নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল এ তথ্য মিলেছে।
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬৬টির ফলাফল পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ৬২,৩৮৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামা খেজুর গাছ প্রতীকের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৩,৪৮১ ভোট।
নীলফামারী-২ (সদর) আসনে মোট ১৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৭টির ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আল ফারুক আব্দুল লতিফ পেয়েছেন ৪০,৯১১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহরিন ইসলাম পেয়েছেন ৩২,৮৬৬ ভোট।
নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে মোট ১০৫টি কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৫টির ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফী পেয়েছেন ৩৫,৬৯৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ আলী পেয়েছেন ৩০,৩৫২ ভোট।
নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে মোট ১৪১টি কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪৫টির ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মুনতাকিম পেয়েছেন ৩১,৮৮৫ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকার পেয়েছেন ২২,২৭৪ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম পেয়েছেন ১৫,২২৫ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাটে ভোটাররা দুই আসনে ভিন্ন রায় দিয়েছেন। এক আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলেও অন্য আসনে ধানের শীষ প্রতীক জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।
৪ মিনিট আগে
হবিগঞ্জ-৩ আসনে (সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. জি কে গউছ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
৬ মিনিট আগে
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে ১৬৩টি ভোট কেন্দ্রে ১,৪৭,৯৪৭ ভোট বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
৭ মিনিট আগে
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ডা. মাহাবুবুর রহমান।
৭ মিনিট আগে