা নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড ইস্যু করা হয়নি।
এজাহারে আরও বলা হয়, ওই কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি অতিরিক্ত ব্যয়ের বিল তৈরি করে, যার পরিমাণ ৪ কোটি ৩৫ হাজার ৪১৩ টাকা। বিলটি হাসপাতাল পরিচালকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়। তবে নিরপেক্ষ প্রকৌশলীর মাধ্যমে পরিমাপ অনুযায়ী কাজের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় ৬৯ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৯ টাকা। ফলে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৬১ হাজার ৮৫৪ টাকা অতিরিক্ত দেখিয়ে আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়।
দুদকের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালকের প্রত্যক্ষ মদদে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুর রহমান সরকারি অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৫১১, ১২০ (খ) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, করোনাকালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ২০২০ সালে ডা. ইকবাল কবীরকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা শাখার পরিচালক পদ থেকে অপসারণ করা হয়। তিনি কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে পরিচালিত দুটি প্রকল্পেও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে