বান্দরবান প্রতিনিধি

নিজেদের সক্ষমতা জানান দিতেই বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতিসহ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে কেএনএফ। রুমা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলা উদ্ধার করা না গেলেও র্যাব, পুলিশসহ সবার প্রচেষ্টায় ঝুঁকি না নিয়ে অপহরণের শিকার ব্যাংক ম্যানেজারকে সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে বান্দরবান শহরের মেঘলা এলাকার পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে র্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
এদিকে রুমায় অপহৃত সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে উদ্ধারের পর তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, বান্দরবানে বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক সংগঠন রয়েছে। নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব, উত্তরসূরিদের অনুপ্রেরণা ও বহির্বিশ্বে সহযোগীদের সংগঠনটির সক্ষমতা জানান দিতেই রুমা ও থানচিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কেএনএফের সশস্ত্র সদস্যরা। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান ও পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে র্যাবের হেফাজতে থাকা রুমা সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে হাজির করা হয় এবং তাঁকে নিরাপদে উদ্ধার করতে পারায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নেজাম উদ্দীন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেনসহ র্যাবের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সোনালী ব্যাংকের রুমা শাখার ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়ায়। অপহরণের দুই দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার কেএনএফের সঙ্গে র্যাবের মধ্যস্থতায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে রুমা থেকে কঠোর নিরাপত্তা মধ্য দিয়ে রাতে র্যাবের বান্দরবান ক্যাম্পে নেওয়া হয়। এর আগে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারকে মুক্তি দিতে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে কেএনএফ।
জানা গেছে, রুমার সোনালী ব্যাংকের আশপাশ থেকেই বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে নেজাম উদ্দীনকে উদ্ধার করা হয়। তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। তবে তাঁকে উদ্ধারে মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে কিনা এ বিষয়ে র্যাব নিশ্চিত করেনি। র্যাব জানায়, কেএনএফের আর্থিক সংকট চলছিল। তা আগে থেকেই কয়েকটি সংস্থাকে জানানো হয়েছিল। এ সংকট দূর করার জন্যই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, নেজাম উদ্দীনকে কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি। তিনি সুস্থ আছেন।
এদিকে ব্যাংক ম্যানেজারকে উদ্ধারের পর আবারও থানচির সোনালী ব্যাংক শাখা ও বাজারে হামলা চালায় শতাধিক কেএনএফ সদস্য। সেখানে পুলিশের সঙ্গে কেএনএফের ঘণ্টাব্যাপী থেমে থেমে গোলাগুলি চলে বলে জানান বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জুনায়েদ জাহেদী।
গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তারাবির নামাজ চলাকালে বান্দরবানের রুমায় হামলা চালায় কেএনএফ। সোনালী ব্যাংকের শাখায় ঢুকে ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে টাকা লুটের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা ব্যাংকে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের ১৪টি অস্ত্রও লুট করে। একই সঙ্গে মসজিদ থেকে রুমা শাখার সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লা মং মারমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে থানচির সোনালী ব্যাংক, বাজারের আশপাশে প্রচুর গোলাগুলি হয়। থানচি বাজারের পেছনের শাহজাহান পাড়ার দিক থেকে দফায় দফায় গুলির শব্দ ভেসে আসে। থানচি বাজারে গুলি করার কারণে বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা সাঙ্গু নদীর পাড়সহ বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেয়।
আরও পড়ুন:

নিজেদের সক্ষমতা জানান দিতেই বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতিসহ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে কেএনএফ। রুমা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলা উদ্ধার করা না গেলেও র্যাব, পুলিশসহ সবার প্রচেষ্টায় ঝুঁকি না নিয়ে অপহরণের শিকার ব্যাংক ম্যানেজারকে সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে বান্দরবান শহরের মেঘলা এলাকার পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে র্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
এদিকে রুমায় অপহৃত সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে উদ্ধারের পর তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, বান্দরবানে বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক সংগঠন রয়েছে। নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব, উত্তরসূরিদের অনুপ্রেরণা ও বহির্বিশ্বে সহযোগীদের সংগঠনটির সক্ষমতা জানান দিতেই রুমা ও থানচিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কেএনএফের সশস্ত্র সদস্যরা। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান ও পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে র্যাবের হেফাজতে থাকা রুমা সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে হাজির করা হয় এবং তাঁকে নিরাপদে উদ্ধার করতে পারায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নেজাম উদ্দীন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেনসহ র্যাবের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সোনালী ব্যাংকের রুমা শাখার ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়ায়। অপহরণের দুই দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার কেএনএফের সঙ্গে র্যাবের মধ্যস্থতায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে রুমা থেকে কঠোর নিরাপত্তা মধ্য দিয়ে রাতে র্যাবের বান্দরবান ক্যাম্পে নেওয়া হয়। এর আগে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারকে মুক্তি দিতে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে কেএনএফ।
জানা গেছে, রুমার সোনালী ব্যাংকের আশপাশ থেকেই বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে নেজাম উদ্দীনকে উদ্ধার করা হয়। তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। তবে তাঁকে উদ্ধারে মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে কিনা এ বিষয়ে র্যাব নিশ্চিত করেনি। র্যাব জানায়, কেএনএফের আর্থিক সংকট চলছিল। তা আগে থেকেই কয়েকটি সংস্থাকে জানানো হয়েছিল। এ সংকট দূর করার জন্যই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, নেজাম উদ্দীনকে কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি। তিনি সুস্থ আছেন।
এদিকে ব্যাংক ম্যানেজারকে উদ্ধারের পর আবারও থানচির সোনালী ব্যাংক শাখা ও বাজারে হামলা চালায় শতাধিক কেএনএফ সদস্য। সেখানে পুলিশের সঙ্গে কেএনএফের ঘণ্টাব্যাপী থেমে থেমে গোলাগুলি চলে বলে জানান বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জুনায়েদ জাহেদী।
গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তারাবির নামাজ চলাকালে বান্দরবানের রুমায় হামলা চালায় কেএনএফ। সোনালী ব্যাংকের শাখায় ঢুকে ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে টাকা লুটের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা ব্যাংকে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের ১৪টি অস্ত্রও লুট করে। একই সঙ্গে মসজিদ থেকে রুমা শাখার সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লা মং মারমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে থানচির সোনালী ব্যাংক, বাজারের আশপাশে প্রচুর গোলাগুলি হয়। থানচি বাজারের পেছনের শাহজাহান পাড়ার দিক থেকে দফায় দফায় গুলির শব্দ ভেসে আসে। থানচি বাজারে গুলি করার কারণে বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা সাঙ্গু নদীর পাড়সহ বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেয়।
আরও পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে