ভোলার চরফ্যাশনে মেয়েকে গলা টিপে হত্যার দায়ে বাবাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে চরফ্যাশন চৌকি আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে আসামি উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি হযরত আলী হিরন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. ফারুক উপজেলার শশীভূষণ থানার জাহানপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাবা ফারুক মেয়ে খাদিজা আক্তার খুকিকে (২০) নিয়ে বরিশাল ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় মেয়ের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে মেয়ের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মেয়েকে চরফ্যাশন পৌরসভা ১ নম্বর ওয়ার্ড ফজলুর রহমান সড়কের অধ্যক্ষ দুলাল মিয়ার বাড়ির পেছনের বিলের মধ্যে ফেলে দেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ওই দিন অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা করে।
মামলার তদন্ত চলাকালে বাবা ফারুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে নিজেই মেয়েকে হত্যা করেছেন বলে বাবা জবানবন্দি দেন।
রায় ঘোষণার পর স্থানীয় আইনজীবী ও সাধারণ মানুষ রায়কে ন্যায়সংগত বলে অভিহিত করেছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে