ভোলা প্রতিনিধি

ভোলার চরফ্যাশনে আলোচিত জাফর ইমাম স্বপন হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী বিচারক সাখাওয়াত হোসাইন এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হযরত আলী হিরন আজকের পত্রিকাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আ. লতিফ মিয়ার ছেলে হাফেজ মনির উদ্দিন, মৃত আবু তাহেরের ছেলে জাভেদ মিয়া, হাফেজ মনির উদ্দিনের ছেলে মো. হাবিব ওরফে ছাবিত এবং উত্তর ফ্যাশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাজাহান মানিক জমাদারের ছেলে মোস্তফা জমাদার টুটুল। তাঁদের মধ্যে হাফেজ মনির ও মোস্তফা টুটুলকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন এবং জাভেদ মিয়া ও হাবিবকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চারজনই রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন। একই মামলায় অভিযুক্ত বাকি আট আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর ফ্যাশন গ্রামের নুর উদ্দীনের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের চিনে ফেলেন জাফর ইমাম স্বপন। পরদিন ২৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বপন রিকশাযোগে নায়েবের পুল বাজারের দিকে যাওয়ার পথে হাফেজ মনির ও মোস্তফা টুটুল মোটরসাইকেলে এসে তাঁর পথরোধ করেন। পরে তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ওসমানগঞ্জের লতিফ মিয়ার হাটে।
সেখানে পোস্ট অফিসের নিচে স্বপনকে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। তাঁর দুই পায়ে পেরেক মারা হয় এবং হাঁটুর নিচের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল চরফ্যাশন থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক ছগীর মিয়া বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ভোলার চরফ্যাশনে আলোচিত জাফর ইমাম স্বপন হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী বিচারক সাখাওয়াত হোসাইন এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হযরত আলী হিরন আজকের পত্রিকাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আ. লতিফ মিয়ার ছেলে হাফেজ মনির উদ্দিন, মৃত আবু তাহেরের ছেলে জাভেদ মিয়া, হাফেজ মনির উদ্দিনের ছেলে মো. হাবিব ওরফে ছাবিত এবং উত্তর ফ্যাশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাজাহান মানিক জমাদারের ছেলে মোস্তফা জমাদার টুটুল। তাঁদের মধ্যে হাফেজ মনির ও মোস্তফা টুটুলকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন এবং জাভেদ মিয়া ও হাবিবকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চারজনই রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন। একই মামলায় অভিযুক্ত বাকি আট আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর ফ্যাশন গ্রামের নুর উদ্দীনের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের চিনে ফেলেন জাফর ইমাম স্বপন। পরদিন ২৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বপন রিকশাযোগে নায়েবের পুল বাজারের দিকে যাওয়ার পথে হাফেজ মনির ও মোস্তফা টুটুল মোটরসাইকেলে এসে তাঁর পথরোধ করেন। পরে তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ওসমানগঞ্জের লতিফ মিয়ার হাটে।
সেখানে পোস্ট অফিসের নিচে স্বপনকে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। তাঁর দুই পায়ে পেরেক মারা হয় এবং হাঁটুর নিচের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল চরফ্যাশন থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক ছগীর মিয়া বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার এক যুবক নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম সায়েদ আহমেদ বিল্লাল (৩০)। সায়েদ আহমেদ বিল্লাল গফরগাঁওয়ের বারবাড়িয়া ইউনিয়নের পাকাটি বাজার এলাকার মো. রুহুল আমিনের ছেলে। জীবিকার তাগিদে চার বছর আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। চলতি মাসে তাঁর দেশের ফেরার কথা ছিল।
৩ মিনিট আগে
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার শুটার জিন্নাত আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের খাসকামরায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন জিন্নাত।
১৩ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
২৩ মিনিট আগে
যশোরের অভয়নগরে ৭৪টি অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ভৈরব নদের পাড় ঘেঁষে কয়লা তৈরির এসব অবৈধ চুল্লি গড়ে তোলা হয়েছিল। খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অভিযান চালান।
৩৩ মিনিট আগে