কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার সাতানি থেকে আওরাবুনিয়া বাজারে যাওয়ার সংযোগ সড়কের আয়রন ব্রিজটি পাথর ভর্তি ট্রলিসহ ভেঙে খালে পড়ে গেছে। গতকাল রোববার সকালে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের চৌধুরিহিস্যা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এতে ওই ইউনিয়নের দুটি গ্রামের সড়ক পথের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি দ্রুত সংস্কারের জন্য দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। রোববার সকালে পাথর ভর্তি একটি ট্রলি ব্রিজে উঠলে ব্রিজটি ভেঙে ট্রলিসহ খালে পড়ে যায়। তবে এ সময় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ব্রিজটি সাতানি থেকে আওরাবুনিয়া সড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আওরাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা সজল মাহমুদ সামির বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় সাতানি থেকে আওরাবুনিয়া যাওয়ার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় এই পথ দিয়ে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মনোজ হালদার বলেন, এই সড়ক ব্যতীত সাতানী থেকে আওরাবুনিয়া যাওয়ার কোন সুব্যবস্থা নেই। তাই এখন মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। আমাদের দাবি কর্তৃপক্ষ যেন খুব দ্রুত ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন একটি ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করবেন। যাতে এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হয়।
আওরাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিঠু সিকদার বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষ ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। কোন গাড়ি ও যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এ বিষয়ে আমি জেলা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। তাদের আসার কথা রয়েছে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বর্তমানে মানুষের চলাচলের জন্য ব্রিজের পাশ দিয়ে একটি সাঁকোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এর আগেও আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি মেরামত করে দিয়েছি। কিন্তু বর্তমানে এমনভাবে ভেঙেছে যে মেরামত করা সম্ভব নয়।’
উপজেলা প্রকৌশলী সাদ জাগলুল ফারুক বলেন, ‘ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য আমরা প্রস্তাবও পাঠিয়েছিলাম। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষের চলাচলের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার সাতানি থেকে আওরাবুনিয়া বাজারে যাওয়ার সংযোগ সড়কের আয়রন ব্রিজটি পাথর ভর্তি ট্রলিসহ ভেঙে খালে পড়ে গেছে। গতকাল রোববার সকালে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের চৌধুরিহিস্যা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এতে ওই ইউনিয়নের দুটি গ্রামের সড়ক পথের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি দ্রুত সংস্কারের জন্য দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। রোববার সকালে পাথর ভর্তি একটি ট্রলি ব্রিজে উঠলে ব্রিজটি ভেঙে ট্রলিসহ খালে পড়ে যায়। তবে এ সময় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ব্রিজটি সাতানি থেকে আওরাবুনিয়া সড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আওরাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা সজল মাহমুদ সামির বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় সাতানি থেকে আওরাবুনিয়া যাওয়ার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় এই পথ দিয়ে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মনোজ হালদার বলেন, এই সড়ক ব্যতীত সাতানী থেকে আওরাবুনিয়া যাওয়ার কোন সুব্যবস্থা নেই। তাই এখন মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। আমাদের দাবি কর্তৃপক্ষ যেন খুব দ্রুত ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন একটি ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করবেন। যাতে এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হয়।
আওরাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিঠু সিকদার বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষ ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। কোন গাড়ি ও যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এ বিষয়ে আমি জেলা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। তাদের আসার কথা রয়েছে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বর্তমানে মানুষের চলাচলের জন্য ব্রিজের পাশ দিয়ে একটি সাঁকোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এর আগেও আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি মেরামত করে দিয়েছি। কিন্তু বর্তমানে এমনভাবে ভেঙেছে যে মেরামত করা সম্ভব নয়।’
উপজেলা প্রকৌশলী সাদ জাগলুল ফারুক বলেন, ‘ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য আমরা প্রস্তাবও পাঠিয়েছিলাম। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষের চলাচলের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৩ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
২৭ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
১ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে