চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের একটি সড়ক থেকে বিপুল পরিমাণ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) উদ্ধার করেছে প্রশাসন। গতকাল শনিবার বিকেলে পৌরসভার মধ্যম বাটাখালী মসজিদের অদূরে সড়ক থেকে এসব জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। বিপুল পরিমাণ এনআইডি কীভাবে সড়কে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার বিকেলে পৌরসভার মধ্যম বাটাখালী এলাকায় সড়কের ওপর হাজারো এনআইডি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখে প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহফুজুল ইসলাম গিয়ে এনআইডিগুলো উদ্ধার করেন। এসব এনআইডি ২০০৮ সাল হালনাগাদ ইস্যু করা হয়। সেগুলোতে চকরিয়া উপজেলা, পৌরসভা ও পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের এনআইডি রয়েছে।
স্থানীয় জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এনআইডি রাষ্ট্রীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের সব তথ্য দিয়েছি। এসব অতি গোপনীয় তথ্য সুরক্ষার দায়িত্ব সরকারের। এত বিপুল পরিমাণ এনআইডি সড়কের ওপর পড়ে ছিল। এতগুলো মানুষের সুরক্ষিত তথ্য সড়কে পড়ে থাকলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই দায় নিতে হবে। অত্যন্ত স্পর্শকাতর এসব এনআইডি কার্ড কীভাবে সড়কে গেল, এই চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত তা বের করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
তিনি আরও বলেন, চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নাগরিকেরা ইতিমধ্যে স্মার্ট কার্ড পেয়েছে। পুরোনো এনআইডি জমা দিয়ে স্মার্ট কার্ড নিতে হয়। নির্বাচন অফিসের সেসব পুরোনো এনআইডি পুড়িয়ে ফেলার বিধান রয়েছে। ইসির উপজেলা কার্যালয়ের সহযোগিতা না থাকলে এসব এনআইডি অফিস থেকে বের হওয়ার কথা নয়।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে পরিত্যক্ত অবস্থায় সড়কের ওপর থেকে এনআইডি কার্ডগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে চকরিয়া উপজেলা, চকরিয়া পৌরসভা ও পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের এনআইডি কার্ড দেখা গেছে। তবে এই এলাকায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। স্মার্ট কার্ড বিতরণের সময় পুরোনো এনআইডি কার্ডগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়। কিন্তু এসব এনআইডি কীভাবে বাইরে গেছে, তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিকুর রহমান আজকের পত্রিকা’কে বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে নির্বাচন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সেখান থেকে এনআইডি কার্ডগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে এনআইডিগুলো সেখানে গেল, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’
আরও খবর পড়ুন:

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের একটি সড়ক থেকে বিপুল পরিমাণ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) উদ্ধার করেছে প্রশাসন। গতকাল শনিবার বিকেলে পৌরসভার মধ্যম বাটাখালী মসজিদের অদূরে সড়ক থেকে এসব জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। বিপুল পরিমাণ এনআইডি কীভাবে সড়কে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার বিকেলে পৌরসভার মধ্যম বাটাখালী এলাকায় সড়কের ওপর হাজারো এনআইডি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখে প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহফুজুল ইসলাম গিয়ে এনআইডিগুলো উদ্ধার করেন। এসব এনআইডি ২০০৮ সাল হালনাগাদ ইস্যু করা হয়। সেগুলোতে চকরিয়া উপজেলা, পৌরসভা ও পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের এনআইডি রয়েছে।
স্থানীয় জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এনআইডি রাষ্ট্রীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের সব তথ্য দিয়েছি। এসব অতি গোপনীয় তথ্য সুরক্ষার দায়িত্ব সরকারের। এত বিপুল পরিমাণ এনআইডি সড়কের ওপর পড়ে ছিল। এতগুলো মানুষের সুরক্ষিত তথ্য সড়কে পড়ে থাকলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই দায় নিতে হবে। অত্যন্ত স্পর্শকাতর এসব এনআইডি কার্ড কীভাবে সড়কে গেল, এই চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত তা বের করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
তিনি আরও বলেন, চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নাগরিকেরা ইতিমধ্যে স্মার্ট কার্ড পেয়েছে। পুরোনো এনআইডি জমা দিয়ে স্মার্ট কার্ড নিতে হয়। নির্বাচন অফিসের সেসব পুরোনো এনআইডি পুড়িয়ে ফেলার বিধান রয়েছে। ইসির উপজেলা কার্যালয়ের সহযোগিতা না থাকলে এসব এনআইডি অফিস থেকে বের হওয়ার কথা নয়।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে পরিত্যক্ত অবস্থায় সড়কের ওপর থেকে এনআইডি কার্ডগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে চকরিয়া উপজেলা, চকরিয়া পৌরসভা ও পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের এনআইডি কার্ড দেখা গেছে। তবে এই এলাকায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। স্মার্ট কার্ড বিতরণের সময় পুরোনো এনআইডি কার্ডগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়। কিন্তু এসব এনআইডি কীভাবে বাইরে গেছে, তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিকুর রহমান আজকের পত্রিকা’কে বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে নির্বাচন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সেখান থেকে এনআইডি কার্ডগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে এনআইডিগুলো সেখানে গেল, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’
আরও খবর পড়ুন:

প্রায় ৯০ বছর বয়সী এই অসহায় বৃদ্ধা বসবাস করেন নেছারাবাদ উপজেলার কামারকাঠি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে। কামারকাঠি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর পাড়ঘেঁষা একটি ছোট, জীর্ণ ঘরই তাঁর একমাত্র আশ্রয়। নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বৃষ্টি ও বন্যার দিনে দুর্ভোগ যেন আরও বেড়ে যায়। জীবনের শেষ বয়সে তাঁর ভরসা বলতে একমাত্র ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস ও লাইসেন্স দেওয়ার নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাসনগরে সোমেশ্বরী নদীর ওপর গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দুই বছর আগে। এখন পর্যন্ত সেতুর খুঁটি (পিলার) নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কাজ আর হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
ইটভাটার আগ্রাসনে চাঁদপুরে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি ক্রমে কমছে। প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভাটাগুলো চালুর সময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে কাটা হয় কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি। এতে জমির উৎপাদনক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিচু হয়ে যাচ্ছে মাটির স্তর।
৭ ঘণ্টা আগে