
দেশের যেসব এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সরকারিভাবে ক্ষতির জরিপ চলমান রয়েছে। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কৃষকের ফসলহানি—সবকিছুর জরিপ হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ অবকাঠামোর পুনর্বাসন করা হবে।

যাদের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ঘরবাড়ি মেরামত করা প্রয়োজন, গবাদিপশুর ক্ষতি, ফসলাদি নষ্ট হয়েছে, আমরা পুষিয়ে দিতে চাই। যাতে সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। এটি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার, এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের অঙ্গীকার।

গত রোববার রাতে থেকে বন্ধ হয়েছে বৃষ্টিপাত। এর আগে টানা ৮ দিন ভারী বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং সামুদ্রিক জোয়ারে কক্সবাজারে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে জেলার চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরি উপজেলার নিম্নাঞ্চলে এখনো পানি রয়েছে।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় রোববার বিকেলে বন্যার পানিতে ডুবে এক শিশু ও এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আতা উল্লাহ (২০) ও দেড় বছর বয়সী মোহাম্মদ হাসান। উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।