
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে এফভি মাগফেরাত জাহাজডুবির ঘটনায় নিখোঁজ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পতেঙ্গা থেকে একটি এবং আজ বৃহস্পতিবার সকালে কর্ণফুলী ব্রিজের নিচ থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনো তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকৃতরা হলেন ক্যাপ্টেন ফারুক বিন আবদুল্লাহ, ডক কর্মচারী রহমত উল্লাহ, সাইফুল ইসলাম ও আবদুর রহিম।
জানা গেছে, জাহাজের ক্যাপ্টেন ফারুক বিন আবদুল্লাহর মরদেহ নেভি গেট সংলগ্ন ৭ নম্বর জেটি এলাকা থেকে, জহিরুল ইসলামের মরদেহ ড্রাই ডকের বিপরীত পাশে কর্ণফুলী নদী থেকে, রহমত আলীর মরদেহ ২১ নম্বর ঘাটের পাশে মেরিন একাডেমি-সংলগ্ন এলাকা থেকে এবং সাইফুল ইসলামের মরদেহ সদরঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সদরঘাট নৌ-থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় জাহাজটির নিবন্ধনকারী সংস্থা নৌবাণিজ্য অফিস তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মেরামতের জন্য ডকইয়ার্ডে তোলার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বয়ার সঙ্গে ধাক্কা লেগে এফভি মাগফেরাত নামে ফিশিং জাহাজ কর্ণফুলী নদীতে ডুবে যায়। ওই জাহাজে মোট ২১ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল। বাকি সাতজন ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

খুলনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকাভুক্ত চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) পৃথকভাবে তৈরি করা খুনি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধীদের তালিকা তৈরি করে। এসব অপরাধীকে গ্রেপ্তারে খুলনা মহানগর পুলিশ (কেএমপি)...
২ ঘণ্টা আগেবাগেরহাটের ফকিরহাটে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তিন বছর আগে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের জরিপে উপজেলায় প্রায় ৫০ ভাগ গভীর-অগভীর নলকূপের পানিতে সহনীয় মাত্রার ১০ গুণ বেশি পর্যন্ত আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়। কিন্তু এরপর সরকারি উদ্যোগে নিরাপদ পানির কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামের উলিপুরে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চিকিৎসক এবং ওষুধশূন্য। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার মৌখিক পরামর্শ দিয়েই চলছে উপজেলার ৯টির মধ্যে আটটি স্বাস্থ্যসেবা। এতে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চরাঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষ।
২ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ‘মূল হোতা’ কে বা কারা, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নতুন করে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে পরপর দুটি পোস্ট করেন হাদির ভাই ওমর বিন হাদি। যেটি ঘিরে আরও তুঙ্গে উঠেছে তর্ক–বিতর্ক!
৩ ঘণ্টা আগে