পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। সেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কারা? কেন তাদের ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছে? চলুন কোরআনের আয়াত থেকে জেনে নেওয়া যাক—
১. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী: পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকারে আবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে, যে সম্পর্ক বজায় রাখতে আল্লাহ আদেশ করেছেন, তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে; তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।’ (সুরা বাকারা: ২৭)
২. শিরককারী: শিরক মানবজাতির সবচেয়ে বড় অপরাধ। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরিক স্থির করে, সে তো এক চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়।’ (সুরা নিসা: ১১৬)
৩. আল্লাহর আয়াত অস্বীকারকারী: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।’ (সুরা আরাফ: ৯)
৪. পরকাল অস্বীকারকারী: পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যারা আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ মিথ্যা মনে করেছে।’ (সুরা আনআম: ৩১)
৫. জাহান্নামের দিকে পরিবার ঠেলে দেওয়া ব্যক্তি: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘জেনে রেখো, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তো তারাই, যারা কিয়ামতের দিন নিজেদের এবং নিজেদের পরিবার-পরিজনকে ক্ষতির মধ্যে ফেলবে।’ (সুরা জুমার: ১৫)
৬. সৎকর্ম ও সত্যের পথ থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘কালের শপথ! নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তবে তারা ছাড়া—যারা ইমান এনেছে, সৎকাজ করেছে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।’ (সুরা আসর: ১-৩)
অর্থাৎ কোরআনের বিচারে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত সে নয়, যে দুনিয়ার ধন-সম্পদ বা সম্মান হারিয়েছে; বরং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত সে-ই, যে ইমান হারিয়েছে, আল্লাহর অবাধ্য হয়েছে, শিরকে লিপ্ত হয়েছে এবং পরকালকে অস্বীকার করেছে। পক্ষান্তরে অটল ইমান, সৎকর্ম, সত্যের দাওয়াত ও ধৈর্যের ওপর অবিচল থাকাই হলো প্রকৃত সফলতার পথ।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৭ ঘণ্টা আগে
মানবজীবন ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরকালের জীবন অনন্ত। সেই পরকালীন জীবনের একমাত্র সম্বল হলো দুনিয়ার সৎকর্ম বা আমল। পরকালে মুক্তি এবং জান্নাত লাভের যত সহজ ও বরকতময় মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে দান-সদকা অন্যতম। কোরআন ও হাদিসে গোপন ও প্রকাশ্যে দান-সদকা করার জন্য বারবার উৎসাহিত করা হয়েছে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, ইরান ও ইরাকের মতো কয়েকটি মুসলিমপ্রধান দেশের একাংশে প্রতিবছর সফর মাসের শেষ বুধবার ‘আখেরি চাহার সোম্বা’ পালিত হতে দেখা যায়। ফারসি এই বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ হলো—‘সফর মাসের শেষ বুধবার’ (ফারসি ‘আখেরি’ অর্থ শেষ, ‘চাহর’ অর্থ সফর মাস এবং ‘সোম্বা’ অর্থ বুধবার)।
১ দিন আগে
বাতাস যেখানে ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস বয়ে নিয়ে বেড়ায়, আর পাথরে পাথরে জমে থাকে সুপ্রাচীন সভ্যতার স্মৃতি, সেই তুরস্ক-আর্মেনিয়া সীমান্তের নিঃসঙ্গ প্রান্তরজুড়ে দাঁড়িয়ে আছে ‘আনি’ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। আরপাচাই নদীর দুই গহিন উপত্যকার মাঝে গড়ে ওঠা শতাব্দীর প্রাচীন এই ঐতিহাসিক সীমান্তে একসময় মাথা...
১ দিন আগে