
কক্সবাজারের উখিয়ায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একটি ক্যাম্পের ওয়াশরুম থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে ওয়াশরুমের দরজা কেটে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম রুবেল হোসেন (৩১)। তিনি উখিয়া উপজেলার বালুখালী ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি সিরাজ আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এপিবিএনের সদস্যদের বরাতে সিরাজ আমিন জানান, গতকাল শুক্রবার বিকেলে রোলকলের সময় রুবেলকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। এরপর ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে তাঁর খোঁজ নেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। আজ ভোর ৫টার দিকে ক্যাম্পের বাবুর্চি মো. শরীফ ওয়াশরুমে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দরজায় ধাক্কা দিয়ে এবং ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ওয়াশরুমের জানালা দিয়ে ভেতরে তাকান তিনি। এ সময় এক ব্যক্তিকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। স্টিলের দরজা কেটে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
অতিরিক্ত ডিআইজি সিরাজ আমিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোক বা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। তাঁর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে অসুস্থতাজনিত মৃত্যুর বিষয়টি ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করা একটি নথিতে ৯টি অনলাইন জাল দাখিলা (ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ) শনাক্ত করা হয়েছে। জাল দাখিলা শনাক্ত হওয়ায় ওই জমির রেজিস্ট্রি স্থগিত করা হয়েছে।
১ সেকেন্ড আগে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশমুখ থেকে দোতলায় উঠতেই চোখে পড়ে সিঁড়ির নিচে তালাবদ্ধ একটি ঘর। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় সেই তালায় ধরেছে চরম মরিচা। ঘরের ভেতরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে হাসপাতালের একমাত্র জেনারেটরটি। দেখতে দেখতে আটটি বছর পেরিয়ে গেলেও জেনারেটরটি চালুর কোনো উদ্যোগ...
৩৯ মিনিট আগে
মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই দিন পর আজ ভোরে মেঘনা নদী থেকে হেলাল মিয়ার বড় মেয়ে সামিয়া, বড় ছেলে সজীব ও ছোট ছেলে শামীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় ফেরার পর মুকুল বিভিন্ন সুপারশপে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাকরিপ্রত্যাশী ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন অজুহাতে নিজের ব্যাংক হিসাবের চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
১ ঘণ্টা আগে