বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে নিজ মেয়েকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বাড়ি সান্তাহার পৌর এলাকায়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় মামলা করার পর বিকেলে বগুড়া আদালতে এবং ওই কিশোরীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল সোমবার রাতে ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।
আদমদীঘি থানা-পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে ওই কিশোরীর নিজ বাড়িতে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভুক্তভোগীর মা বাড়িতে ছিলেন না। মা বাসায় এসে বিষয়টি জানার পর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত বাবাকে আটক করে।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভুক্তভোগীর মা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে