চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো ঢাকা বিভাগেও ভূমিধস জয় পেয়েছে বিএনপি। এই বিভাগের ৭০টি আসনের ৫৯টিই জিতে নিয়েছে দলটি। আর জামায়াত জয় পেয়েছে আটটি আসনে। এ ছাড়া দুটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং একটি আসনে খেলাফতে মজলিস জিতেছে। জেলাভিত্তিক ফলে দেখা যাচ্ছে, বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে ৮টিতে কোনো আসন পায়নি জামায়াত কিংবা তাদের জোট সঙ্গীরা।
ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের মধ্যে ২৩টিতে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি আসনে জয়লাভ করেছে বিএনপি। জামায়াত জিতেছে ৩টি। আর খেলাফত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জিতেছেন একটি করে আসন।
রংপুরের পর খুলনা বিভাগে সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই বিভাগে ভূমিধস জয় হয়েছে দলটির। ৩৬টি আসনের মধ্যে ২৫টিই জিতে নিয়েছে তারা। এ বিভাগে বিএনপি বিজয়ী হয়েছে ১১টি আসনে। বিভাগের ১০টি জেলার মধ্যে একচেটিয়া ৩টি জেলার সব আসন জিতেছে জামায়াত।

সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের মাত্র একটিতেও জিততে পারেনি জামায়াতে ইসলাম। তবে দলটির নেতৃত্বধীন ১১ দলীয় জোটের খেলাফতে মজলিস পয়েছে একটি আসন। আর বাকি ১৮টি আসনই জিতেছে বিএনপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উত্তরাঞ্চলে ভালো করলেও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গিয়ে ভরাডুবি হয়েছে জামায়াতের। এই অঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের ৫৮ আসনের মধ্যে ৫০ টিতেই জিতেছে বিএনপি। দলটির জোটসঙ্গী গণসংহতি আন্দোলন জিতেছে একটি আসন এবং বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্ররা জিতেছে ৩টি আসন। আর জামায়াত জিতেছে ৩টি এবং তাদের জোটসঙ্গী এনসিপি জিতেছে একটি আসন। ফল বিশ্লেষণে আরও দেখা যাচ্ছে, বিভাগের ৭ জেলায় কোনো আসন পায়নি জামায়াত ও তাদের জোটসঙ্গীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পাওয়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফোন করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তিনি তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেইজে আজ শুক্রবার বিকেলে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে মোদি লিখেছেন, ‘তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তাঁর প্রচেষ্টায় আমার শুভেচ্ছা এবং সমর্থন জানিয়েছি।’
নরেন্দ্র মোদি আরও লিখেছেন, ‘গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ ঘনিষ্ঠ দুই প্রতিবেশী হিসেবে আমি আমাদের উভয় দেশের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি।’
রাজশাহী বিভাগে বড় জয় পেয়েছে বিএনপির। এই বিভাগের আট জেলার ৩৯টি আসনের ২৮টিতে জিতেছে দলটি। আর জামায়াত জিতেছে ১১টি আসন।
জেলাভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বগুড়ার ৭টি আসনের সবগুলোয় জিতেছে বিএনপি। আর জামায়াত জিতেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনের সবগুলো। এই বিভাগে দুই বড় জোটের কোনো শরিক দল কিংবা কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয় আসেনি।
বরিশাল বিভাগে বড় জয় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির। এই বিভাগের ২১টি আসন মধ্যে ১৬টিতে জিতেছে দলটি। এ ছাড়া, জামায়াত পেয়েছে দুটি। গণ–অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জিতেছে একটি করে আসন। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভাগের ৬টি জেলার মধ্যে ৩ টিতে একচেটিয়া জয় পেয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট। এই জোট জিতেছে ১৮টি আসন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের ফলাফল স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর ১৭টি আসনে জিতেছে জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপি জিতেছে দুটি আসনে। স্বতন্ত্র জিতেছে একটি। তবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাওয়া বিএনপি জিতেছে ১৩টি আসন। ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এই বিভাগের আটটি জেলার ৪ টির সবগুলো আসনেই একচেটিয়া জিতেছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ভোট দেওয়ার হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।
আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার পর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
এ সময় ইসি সচিব আরও জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ভোট। অন্যদিকে ‘না’ এর পক্ষে পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট।
এ ছাড়া ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫টি ভোট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার পর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন পেয়েছে।
ইসি সচিব ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের ফল ঘোষণা করে জানান, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের ফলাফলে বিএনপি ২০৯টি আসন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে পেয়েছে ৬৮টি আসন।
এ ছাড়া, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের সঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপি পেয়েছে ৬টি আসন। আরেক জোটসঙ্গী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২টি আসন, খেলাফত মজলিশ পেয়েছে ১টি আসন।
এর বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ১টি আসন। বিএনপির জোটসঙ্গী গণঅধিকার পরিষদ পেয়েছে ১টি আসন। আন্দালিভ রহমান পার্থর বিজেপি পেয়েছে ১টি আসন এবং জুনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন পেয়েছে ১টি আসন।
এ সময় ইসি সচিব জানান, এবারের সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে মোট ভোটারের ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

নির্বাচনে পরাজিত হলেও ‘সততা ও সম্মানের রাজনীতি’ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা–৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
আজ শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথম হয়ে গন্তব্যরেখা পার হতে পারিনি, কিন্তু অনেকেই যেটিকে অসম্ভব বলেছিলেন, আমরা সেটিই সম্ভব করেছি।’
পোস্টে তাসনিম জারা জানান, অল্প সময়ের প্রচারণায় ৪৪ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এটি ছিল এমন একটি প্রচারাভিযান, যেখানে ‘উচ্চস্বরে মাইকিং, পেশিশক্তির প্রদর্শন বা বিদ্বেষের ভাষা ছিল না।’
তিনি এটিকে ‘সম্মান ও সততার একটি মডেল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

জামানত হারিয়েছেন রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের ২০ জন প্রার্থী। নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় জামানত হিসেবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন না। প্রার্থিতার জন্য তাঁদের ৫০ হাজার টাকা করে জামানত দিতে হয়েছিল।
রাজশাহীতে শুধু বিএনপি ও জামায়াতের জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীরাই জামানতের টাকা ফেরত পাবেন। ভোটের ফলাফলে ছয়টি আসনের মধ্যে বিএনপি চারটি ও জামায়াত দুটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ২টার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার ফলাফল ঘোষণা করেন।

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট প্রদানের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
আজ শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা কার্যক্রম শেষের পর এই তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এরপর আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম প্রাথমিক ফলাফলে দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীকে মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন তিনি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট।
ঢাকা-১৬ আসনে (মিরপুরের পল্লবী ও রূপনগর) হেরে গেছেন বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক। ২ হাজার ৬১৬ ভোটের ব্যবধানে তাঁকে হারিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল বাতেন। আবদুল বাতেন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
বিএনপির জোটে প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে ঢাকা-১২ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোট ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক। বিএনপি জোটের প্রার্থী সাইফুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।
দীর্ঘ উত্তেজনার পর ঢাকা-৮ আসনে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন।
ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ৪টায় ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।
নোয়াখালী- ৩ (বেগমগঞ্জ)
মোট কেন্দ্র -১৬৭
১. ধানের শীষ - ১৪১০৩১ (মোঃ বরকত উল্লাহ বুলু)
২. দাঁড়িপাল্লা- ১২৩৯৪১ (মাওলানা বোরহান উদ্দিন)
নোয়াখালী-৪
মোট কেন্দ্র- ১৯৮+১
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফলাফল- ১৯৯
১. ধানের শীষ ২১৯১৮২ (মো. শাহজাহান)
২. দাঁড়িপাল্লা ১৪৮৯৮৯ (ইসহাক খন্দকার)
নোয়াখালী-১
মোট কেন্দ্র- ১৪১
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফলাফল- ১৪১
১. ধানের শীষ ১২৬৮৩৩ (মাহাবুব উদ্দিন খোকন)।
২. দাঁড়িপাল্লা ৯৮০৩৬ (মো. ছাইফ উল্যাহ)
পিরোজপুর-১
সংসদীয় আসন নম্বর: ১২৭
মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যা: ২৩৯৭৬৪
মোট কেন্দ্র:১৬৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র:১৬৮
১) প্রার্থী-আলমগীর হোসেন-ধানের শীষ
ভোট-১০৭১০৫
২) প্রার্থী-মাসুদ সাঈদী - দাঁড়িপাল্লা
ভোট-১৩২৬৫৯
পিরোজপুর-২
সংসদীয় আসন নম্বর: ১২৮
মোট ভোটার সংখ্যা: ৪০৯২৮৮ জন।
মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যা:২৩০২৩৮
মোট কেন্দ্র:১৬৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র:১৬৭
১) প্রার্থী-সোহেল মঞ্জুর সুমন-ধানের শীষ।
ভোট-১০৫১৮৫
২) প্রার্থী-শামীম সাঈদী, প্রতীক- দাঁড়িপাল্লা
ভোট-৯৬৮৯৭
৩) প্রার্থী: মাহমুদ হোসেন প্রতীক: ঘোড়া (স্বতন্ত্র)
ভোট:১৬২১৯
৪) মাহিবুল হোসেন, (সাইকেল) জাতীয় পার্টি জেপি
ভোট:-৪৭০৫
৫) আনিসুর রহমান মুন্না-ট্রাক মার্ক-গণঅধিকার।
ভোট: ১৪৫
৬) আবুল কালাম আজাদ-হাতপাখা
ভোট:-৬৬৯৭
৭) ফয়সাল খান-ঈগল
ভোট:-৩৯০
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া)
সংসদীয় আসন নম্বর:-১২৯
মোট ভোটার:২৩৭৭৪৪জন
মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যা:১৩৬৯৮৭
মোট কেন্দ্র-৮৬
প্রাপ্তকেন্দ্র:-৮৬
১) করিম সিকদার-মোটরগাড়ি-
ভোট:-২১২
২) তৌহিদুজ্জামান-ফুটবল
ভোট:-২৩১
৩) মোঃ মাশরেকুল আজম(রবি)-লাঙ্গল
ভোট:-১৬৯
৪) মোঃ রুস্তম আলী ফরাজী-হাতপাখা
ভোট:-৩৫৯৬৮
৫) মোঃ রুহুল আমিন দুলাল-ধানের শীষ
ভোট:-৬৩৭৯১
৬) মোঃ শামীম হামিদী-শাপলা করি
ভোট:-৩৬৬১৬
পিরোজপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ সাঈদীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
পিরোজপুর-২ বেসরকারিভাবে ধানের শীষের প্রার্থী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমনকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়েছে।
পিরোজপুর-৩ বেসরকারিভাবে ধানের শীষের প্রার্থী রুহুল আমিন দুলালকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া)
কেন্দ্র ১৪৩টি
ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল ১ লাখ ৮ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ধানের শীষে পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৯২৬ ভোট
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা)
কেন্দ্র ১৭৪
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদুল্লাহ রিকশা প্রতীকে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৪৪ ভোট।
ময়মনসিংহ -৩
মোট কেন্দ্র: (৯২)
ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন- ৭৪ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
ঘোড়া প্রতীকে আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫১৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর)
কেন্দ্র ১৭৯
বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর কামরুল আহসান এমরুল পেয়েছেন ১লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট।
ময়মনসিংহ-৫
বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া )
কেন্দ্র ১২১
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন ৭৫ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের আখতার সুলতানা ৫২ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়েছেন।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)
ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন ৯৮ হাজার ৫৭৯ বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আসাদুজ্জামান সোহেল পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৬২ ভোট।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ)
ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডিপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়েছেন।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)
কেন্দ্র ১২১
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একেএম আনোয়ারুল হক পেয়েছেন
৭০ হাজার ১৫২ ভোট।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও )
কেন্দ্র সংখ্যা ১১১
প্রার্থীর নাম আখতারুজ্জামান প্রাপ্ত ভোট ৭৪৬৩৮ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত নিকটতম প্রার্থীর নাম-সিদ্দিকুর রহমান প্রতীক-হাঁস প্রাপ্ত ভোট ৬৬৪২৪
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা)
মোট কেন্দ্র: (১০৭)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হরিণ প্রতীকের মোর্শেদ আলম পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট।
গাজীপুর-১
মোট কেন্দ্র - ২৩৭
ধানের শীষ- (মোঃ মজিবুর রহমান)- ২লাখ ৭হাজার ৭০২টি ভোট,
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা- (মোঃ শাহ আলম বকসী)- ১লাখ ৪৭হাজার ৭৯০টি ভোট।
বেসরকারিভাবে গাজীপুর-১ আসনে মোঃ মজিবুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।
গাজীপুর -২
মোট কেন্দ্র- ২৭২
মার্কা ও প্রাপ্ত ভোট: ধানের শীষ -১৮৭৫৬১
মার্কা ও প্রাপ্ত ভোট: শাপলাকলি- ১৩৮৩৯২
গাজীপুর ২ আসনে বেসরকারি ভাবে ধানের শীষের প্রার্থী এম মন্জুরুল করিম রনি জয়ী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী আলী নাসের খান।
গাজীপুর-৩
মোট কেন্দ্র -১৮০
ধানের শীষ- (এসএম রফিকুল ইসলাম)- ১লাখ ৬১হাজার ২৫৮টি ভোট,
রিক্সা- (মুহাম্মদ এহসানুল হক)- ৯৯হাজার ৩৫৪টি ভোট,
বেসরকারি ভাবে ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আহসানুল হক।
গাজীপুর-৪
মোট কেন্দ্র - ১২২
ধানের শীষ- (শাহ্ রিয়াজুল হান্নান)- ৮৭হাজার ৫০৫টি ভোট,
দাঁড়িপাল্লা- (সালাহউদ্দীন আইয়ুবী- ৯৬হাজার ৯১১টি ভোট।
বেসরকারি ভাবে গাজীপুর-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দীন আইয়ুবী নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি'র শাহ রিয়াজুল হান্নান।
গাজীপুর-৫
মোট কেন্দ্র - ১২৪
ধানের শীষ- (একেএম ফজলুল হক মিলন)- ১লাখ ৩২হাজার ৮৯১টি ভোট,
দাঁড়িপাল্লা- (খায়রুল হাসান) - ৭৬হাজার ৭৬১টি ভোট।
বেসরকারি ভাবে গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপি'র ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলন নির্বাচিত হয়েছেন।
দিনাজপুরের ৬ টি সংসদীয় আসনের ৫টিতে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বেসরকারি ফলাফলে জয়লাভ করেছেন। আর একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
দিনাজপুর -১ ( বীরগঞ্জ - কাহারোল) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মো: মনজুরুল ইসলাম
মোট ১ লাখ ৭৯হাজার ৩১৪ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মতিউর রহমান পেয়েছেন ১লাখ ১৭হাজার ৪৮১ ভোট।
দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ)
আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মো: সাদিক রিয়াজ মোট ১লাখ ৩৯হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এ,কে,এম আফজালুল আনাম- পেয়েছেন ১লাখ ০৪ হাজার ৮৮৭ ভোট।
দিনাজপুর -৩ (সদর) আসনে মোট ১৩১টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিজয়ী প্রার্থী হলেন ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপির সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তার প্রাপ্ত ভোট ১লাখ ৪০হাজার ৬০৮ । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতের প্রার্থী মো: মাইনুল আলম। তার প্রাপ্ত ভোট ১লাখ ৩৬হাজার ২৩৯।
দিনাজপুর -৪ ( চিরিরবন্দর - খানসামা) আসনে মোট কেন্দ্র ১৩১ কেন্দ্রের সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের আখতারুজ্জামান মিয়া। তার প্রাপ্ত ভোট ১লাখ ৬৬হাজার ৭১৭। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ আফতাবউদ্দীন মোল্লা। তার প্রাপ্ত ভোট ১লাখ ২৯হাজার ০৫৬।
দিনাজপুর -৫ ( পার্বতীপুর - ফুলবাড়ি) আসনে মোট ১৪২ কেন্দ্রের সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী বর্তমানে বহিস্কৃত ) তালা প্রতীকের এজেডএম রেজওয়ানুল হক। তার প্রাপ্ত ভোট ১লাখ ১৪হাজার ৪৮৪। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের আব্দুল আহাদ। তার প্রাপ্ত ভোট ১লাখ ১০হাজার ১৯৫।
দিনাজপুর -৬ ( বিরামপুর - নবাবগঞ্জ - ঘোড়াঘাট- হাকিমপুর) আসনে মোট কেন্দ্র ২০০ সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষের এজেএম জাহিদ হোসেন।তার প্রাপ্ত ভোট ২লাখ ০৫হাজার ১১৮।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতূকের আনোয়ারুল ইসলাম। তার প্রাপ্ত ভোট: ১লাখ ৯০হাজার ৭০৩।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-মধ্যনগর-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ)
কামরুজ্জামান কামরুল (বিএনপি): ১ লাখ ৬১ হাজার ভোট
মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান (জামায়াত): ৯২ হাজার ৯৬৬ ভোট
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা)
নাছির উদ্দিন চৌধুরী (বিএনপি): ৯৯ হাজার ৫২২ ভোট
অ্যাডভোকেট শিশির মনির (জামায়াত): ৬৩ হাজার ২২০ ভোট
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ)
মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ (বিএনপি): ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট
আনোয়ার হোসেন তালা (স্বতন্ত্র- বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী): ৪২ হাজার ২২৬ ভোট
সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর)
নূরুল ইসলাম (বিএনপি): ৯৮ হাজার ৯২ ভোট
মো. সামছ উদ্দিন (জামায়াত): ৭৫ হাজার ৭৩৫ ভোট
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারা)
কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন (বিএনপি): ১ লাখ ৫১ হাজার ৯১৫ ভোট
আবু তাহির মুহাম্মদ আবদুস সালাম (জামায়াত): ১ লাখ ২ হাজার ১২১ ভোট
সরকার গঠনের জন্য সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০টি আসনের মধ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের প্রয়োজন হয়। সে অনুযায়ী, এককভাবে সরকার গঠন করতে ন্যূনতম ১৫১টি (৩০০ আসনের মধ্যে অর্ধেক +১) সাধারণ আসনে জয়লাভ করতে হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাত ২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি ১৫৩টি আসনে জয় পেয়েছে।
জাতীয় সংসদে মোট আসনের মধ্যে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয় ৩০০টি সাধারণ আসন এবং ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন। এবার ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে।
সরাসরি জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়।
যদি কোনো দল এককভাবে ১৫১টি আসন না পায়, তবে জোট সরকার গঠনের মাধ্যমে সরকার গঠন করা যেতে পারে।
ফরিদপুর-১
ড. ইলিয়াস মোল্যা (জামায়াত): ১ লাখ ৫৪ হাজার ১৪৫ ভোট
খন্দকার নাসিরুল ইসলাম (বিএনপি): ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৬ ভোট
ফরিদপুর-২:
শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি): ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট
মো. আকরাম আলী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ): ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট
ফরিদপুর-৩:
চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি): ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট
জামায়াত প্রার্থী: ১ লাখ ২৪ হাজার ১১৫ ভোট
ফরিদপুর-৪:
বিএনপির প্রার্থী: ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট
জামায়াত প্রার্থী: ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট
নরসিংদী-১ (সদর)
খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি): ১,৬০,৬৭৬ ভোট
মো. ইব্রাহিম ভূঞা (জামায়াত): ৯২,৯৩০ ভোট
নরসিংদী-২ (পলাশ)
ড. আব্দুল মঈন খান (বিএনপি): ৫৭,৬৯৪ ভোট
আমজাদ হোসেন (জামায়াত): ৩৬,৬৬৯ ভোট
নরসিংদী-৩ (শিবপুর)
মনজুর এলাহী (বিএনপি): ৮১,৪১৫ ভোট
আরিফউল ইসলাম মৃধা (স্বতন্ত্র): ৪৫,৪০১ ভোট
নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব)
সরদার শাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি): ১,৬১,৯১২ ভোট
মো. জাহাঙ্গীর আলম (জামায়াত): ৭৬,৪৪৫ ভোট
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা)
আশরাফ হোসেন বকুল (বিএনপি): ১,৩৫,৫১২ ভোট
তাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ): ৪৩,৬৮২ ভোট
১৬ হাজার ভোটে বিএনপির প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।
বিএনপি প্রার্থী পেয়েছেন ১৫৫১১৯, জামায়াতের প্রার্থী পেয়েছেন ১৭১২২৭।
প্রতীক ও দল, ধানের শীষ ও বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট: ১৩৪১৯৭
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট:১০৫১৮৮
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুনকে প্রায় ৬৩ হাজার ভোটে হারিয়ে বিজয়ী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী নুরুল ইসলাম
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৯০
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: হাতপাখা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ । প্রাপ্ত ভোট: ১লাখ ৪০ হাজার ২৯০
নিকটতম প্রার্থীর নাম: ধানের শীষ নজরুল ইসলাম মোল্লা। প্রাপ্ত ভোট: ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৫৪ ।
মোট কেন্দ্র-১৫১টি
ডা: কে এম বাবর-বিএনপি-ধানের শীষ-৪০০৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
এম এইচ খান মঞ্জু - স্বতন্ত্র প্রার্থী- হরিণ- ৩৩০৩৯ ভোট।
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৪৮
* বিজয়ী: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো
প্রতীক - ধানের শীষ, বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট -১১৩১০০
প্রতীক - দাঁড়িপাল্লা
দল: জামায়েতে ইসলামী
প্রাপ্ত ভোট - ৬৯৮০৫।
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ৯১
* মোঃ রফিকুল ইসলাম জামাল
প্রতীক - ধানের শীষ, বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট - ৬২০১০
প্রতীক - দাঁড়িপাল্লা
দল: জামায়েতে ইসলামী
প্রাপ্ত ভোট - ৫৫১২০
আসনে রুহুল আমিন দুলাল (ধানের শীষ) ৬৩ হাজার ১৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডাঃ রুস্তম আলী ফরাজী (হাত পাখা) পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৩ ভোট এবং ড. শামীম হামিদী (শাপলা কলি) পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩১২ ভোট। রুহুল আমিন দুলাল বিজয়ী হয়েছেন।
আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা: ১৬৭
মোহাম্মদ মেহেদী হাসান- ধানের শীষ (বিএনপি) ১,৪৯,৮২১ ভোট
মো. মতিয়ার রহমান- (দাঁড়িপাল্লা) পোস্টালসহ ১,৭৫,৮৫৭ ভোট
সুমন কবির- ট্রাক (গণঅধিকার পরিষদ) ৩৮৮ ভোট।
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি।
প্রাপ্ত ভোট: ১১৬৫০৩
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত ।
প্রাপ্ত ভোট: ১০৭৪৪৩
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৬ ভোট।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। তিনি পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৪৯৬। দুজনের ভোটের ব্যবধান ২৭ হাজার ৭০০।
মিজানুর রহমান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন। এছাড়া মেয়র থাকা অবস্থায় ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি সদর আসনের সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন।#
মোট কেন্দ্র-১৩৮টি, প্রাপ্ত কেন্দ্র : ১৩৮টি
সেলিমুজ্জামান মোল্যা-বিএনপি-ধানের শীষ-৬৮৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
মো: কাবীর মিয়া-গণঅধিকার পরিষদ-ট্রাক- ৫৩৯৬১ ভোট
মো: আব্দুল হামিদ-জামায়াতে-দাঁড়িপাল্লা-৩৩৬৭৩ ভোট
আশ্রাফুল আলম শিমুল-স্বতন্ত্র-ফুটবল-২০৯৪৩ ভোট
মোট কেন্দ্র - ১৬৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র- ১০৬
শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ধানের শীষ- ১,১৭,৮৯২
মাওলানা ইকবাল হোসাইন, দাঁড়িপাল্লা- ১,০৬,০৪২
হাতপাখা-২৯৯৪
ঈগল-২৮২
মোট কেন্দ্র ২০০
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: এজেএম জাহিদ হোসেন
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ২০৫১১৮
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আনোয়ারুল ইসলাম
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ১৯০৭০৩
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী। ভোটকেন্দ্র ও পোস্টাল ব্যালট থেকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ২০৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমান। ভোটকেন্দ্র ও পোস্টাল ব্যালট থেকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৭৫৯ ভোট।
এ দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ৪৪৯।
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ২৩১
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: মো. আনোয়রুল ইসলাম।
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা। জামায়াতে ইসলামী।
প্রাপ্ত ভোট: ১৩৪৬৪৮
নিকটতম প্রার্থীর নাম: সাইফুর রহমান রানা।
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ।
প্রাপ্ত ভোট: ১১৭৩৫৬
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা, জামায়াতে ইসলামী
প্রাপ্ত ভোট: ১০৬৩৪৭
* নিকটতম প্রার্থীর নাম: মো. আজিজুর রহমান।
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ , বিএনপি।
প্রাপ্ত ভোট: ৮৩৭৬২
প্রতীক ও দল: শাপলা কলি, এনসিপি
প্রাপ্ত ভোট: ১৭৯৭৩৫
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি।
প্রাপ্ত ভোট: ১৬৯৩৭২
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৯০
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ১৮৬
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও দল, প্রাপ্ত ভোট: মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ , হাতপাখা , ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, প্রাপ্ত ভোট-১৩৭০০৫
নিকটতম প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও দল, প্রাপ্ত ভোট: নজরুল ইসলাম মোল্লা, ধানের শীষ, বিএনপি, প্রাপ্ত ভোট- ১৩১২৫১
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৮০
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ১৪১
জামায়াতে ইসলামীর মাসুদ পারভেজ রাসেল (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৮৫ ভোট।
নিকটতম প্রার্থী বিএনপির শরীফুজ্জামান শরীফ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৬১০ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে ধানের শীষ বিজয়ী
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৬০
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ১৬০
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: ধানের শীষের এম এ মুহিত। প্রাপ্ত ভোট: ১লাখ ৭২ হাজার ১১৪
নিকটতম প্রার্থীর নাম: শাপলা কলির এস এম সাইফ মোস্তাফিজ। প্রাপ্ত ভোট: ১ লাখ ০৩ হাজার ৭০৪।
পিরোজপুর-৩ আসনে ধানের শীষ বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র সংখ্যা: ৮৫
ধানের শীষ: ৬৩১৩২
শাপলা কলি: ৩৫৩১২
নোয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষ এগিয়ে
মোট কেন্দ্র- ১৪১
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফলাফল- ৭২
ধানের শীষ ৬২৮৭২ (মাহাবুব উদ্দিন খোকন)।
দাঁড়িপাল্লা ৪৬৭৬৫ (মো. ছাইফ উল্যাহ)
দিনাজপুর-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী জয়ী
মোট কেন্দ্র ১৪২ (সবকটি কেন্দ্রের ফলাফল)
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: এজেডএম রেজওয়ানুল হক।
দল ও প্রতীক: স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী বর্তমানে বহিস্কৃত) তালা
প্রাপ্ত ভোট: ১১৪৪৮৪
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী: আব্দুল আহাদ
দল: এনসিপি
প্রাপ্ত ভোট: ১১০১৯৫
মোট কেন্দ্র: ১৩৮টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬টি
মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ (জামায়াত): ১,০৯৪ ভোট
আশ্রাফুল আলম (স্বতন্ত্র): ৮৩৭ ভোট
কুষ্টিয়া-১: ৩৬ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপি
মোট কেন্দ্র: ১৩৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৬
রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা (বিএনপি): ৪৬,১৩৭ ভোট
বেলাল উদ্দিন (জামায়াত): ২৩,৭১৯ ভোট
হবিগঞ্জ-১: ৩৩ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির রেজা কিবরিয়া
মোট কেন্দ্র: ১৭৭ টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৩ টি
রেজা কিবরিয়া (বিএনপি): ২০,৯১৭ ভোট
শেখ সুজাত মিয়া (স্বতন্ত্র): ৮,৩৩৯ ভোট
জামালপুর-৩: ১২ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপি
মোট ভোটকেন্দ্র:
প্রাপ্ত ভোট: ১২ কেন্দ্র
মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি): ১৬,০৭০ ভোট
ড. মুজিবুর রহমান আজাদী (জামায়াত): ৫,১২৮ ভোট
বান্দরবান: ৬৩ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির সাচিং প্রু জেরী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮৭
প্রাপ্ত ভোট: ৬৩ কেন্দ্র
সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি): ৫১,৫২৬ ভোট
সুজাউদ্দিন (এনসিপি): ১০,৪৩৬ ভোট
পাবনা-৩: ২১ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৭৭
প্রাপ্ত ভোট: ২১টি
হাসান জাফির তুহিন (বিএনপি): ১৬,০৫৫ ভোট
আলী আছগার (জামায়াত): ১৩,৬২১ ভোট
কুমিল্লা-৫: ৮০ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত ভোট: ৮০ কেন্দ্র
জসিম উদ্দিন (বিএনপি): ৮১,৩৭৫ ভোট
ড. মোবারক হোসেন (জামায়াত): ৭২,৯৮০ ভোট
হবিগঞ্জ-২: ধানের শীষের প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫০
প্রাপ্ত ভোট: ৪৪ কেন্দ্র
আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (বিএনপি): ৩৫৫৫৯ ভোট
মাওলানা আব্দুল বাসিদ (খেলাফত মজলিস): ১২,৯৭৩ ভোট
রাজশাহী-১: ৪০ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৯
প্রাপ্ত ফল: ৪০ কেন্দ্র
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াত): ৪৭,৩০৪ ভোট
শরীফ উদ্দীন (বিএনপি): ৪০,৫৪৭ ভোট
পটুয়াখালী–৩: ৫৯ কেন্দ্রে এগিয়ে নুরুল হক নূর
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৪ টি
প্রাপ্ত ভোট: ৫৯ কেন্দ্র
নুরুল হক নূর (গণঅধিকার): ৫৭,০০০ ভোট
হাসান মামুন (স্বতন্ত্র): ৩৪,০০০ ভোট
জামালপুর-১: ৫৩ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির মিল্লাত
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৮
প্রাপ্ত ভোট: ৫৩ কেন্দ্র
এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি): ৬৪,৬২৫ ভোট
নাজমুল হক সাঈদী (জামায়াত): ৪২,৬৪৪ ভোট
পাবনা-৪: বিএনপি–জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৮
প্রাপ্ত ভোট: ২১ কেন্দ্র।
আবু তালেব মন্ডল (জামায়াত): ১৭,৭১৫ ভোট
হাবিবুর রহমান হাবিব (বিএনপি): ১৭,৬৩০ ভোট
গোপালগঞ্জ-১: ১৭ কেন্দ্রে এগিয়ে ধানের শীষ
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৭
সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি): ৮,৯৬৫ ভোট
মো. আব্দুল হামিদ (জামায়াত): ৪,৮৭২ ভোট
কিশোরগঞ্জ-১: ৮১ কেন্দ্রে বিএনপির মাজহারুল এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮১
প্রাপ্ত ভোট: ৮১ কেন্দ্র
মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি): ৫৫৯০৮ ভোট
হেদায়াতুল্লাহ হাদী (খেলাফত মজলিশ): ৪০,২৬৫ ভোট
পাবনা-১: ৯৫ আসনে এগিয়ে জামায়াতের প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯৫
প্রাপ্ত ভোট: ৪২ কেন্দ্র
ব্যরিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন (জামায়ত): ৫৭,৫৪৭ ভোট
শামসুর রহমান (বিএনপি): ৪২,৩৩৪ ভোট
কিশোরগঞ্জ-৩: ১০৭ আসনে এগিয়ে বিএনপির ওসমান
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫১
প্রাপ্ত ভোট: ১০৭ কেন্দ্র
ওসমান ফারুক (বিএনপি): ৮৫,৭৬০ ভোট
ডা. জেহাদ খান (জামায়াত): ৮৩,৩৮৯ ভোট
রাজশাহী-৪: ৬১ আসনে এগিয়ে ধানের শীষ
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২২টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬১
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি): ৫৯,২০৯ ভোট
মনজুর রহমান (জামায়াত): ৬,৪৩২ ভোট
ঝালকাঠি-১: ৬৩ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতের ফয়জুল
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯০
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৩
ড.ফয়জুল হক (জামায়াত): ৪৩,৬৮০ ভোট
মো. রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি): ৩৯,৬২১ ভোট
বরগুনা-১: ৬৩ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৩
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৩
নূরুল ইসলাম মনি (বিএনপি): ৪৬,৭২৭ ভোট
ডা. সুলতান আহমদ (জামায়াত): ৪২,১০০
লালমনিরহাট-১: ৫০ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির হাসান রাজিব
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান (বিএনপি): ৪৪,৮৮৬ ভোট
আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (জামায়াত): ৪১,৯৬৫ ভোট
পটুয়াখালী-৪: ৩৭ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির মোশাররফ
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৭
এবিএম মোশাররফ হোসেন (বিএনপি): ৩৫,৮২৩ ভোট
মোস্তাফিজুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ১৭,২২৯ ভোট
রাজশাহী-৪: অর্ধেক কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে জামায়াত
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২২টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬১টি
ডা. আব্দুল বারী (জামায়াত): ৬৪,৩২০ ভোট
ডিএমডি জিয়াউর রহমান (বিএনপি): ৫৯,২০৯ ভোট
জয়পুরহাট-১: ৯৯ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতের ফজলুর রহমান সাঈদ
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৯৯
মো. ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াত): ১,১০,১১৭ ভোট
মাসুদ রানা প্রধান (বিএনপি): ৯৯,৫৮৯ ভোট
গোপালগঞ্জ-১: গণঅধিকারের কাবীর ২৫ কেন্দ্রে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২৫
মো: কাবীর মিয়া (গণঅধিকার পরিষদ): ১৫,৫৩১ ভোট
সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি): ১২,৩৩৯ ভোট
রাজশাহী-৬: বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিএনপির চাঁদ
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৯
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২১
আবু সাঈদ চাঁদ (বিএনপি): ৩০,৮৮৮ ভোট
নাজমুল হক (জামায়াত): ১৮,৫২০ ভোট
গোপালগঞ্জ-৩: ৩৮ আসনে এগিয়ে বিএনপির জিলানী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৮
এস এম জিলানী (বিএনপি: ১৮,৫৯২ ভোট
আব্দুল আজিজ মাক্কী (খেলাফত মজলিস): ৯,১৭৫ ভোট
কুড়িগ্রাম-১: ৮৪ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতের প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৯
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৪
মো. আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াত): ৫৫,০৫৬ ভোট
সাইফুর রহমান রানা (বিএনপি): ৩৭,৫৪০ ভোট
জয়পুরহাট-২: জয়ের পথে বিএনপির প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১০৪
মো. আব্দুল বারী (বিএনপি): ১,৫৭,১২৭ ভোট
এস এম রাশেদুল আলম সবুজ (জামায়াত): ৯১,১০৩ ভোট
পিরোজপুর-৩: ৪৬ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির রুহুল আমিন
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪৬
রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি): ৩৪,১২৭ ভোট
ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ১৮,৪৩৮ ভোট
কিশোরগঞ্জ-৪: জয়ের পথে বিএনপির ফজলুর রহমান
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫০
প্রাপ্ত কেন্দ্র:১৫০
ফজলুর রহমান (বিএনপি): ১,৩২,৫৫৩ ভোট
রোকন রেজা (জামায়াত): ৫৫,৬৪৬ ভোট
দিনাজপুর-৫: ৬০ কেন্দ্রে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬০
এ জেড এম রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র): ৫৪,৩০০ ভোট
আব্দুল আহাদ (এনসিপি): ৪০,৩৪৬ ভোট
কুমিল্লা-১০: ৫০ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির মোবাশ্বের
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
মোবাশ্বের আলম ভূইয়া (বিএনপি): ৫৪,৫৩২ ভোট
ইয়াছিন আরাফাত (জামায়াত): ৩৬,৫০৯ ভোট
পিরোজপুর-২: ২৩ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৬
কেন্দ্র সংখ্যা: ২৩
আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি): ১২,০৫১ ভোট
শামীম সাঈদী (জামায়াত): ১২,২৯৮ ভোট
কুমিল্লা-৯: ৫০ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির আবুল কালাম
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
মো. আবুল কালাম (বিএনপি): ৬২,৪২৬ ভোট
সরোয়ার আলম সিদ্দিকী (জামায়াত): ৩৯,২৭৯ ভোট
কুমিল্লা-৪: জয়ের পথে এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ
হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি): ১,৭২,০০০ ভোট
জসীমউদ্দীন (গণঅধিকার): ২৬,০০০ ভোট
সিরাজগঞ্জ-৩: ৩৭ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৭
মো. আয়নুল হক (বিএনপি): ৪০,০২৭ ভোট
মুহা. আব্দুর রউফ সরকার (খেলাফত মসলিস): ২৭,৭৬৬ ভোট
কুমিল্লা-১: ৪০ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির খন্দকার মোশাররফ
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪০
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি): ৪৬,১০৬ ভোট
মনিরুজাজামান বাহালুল (জামায়াত): ৩০,০৮৫
নওগাঁ-১: ৬৪ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপির মোস্তাফিজুর
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৪
মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি): ৭৭,৫১৮ ভোট
মাহাবুবুল আলম (জামায়াত): ৫২,২৩৬ ভোট
নওগাঁ-২: ৬০ আসনে এগিয় বিএনপির শামসুজ্জোহা খান
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬০
শামসুজ্জোহা খান (বিএনপি): ৬৭,৫৩৬ ভোট
এনামুল হক (জামায়াত): ৬২,৯৩৮ ভোট
নওগাঁ-৩: ৮১ আসনে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮১
ফজলে হুদা (বিএনপি): ৯২,৪৭৮ ভোট
মাহফুজুর রহমান (জামায়াত): ৬৯,৩৬২ ভোট
নওগাঁ-৪: জয়ের পথে বিএনপির ইকরামুল বারী টিপু
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১১৭
ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি): ১,৩৩,৮০১ ভোট
আব্দুর রাকিব (জামায়াত): ৯৬,৮১৪ ভোট
নওগাঁ-৫: বিএনপির প্রার্থী ৪৯ আসনে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪৯
জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি): ৫৯,৭৩২ ভোট
আ স ম সায়েম (জামায়াত): ৪৩,৩৬৭ ভোট
নওগাঁ-৬: ৮৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র:১১৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৭
শেখ রেজাউল ইসলাম (বিএনপি): ৮১,৪২৭ ভোট
খবিরুল ইসলাম (জামায়াত): ৭০,৬৪৫ ভোট
কুমিল্লা-২: ২৮ কেন্দ্রে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৩
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২৮
মো. সেলিম ভূইয়া (বিএনপি): ২০,৫১৯ ভোট
এম এ মতিন (স্বতন্ত্র): ১৩,৯৯৪ ভোট
পিরোজপুর-৩: ৫৭ আসনে এগিয়ে বিএনপির রুহুল আমিন দুলাল
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র সংখ্যা: ৫৭
রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি): ৪১,৬৬৪ ভোট
ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ২৩,৭৩৪ ভোট
নোয়াখালী-৩: বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু ১২৪ আসনে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১২৪
মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি): ১,০৩,৭১৬ ভোট
মাওলানা বোরহান উদ্দিন (জামায়াত): ৮৬,৪০৫ ভোট
দিনাজপুর-৫: ৮৫ কেন্দ্রে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী
মোট ভোটকেন্দ্রধ ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৫
এ জেড এম রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র): ৬৯,৪২৯ ভোট
আব্দুল আহাদ (এনসিপি): ৬০,৩৩১ ভোট
নরসিংদীর পাঁচটি আসনের সবগুলোতেই বিএনপি এগিয়ে
নরসিংদী-১: বিএনপির খায়রুল কবির খোকন ৫৯ কেন্দ্রে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫৯
খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি): ৮৭,১৫৫ ভোট
মো. ইব্রাহিম ভূঞা (জামায়াত): ৫৪,৩৮১ ভোট
নরসিংদী-২: ৫১ আসনে এগিয়ে বিএনপির আব্দুল মঈন খান
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫১টি
ড. আব্দুল মঈন খান (বিএনপি): ৪৯,১৯৫ ভোট
আমজাদ হোসেন (জামায়াত): ২৯,৩৭৮ ভোট
নরসিংদী-৩: বিএনপির মনজুর এলাহী ৫০ আসনে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
মনজুর এলাহী (বিএনপি): ৩৯,৮৮৫ ভোট
আরিফ উল ইসলাম মৃধা (স্বতন্ত্র): ২৪,২৮০ ভোট
নরসিংদী-৪: বিএনপি প্রার্থী ৬৮ আসনে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৮
সরদার শাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি): ৬৩,৫২৮ ভোট
মো. জাহাঙ্গীর আলম (জামায়াত): ৩৭,৮৮১ ভোট
নরসিংদী-৫: বিএনপির আশরাফ হোসেন বকুল ৭৫ আসনে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৭৫
আশরাফ হোসেন বকুল (বিএনপি): ৫৯,৯৯৩ ভোট
তাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ খেলাফত মসলিশ): ১৭,৪৩৪ ভোট
ময়মনসিংহ-৭: বিএনপির মাহাবুবুর রহমান বিজয়ী
ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন (বিএনপি): ৯৮,৫৭৯ ভোট
আসাদুজ্জামান সোহেল (জামায়াত): ৮২,৯৬২ ভোট
ময়মনসিংহ-৮:বিএনপির লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বিজয়ী
লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু (বিএনপি): ১,০৭, ৫৭৭ ভোট
অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল (এডিপি): ৪৫,৭৯১ ভোট
ময়মনসিংহ-৩: বিএনপির ইকবাল হোসেন বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৯২
ইকবাল হোসেন (বিএনপি): ৭৪,৪৭৮ ভোট
আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন (স্বতন্ত্র): ৬৫,৫১৩ ভোট
বান্দরবান: বিএনপির সাচিং প্রু জেরী বিপুল ভোটে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র:১৮৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৩৭
সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি): ৯৪,৮৭৫ ভোট
আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন (এনসিপি): ১৫,১৯৬
পিরোজপুর-১: জামায়াতের প্রার্থী ৬২ কেন্দ্রে এগিয়ে
মোট কেন্দ্র:১৬৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র:৬২
আলমগীর হোসেন (বিএনপি): ৩৭,১১৭ ভোট
মাসুদ সাঈদী (জামায়াত): ৪৮, ৪৪৫ ভোট
কিশোরগঞ্জ-১: ১২২ আসনে বিএনপির মাজহারুল এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১২২
মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি): ৮২,২১৩ ভোট
হেদায়াতুল্লাহ হাদী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ): ৭১,৬১৩ ভোট
শেরপুর-২: বিএনপির ফাহিম চৌধুরী বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৫৪
প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী (বিএনপি): ১,১৭,৪৪১ ভোট
মু. গোলাম কিবরিয়া (জামায়াত): ১,০৬,৫৭৮ ভোট
শেরপুর-১: জামায়াতের হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৪৫টি
হাফেজ রাশেদুল ইসলাম (জামায়াত): ১,৩০,৯৮৯ ভোট
ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা (বিএনপি): ৭৭,৫২১ ভোট
ময়মনসিংহ-১১: বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১০৭
ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি): ১,১০,২১৪ ভোট
মোর্শেদ আলম (স্বতন্ত্র): ৬৫,৫৯১ ভোট
সিলেট-৬: বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৯২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৯২
এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি): ৯৭,৯৪৬ ভোট
মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন (জামায়াত): ৮৮,১৫৭ ভোট
মাগুরা–১: বিএনপির মনোয়ার হোসেন বিজয়ের পথে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৫১
মো. মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি): ১,৭৭,৪৯৪ ভোট
আব্দুল মতিন (জামায়াত): ৮৪,৯১৯ ভোট
মাগুরা–২: বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২৬
অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি): ২৭,১৫৩ ভোট
মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ (জামায়াত): ১৫,৫৪৪ ভোট
দিনাজপুর-১: বিএনপির মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু বিজয়ী
মো. মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু (বিএনপি): ১,৭৮,৪৫৯ ভোট
মো. মতিউর রহমান (জামায়াত): ১,১৬,৪৮৮ ভোট
চট্টগ্রামের ১৬ আসনের ছয়টিতে বিএনপি বিজয়ী
চট্টগ্রাম-৭: বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী বিজয়ী
ভোটকেন্দ্র: ৯২
হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি): ১,০১,৩৬৭ ভোট
এ টি এম রেজাউল করিম (জামায়াত): ৩৮,৬৬৫ ভোট
চট্টগ্রাম-১: বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা বিজয়ী
ভোটকেন্দ্র: ৮৩
মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি): ৭২,৫১৯ ভোট
মুহাম্মদ আলা উদ্দীন সিকদার (জামায়াত): ৩৬,৮১৮ ভোট
চট্টগ্রাম-১১: বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিজয়ী
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি): ১,১৫,৮১৫ ভোট
মো. শফিউল আলম (জামায়াত): ৭৭,৯১৬ ভোট
চট্টগ্রাম-১২: বিএনপির এনামুল হক বিজয়ী
ভোটকেন্দ্র: ১১৩
মো. এনামুল হক (বিএনপি): ১,৩৪,৬০ ভোট
সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ার (মোমবাতী): ২৮,৮০৬ ভোট
চট্টগ্রাম–১৩: বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম বিজয়ী
ভোটকেন্দ্র: ১১৮
সরওয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি): ১,২৫,৪৬০ ভোট
এস এম শাহজাহান (মোমবাতি): ৫৪,৬২৭ ভোট
চট্টগ্রাম-৪: বিএনপির আসলাম চৌধুরী বিজয়ী
ভোটকেন্দ্র: ১২৪
মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (বিএনপি): ১,৪২,৬৭৪ ভোট
আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী (জামায়াত): ৮৯,২৬৮ ভোট
কুড়িগ্রাম-২: এনসিপির আতিকুর রহমান মোজাহিদ জয়ের পথে
মোট ভোটকেন্দ্র: ২০৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২০৩
ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ (এনসিপি): ১,৭৬,৮৬৭ ভোট
সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ (বিএনপি): ১,৬৮,৪৪৫ ভোট
কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্রী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৯
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১১৯
শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (স্বতন্ত্র): ৭৯,২১০ ভোট
সৈয়দ এহসানুল হুদা (বিএনপি): ৬৬,১১৮ ভোট
কিশোরগঞ্জ-১: বিএনপির মাজহারুল ইসলাম বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৮১
মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি): ১,২২,৯৪৬ ভোট
হেদায়াতুল্লাহ হাদী (১১ দলীয় জোট): ৯৯,৪৮৮ ভোট
কুড়িগ্রাম-১: জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ২৩১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২৩১
মো. আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াত): ১,৩৪,৬৪৮ ভোট
সাইফুর রহমান রানা (বিএনপি): ১,১৭,৩৫৬ ভোট
রংপুর-৪: এনসিপির আখতার হোসেন বিজয়ী
ভোটকেন্দ্র: ১৬৩
আখতার শাপলা (এনসিপি): ১,৪৭,৯৪৭ ভোট
এদমদাদুল হক ভরসা (বিএনপি): ১,৩৯,৬১৬ ভোট
দিনাজপুর-৪: বিএনপির আখতারুজ্জামান মিয়া বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩১
আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি): ১,৬৬,৭১৭ ভোট
আফতাবউদ্দীন মোল্লা (জামায়াত): ১,২৯,০৫৬ ভোট
পিরোজপুর-১: বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৭৩
আলমগীর হোসেন (বিএনপি): ৪৪,৮৮৮ ভোট
মাসুদ সাঈদী (জামায়াত): ৫৫,০৯৬ ভোট
পিরোজপুর-২: জামায়াত প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র:১৬৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র:৬১
শামীম সাঈদী (জামায়াত): ৩৪,৪৩১ ভোট
সোহেল মঞ্জুর সুমন (বিএনপি): ৩০,৬২৬ ভোট
পিরোজপুর-৩: বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৫
মো. রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি): ৬৩,১৩২ ভোট
মো. রুস্তম আলী ফরাজী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ৩৫,৬২৩ ভোট
নওগাঁ-৫: বিএনপির প্রার্থী জয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১১৮
জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি): ১,২৮,৩৬৬ ভোট
আ স ম সায়েম (জামায়াত): ১,০৩,২০৯ ভোট
ঝিনাইদহ-২: বিএনপির আব্দুল মজিদ বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮৬
মো. আব্দুল মজিদ (বিএনপি): ১,৭৫,৯৮৪ ভোট
আলী আজম মো. আবু বকর (জামায়াত): ১,৯৫,৭০২ ভোট
গোপালগঞ্জ-৩: ৭১ কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৭১
এস এম জিলানী (বিএনপি): ৩৬,৫৩০ ভোট
গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক (স্বতন্ত্র): ২০,৩৪৩ ভোট
দিনাজপুর-১: বিএনপির মনজুরুল ইসলাম এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৯
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৬
মনজুরুল ইসলাম (বিএনপি): ১,৭৮,৪৮৯ ভোট
মতিউর রহমান (জামায়াত): ১,১৬,৪৮৮
গোপালগঞ্জ-১: বিএনপির প্রার্থী ১১৫ আসনে এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৮টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১১৫টি
সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি): ৫৬,২৫৪ ভোট
মো. কাবীর মিয়া (গণঅধিকার): ৪৫,২৩৭ ভোট
নোয়াখালী-৪: বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৯৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৭
মো. শাহজাহান (বিএনপি): ৭৯,২৭১ ভোট
ইসহাক খন্দকার (জামায়াত): ৫৫,৫৮৮
পাবনা-৩: জামায়াত প্রার্থী আলী আছগার বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৭৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৭৭
আলী আছগার (জামায়াত): ১,৪৭,৪৭৫ ভোট
হাসান জাফির তুহিন (বিএনপি) ১,৪৪,২০৬ ভোট
দিনাজপুর-৩: বিএনপির সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩১
সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি): ১,৪০,৬০৮ ভোট
মাইনুল আলম (জামায়াত): ১,৩৬,২৩৯ ভোট
কিশোরগঞ্জ-৩: বিএনপির ওসমান ফারুক বিজয়ী
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫১
প্রাপ্ত ফলাফল: ১৫১
ওসমান ফারুক (বিএনপি): ১,১১,৬৩৮ ভোট
ডা. জেহাদ খান (জামায়াত): ১,০১,২৭৬ ভোট
চুয়াডাঙ্গা-১: জামায়াত প্রার্থী এগিয়ে
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮০
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৪১
মাসুদ পারভেজ রাসেল (বিএনপি): ১,৬১,৪৮৫ ভোট
শরীফুজ্জামান শরীফ (বিএনপি): ১,১৭,৬১০ ভোট
ভোটকেন্দ্র: ১২৪
মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (বিএনপি): ১,৪২,৬৭৪ ভোট
আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী (জামায়াত): ৮৯,২৬৮ ভোট
ভোটকেন্দ্র: ১১৮
সরওয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি): ১,২৫,৪৬০ ভোট
এস এম শাহজাহান (মোমবাতি): ৫৪,৬২৭ ভোট
ভোটকেন্দ্র: ১১৩
মো. এনামুল হক (বিএনপি): ১,৩৪,৬০ ভোট
সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ার (মোমবাতী): ২৮,৮০৬ ভোট
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি): ১,১৫,৮১৫ ভোট
মো. শফিউল আলম (জামায়াত): ৭৭,৯১৬ ভোট
ভোটকেন্দ্র: ৮৩
মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি): ৭২,৫১৯ ভোট
মুহাম্মদ আলা উদ্দীন সিকদার (জামায়াত): ৩৬,৮১৮ ভোট
ভোটকেন্দ্র: ৯২
হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি): ১,০১,৩৬৭ ভোট
এ টি এম রেজাউল করিম (জামায়াত): ৩৮,৬৬৫ ভোট।
মো. মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু (বিএনপি): ১,৭৮,৪৫৯ ভোট
মো. মতিউর রহমান (জামায়াত): ১,১৬,৪৮৮ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২৬
অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি): ২৭,১৫৩ ভোট
মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ (জামায়াত): ১৫,৫৪৪ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৫১
মো. মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি): ১,৭৭,৪৯৪ ভোট
আব্দুল মতিন (জামায়াত): ৮৪,৯১৯ ভোট
মোট কেন্দ্র- ১৫২
আফজাল হোসেন- দাঁড়িপাল্লা-১,৪৫,০০৬
সৈয়দ মেহদী আহমেদ রুমী - ধানের শীষ- ১,৩৯,০৫৬।
জামায়াত বিজয়ী - ৫৯৫০ ভোটে।
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি।
প্রাপ্ত ভোট: ১লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৫
প্রতীক ও দল: শাপলা কলি, এনসিপি।
প্রাপ্ত ভোট: ৮৭ হাজার ৬৯৪
প্রতীক ও দল, ধানের শীষ ও বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট: ১ লাখ ২৮২
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট:৮০২৮৩
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৯২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৯২
এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি): ৯৭,৯৪৬ ভোট
মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন (জামায়াত): ৮৮,১৫৭ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১০৭
ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি): ১,১০,২১৪ ভোট
মোর্শেদ আলম (স্বতন্ত্র): ৬৫,৫৯১ ভোট
মোট কেন্দ্র: ১২৪
জামায়াতের প্রার্থী: এনামুল হক-১৪১৫২৬
বিএনপির প্রার্থী: শামসুজ্জোহা খান-১৩৪৫৩৩
মোট ভোটার:২৪১৩৬০জন
মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যা:
মোট কেন্দ্র-৮৬
প্রাপ্তকেন্দ্র:-৩৯
১) করিম সিকদার-মোটরগাড়ি-
ভোট:-৮৮
২) তৌহিদুজ্জামান-ফুটবল
ভোট:-১৫৩
৩) মোঃ মাশরেকুল আজম(রবি)-লাঙ্গল
ভোট:-৭১
৪) মোঃ রুস্তম আলী ফরাজী-হাতপাখা
ভোট:-১৫৪১২
৫) মোঃ রুহুল আমিন দুলাল-ধানের শীষ
ভোট:-২৭৮৪৬
৬) মোঃ শামীম হামিদী-শাপলা করি
ভোট:-১৬০১৯
প্রতীক ও দল: শাপলা কলি, এনসিপি
প্রাপ্ত ভোট: ১২৯৫৭০
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি।
প্রাপ্ত ভোট: ১১৯২৪২
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৪৫টি
হাফেজ রাশেদুল ইসলাম (জামায়াত): ১,৩০,৯৮৯ ভোট
ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা (বিএনপি): ৭৭,৫২১ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৫৪
প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী (বিএনপি): ১,১৭,৪৪১ ভোট
মু. গোলাম কিবরিয়া (জামায়াত): ১,০৬,৫৭৮ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১২২
মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি): ৮২,২১৩ ভোট
হেদায়াতুল্লাহ হাদী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ): ৭১,৬১৩ ভোট
মোট কেন্দ্র:১৬৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র:৬২
আলমগীর হোসেন (বিএনপি): ৩৭,১১৭ ভোট
মাসুদ সাঈদী (জামায়াত): ৪৮, ৪৪৫ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র:১৮৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৩৭
সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি): ৯৪,৮৭৫ ভোট
আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন (এনসিপি): ১৫,১৯৬
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৯২
ইকবাল হোসেন (বিএনপি): ৭৪,৪৭৮ ভোট
আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন (স্বতন্ত্র): ৬৫,৫১৩ ভোট
লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু (বিএনপি): ১,০৭, ৫৭৭ ভোট
অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল (এডিপি): ৪৫,৭৯১ ভোট
ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন (বিএনপি): ৯৮,৫৭৯ ভোট
আসাদুজ্জামান সোহেল (জামায়াত): ৮২,৯৬২ ভোট।
মোট কেন্দ্র:১১৫
বিএনপির প্রার্থী: শেখ রেজাউল ইসলাম-১০৮০৭০
জামায়াতের প্রার্থী: খবিরুল ইসলাম-৯৫৮৮৬
আসনের নাম: নওগাঁ-৩।
সংসদীয় আসন নম্বর ৪৮
মোট কেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৪২
বিএনপির প্রার্থী: ফজলে হুদা- ১৬২৮৩০
জামায়াতের প্রার্থী: মাহফুজুর রহমান-১১৩২৬৩
মোট কেন্দ্র -১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফলাফল - ১৬৬
১. ধানের শীষ - ১৩৭৯৩৭ (মোঃ বরকত উল্লাহ বুলু)
২. দাঁড়িপাল্লা- ১১৭৮২৪ (মাওলানা বোরহান উদ্দিন )
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা:১৮৭।
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র সংখ্যা: ৮১
ধানের শীষ: ৬০৪৯৪
শাপলা কলি: ৩৩৭৭৪
হাতপাখা: ৩৩৮৯৩
প্রতীক - ধানের শীষ, বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট -৪৪০২৪।
প্রতীক - দাঁড়িপাল্লা, জামায়েতে ইসলামী
দল: জামায়েতে ইসলামী
প্রাপ্ত ভোট - ২৮২৪০।
প্রতীক - ধানের শীষ, বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট - ৪৩৯০৯
প্রতীক - দাঁড়িপাল্লা
প্রাপ্ত ভোট -৩৯৬৪৫
মোট কেন্দ্র ১৩১
৭৯টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: আখতারুজ্জামান মিয়া
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৯৮৫৫৯
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আফতাবউদ্দীন মোল্লা
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ৭৫৪৭৩
বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।
বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।
নওগাঁ-১ আসন
মোট কেন্দ্র: ১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৬৬
বিএনপির প্রার্থী: মোস্তাফিজুর রহমান- ১৪৯২০২
জামায়াতের প্রার্থী: মাহাবুবুল আলম-১২৬০৯৩
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর)
এ আসনে জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ৬৩ হাজার ২৫১ ভোটে এগিয়ে।
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা:১৮৭।
মোট কেন্দ্র - ১৭০
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফল - ৭৯
প্রাপ্ত ভোট -
জালাল উদ্দিন (ধানের শীষ)
৭০, ৫১১ ভোট।
শফিকুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা)
৪৬,২০৯ ভোট।
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি।
প্রাপ্ত ভোট: ৪৭০৮১
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত ।
প্রাপ্ত ভোট: ৩৬৭৬৬
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি।
প্রাপ্ত ভোট: ৭২ হাজার।
প্রতীক ও দল: শাপলা কলি, এনসিপি।
প্রাপ্ত ভোট: ৪২ হাজার।
মোট কেন্দ্র ১২৯
৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: মনজুরুল ইসলাম
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৮৮০২৪
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: মতিউর রহমান
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ৫৮৯০৯
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৭৫
আশরাফ হোসেন বকুল (বিএনপি): ৫৯,৯৯৩ ভোট
তাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ খেলাফত মসলিশ): ১৭,৪৩৪ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৮
সরদার শাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি): ৬৩,৫২৮ ভোট
মো. জাহাঙ্গীর আলম (জামায়াত): ৩৭,৮৮১ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
মনজুর এলাহী (বিএনপি): ৩৯,৮৮৫ ভোট
আরিফ উল ইসলাম মৃধা (স্বতন্ত্র): ২৪,২৮০ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫১টি
ড. আব্দুল মঈন খান (বিএনপি): ৪৯,১৯৫ ভোট
আমজাদ হোসেন (জামায়াত): ২৯,৩৭৮ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫৯
খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি): ৮৭,১৫৫ ভোট
মো. ইব্রাহিম ভূঞা (জামায়াত): ৫৪,৩৮১ ভোট
প্রাপ্ত ভোট এক লাখ ৩২ হাজার ৭৮৪ হাজার
মোহাম্মদ আলী সরকার, ধানের শীষ, বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট ৭৫ হাজার ৯৭৭
এ আসনে জামায়াতের এটিএম আজহারুল ইসলাম ৫৬ হাজার ৮০৭ ভোটে এগিয়ে।
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৬
প্রাপ্তকেন্দ্র: ৪২
ধানের শীষ: ২২১৪৫
দাঁড়িপাল্লা: ২৩১৩৯
মোট কেন্দ্র ২০০
৫৯টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: এজেএম জাহিদ হোসেন
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৬৩১১৫
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আনোয়ারুল ইসলাম
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ৫৬৫৬৩
রোকন উদ্দিন বাবুল, ধানের শীষ, বিএনপি-১২৩৩৪৩
অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু
, দাঁড়িপাল্লা, জামায়াত-১১৬২৩৬
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা:১৮৭।
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র সংখ্যা: ৬৯
ধানের শীষ: ৫০২৭৬
শাপলা কলি: ২৮৬৯০
হাতপাখা: ২৮৭৩১
মোট কেন্দ্র ১৪২
৮৫টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: এজেডএম রেজওয়ানুল হক
দল ও প্রতীক: স্বতন্ত্র (বিএনপি) তালা
প্রাপ্ত ভোট: ৬৯৪২৯
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আব্দুল আহাদ
দল: এনসিপি
প্রাপ্ত ভোট: ৬০৩৩১
মোট কেন্দ্র -১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফলাফল - ১২৪
১. ধানের শীষ - ১০৩৭১৬ (মোঃ বরকত উল্লাহ বুলু)
২. দাঁড়িপাল্লা- ৮৬৪০৫ (মাওলানা বোরহান উদ্দিন )
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র সংখ্যা: ৫৭
রুহুল আমিন দুলাল (ধানের শীষ): ৪১৬৬৪
ড. শামীম হামিদী (শাপলা কলি): ২২৯০৮
ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী (হাতপাখা): ২৩৭৩৪
আসনের নাম: নওগাঁ-৪।
সংসদীয় আসন নম্বর ৪৯।
মোট কেন্দ্র: ১১৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১১৭
বিএনপির প্রার্থী: ইকরামুল বারী টিপু- ১৩৩৮০১
জামায়াতের প্রার্থী: আব্দুর রাকিব-৯৬৮১৪
মোট ভোটকেন্দ্রধ ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৫
এ জেড এম রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র): ৬৯,৪২৯ ভোট
আব্দুল আহাদ (এনসিপি): ৬০,৩৩১ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১২৪
মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি): ১,০৩,৭১৬ ভোট
মাওলানা বোরহান উদ্দিন (জামায়াত): ৮৬,৪০৫ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র সংখ্যা: ৫৭
রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি): ৪১,৬৬৪ ভোট
ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ২৩,৭৩৪ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৩
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২৮
মো. সেলিম ভূইয়া (বিএনপি): ২০,৫১৯ ভোট
এম এ মতিন (স্বতন্ত্র): ১৩,৯৯৪ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র:১১৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৭
শেখ রেজাউল ইসলাম (বিএনপি): ৮১,৪২৭ ভোট
খবিরুল ইসলাম (জামায়াত): ৭০,৬৪৫ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪৯
জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি): ৫৯,৭৩২ ভোট
আ স ম সায়েম (জামায়াত): ৪৩,৩৬৭ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১১৭
ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি): ১,৩৩,৮০১ ভোট
আব্দুর রাকিব (জামায়াত): ৯৬,৮১৪ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮১
ফজলে হুদা (বিএনপি): ৯২,৪৭৮ ভোট
মাহফুজুর রহমান (জামায়াত): ৬৯,৩৬২ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬০
শামসুজ্জোহা খান (বিএনপি): ৬৭,৫৩৬ ভোট
এনামুল হক (জামায়াত): ৬২,৯৩৮ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৪
মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি): ৭৭,৫১৮ ভোট
মাহাবুবুল আলম (জামায়াত): ৫২,২৩৬ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪০
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি): ৪৬,১০৬ ভোট
মনিরুজাজামান বাহালুল (জামায়াত): ৩০,০৮৫
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ–বকশীগঞ্জ)
মোট কেন্দ্র: ১২৮টি | ফলাফল ৫৩টি
এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত), বিএনপি ধানের শীষ — প্রাপ্ত ভোটঃ ৬৪,৬২৫
মো. নাজমুল হক (সাঈদী), জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা
প্রাপ্ত ভোট— ৪২,৬৪৪ ভোট
ব্যবধান: ২১,৯৮১ ভোটে এগিয়ে ধানের শীর্ষ
জামালপুর-২ (ইসলামপুর)
মোট কেন্দ্র ৯২ ফলাফল এসেছে: ৬৫টি কেন্দ্রের
সুলতান মাহমুদ বাবু বিএনপি ধানের শীর্ষ
প্রাপ্ত ভোট— ৬৫,৬৪৩ ভোট
ড. সামিউল হক ফারুকী জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রাপ্ত ভোট— ৪১,৯৬৫,
ব্যবধান: ২৩,৬৭৮ ভোটে এগিয়ে ধানের শীষ
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ–মাদারগঞ্জ)
মোট কেন্দ্র: ১৫৪টি | ফলাফল ১২টি
মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল), বিএনপি ধানের শীর্ষ প্রাপ্ত ভোট— ১৬,০৭০
মো. মজিবুর রহমান (আজাদী),জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রাপ্ত ভোট — ৫,১২৮ ভোট,
ব্যবধান: ১০,৯৪২ ভোটে এগিয়ে ধানের শীর্ষ
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি)
মোট কেন্দ্র: ৮৮টি | ফলাফল ১৪টি
ফরিদুল কবীর শামীম তালুকদার, বিএনপি ধানের শীর্ষ প্রাপ্ত ভোট— ২১,২৭৯
অ্যাডভোকেট আওয়াল, জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রাপ্ত ভোট — ৫,৬৮২
ব্যবধান: ১৫,৫৯৭ ভোটে এগিয়ে ধানের শীর্ষ
জামালপুর-৫ (সদর)
মোট কেন্দ্র: ১৬১টি | ফলাফল এসেছে: ৩৯টি
অ্যাডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন,বিএনপি ধানের শীর্ষ প্রাপ্ত ভোটঃ— ৫০,২৬৩
মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার,জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রাপ্ত ভোটঃ — ৩০,৪৫০
ব্যবধান: ১৯,৮১৩ ভোটে এগিয়ে ধানের শীর্ষ
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১২২
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ১২২
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও দল, প্রাপ্ত ভোট: নূরুল ইসলাম মনি , ধানের শীষ , বিএনপি, প্রাপ্ত ভোট-৮২০০৬
নিকটতম প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও দল, প্রাপ্ত ভোট: ডা. সুলতান আহমদ, দাঁড়িপাল্লা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, প্রাপ্ত ভোট- ৭৫৩৮৮
মোট কেন্দ্র -১১১
প্রাপ্ত কেন্দ্র-২৭
ধানের শীষ- ২১৯১০ ( জয়নুল আবদিন ফারুক)
শাপলা কলি- ১৬৮১৩ (সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া )
মোট কেন্দ্র -১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফলাফল - ১০৭
১. ধানের শীষ - ৮৭৭৫৯ (মোঃ বরকত উল্লাহ বুলু)
২. দাঁড়িপাল্লা- ৭৩৯৯৬ (মাওলানা বোরহান উদ্দিন )
মোট কেন্দ্র- ১৪১
প্রাপ্ত কেন্দ্রের ফলাফল-৪০
১. ধানের শীষ ৩৪৪২৬ (মাহাবুব উদ্দিন খোকন)।
২. দাঁড়িপাল্লা ২৪৯৩৭ (মো. ছাইফ উল্যাহ)
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা-১৫৯
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ০৮
এগিয়ে থাকা প্রার্থী মো. কেরামত আলী (দাড়িপাল্লা), জামায়াত, প্রাপ্ত ভোট -১০৬৬৯।
নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহজাহান মিঞা, ধানের শীষ ,বিএনপি, প্রাপ্ত ভোট-৮৩১৬।
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৭
প্রাপ্ত ভোট কেন্দ্র : ৯২
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন (ধানের শীষ): ৫৩০০৭
মাসুদ সাঈদী (দাঁড়িপাল্লা): ৭৬১৮৬
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ২৩১
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ১৪৩
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: মো. আনোয়রুল ইসলাম।
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা। জামায়াতে ইসলামী।
প্রাপ্ত ভোট: ৮৬৯৭৯
নিকটতম প্রার্থীর নাম: সাইফুর রহমান রানা।
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ।
প্রাপ্ত ভোট: ৬৯৭৬১
মোট ভোট কেন্দ্রের মধ্যে প্রাপ্ত কেন্দ্র-৩০
এডভোকেট শাহ্ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন বিএনপি ধানের শীর্ষ
প্রাপ্ত ভোটঃ- ৩৭৪২৯
মাওলানা আব্দুস সাত্তার জামায়াতে ইসলামী দাঁড়ি পাল্লা
প্রাপ্ত ভোটঃ ১৮১৪৭
ডাঃ সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মদ ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা
প্রাপ্ত ভোটঃ-৭৮৭
মোট কেন্দ্র-১৪২
১ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৩ ভোট পেয়েছেন বিএনপির মো: শরীফুল আলম।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫৫৫ ভোট।
সে হিসাবে মো. শরীফুল আলম ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৫৮ ভোট বেশি পেয়েছেন।
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৭
মো. আয়নুল হক (বিএনপি): ৪০,০২৭ ভোট
মুহা. আব্দুর রউফ সরকার (খেলাফত মসলিস): ২৭,৭৬৬ ভোট
হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি): ১,৭২,০০০ ভোট
জসীমউদ্দীন (গণঅধিকার): ২৬,০০০ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
মো. আবুল কালাম (বিএনপি): ৬২,৪২৬ ভোট
সরোয়ার আলম সিদ্দিকী (জামায়াত): ৩৯,২৭৯ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৬৬
কেন্দ্র সংখ্যা: ২৩
আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি): ১২,০৫১ ভোট
শামীম সাঈদী (জামায়াত): ১২,২৯৮ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
মোবাশ্বের আলম ভূইয়া (বিএনপি): ৫৪,৫৩২ ভোট
ইয়াছিন আরাফাত (জামায়াত): ৩৬,৫০৯ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬০
এ জেড এম রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র): ৫৪,৩০০ ভোট
আব্দুল আহাদ (এনসিপি): ৪০,৩৪৬ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫০
প্রাপ্ত কেন্দ্র:১৫০
ফজলুর রহমান (বিএনপি): ১,৩২,৫৫৩ ভোট
রোকন রেজা (জামায়াত): ৫৫,৬৪৬ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪৬
রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি): ৩৪,১২৭ ভোট
ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ১৮,৪৩৮ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১০৪
মো. আব্দুল বারী (বিএনপি): ১,৫৭,১২৭ ভোট
এস এম রাশেদুল আলম সবুজ (জামায়াত): ৯১,১০৩ ভোট
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৯০
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ১৩৫
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ
প্রতীক ও দল: হাতপাখা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
প্রাপ্ত ভোট: ১ লাখ ২৩৫৮০
নিকটতম প্রার্থীর নাম: নজরুল ইসলাম মোল্লা
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট: ১ লাখ ৭১৫
সিরাজগঞ্জ-২ ( সিরাজগঞ্জ সদর আংশিক ও কামারখন্দ) আসনে এগিয়ে বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৬২
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ৩৩
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট: ৩১ হাজার ৭৮০
নিকটতম প্রার্থীর নাম: মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ২৪ হাজার ৮২১
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১২৯
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ৪৯
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: মনজুরুল ইসলাম
দল ও প্রতীক: বিএনপি ও ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৬৪ হাজার ৫২১
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাম: মতিউর রহমান
দল ও প্রতীক: জামায়াত ও দাঁড়িপাল্লা
প্রাপ্ত ভোট: ৪৬ হাজার ৬৯৬
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ৮৫
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ৩০
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: রুহুল আমিন দুলাল
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট: ২১ হাজার ১৯২
নিকটতম প্রার্থীর নাম: ড. শামীম হামিদী
প্রতীক ও দল: শাপলা কলি ও এনসিপি
প্রাপ্ত ভোট: ১১ হাজার ৬০৯
মোট কেন্দ্র ১৪২
ফল প্রকাশ: ৪৯
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: এজেডএম রেজওয়ানুল হক
দল ও প্রতীক: স্বতন্ত্র (বিএনপি) তালা
প্রাপ্ত ভোট: ৪৬ হাজার ১২২
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আব্দুল আহাদ
দল: এনসিপি
প্রাপ্ত ভোট: ২৫ হাজার ৬৭৯
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা:১৬৫
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ১৪
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: সেলিম রেজা
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ ও বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট: ১১ হাজার ৯৩
নিকটতম প্রার্থীর নাম: শাহিনুর আলম
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ৯ হাজার ৯১৫
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৯
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৪
মো. আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াত): ৫৫,০৫৬ ভোট
সাইফুর রহমান রানা (বিএনপি): ৩৭,৫৪০ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১০৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৮
এস এম জিলানী (বিএনপি: ১৮,৫৯২ ভোট
আব্দুল আজিজ মাক্কী (খেলাফত মজলিস): ৯,১৭৫ ভোট
আসনের নাম: নওগাঁ-১
সংসদীয় আসন নম্বর ৪৬
মোট কেন্দ্র: ১৬৬
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৪
বিএনপির প্রার্থী: মোস্তাফিজুর রহমান- ৭৭৫১৮
জামায়াতের প্রার্থী: মাহাবুবুল আলম-৫২২৩৬
আসনের নাম: নওগাঁ-২
সংসদীয় আসন নম্বর ৪৭
মোট কেন্দ্র: ১২৪
প্রাপ্ত কেন্দ্র:৪৪
বিএনপির প্রার্থী: শামসুজ্জোহা খান-৫১৮৫৭
জামায়াতের প্রার্থী: এনামুল হক-৪৮১৮৫
আসনের নাম: নওগাঁ-৩
সংসদীয় আসন নম্বর ৪৮
মোট কেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪৯
বিএনপির প্রার্থী: ফজলে হুদা- ৫৯৭৩২
জামায়াতের প্রার্থী: মাহফুজুর রহমান-৪৩৩৬৭
আসনের নাম: নওগাঁ-৪
সংসদীয় আসন নম্বর ৪৯
মোট কেন্দ্র: ১১৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৮৪
বিএনপির প্রার্থী: ইকরামুল বারী টিপু- ৯৭৩৯৪
জামায়াতের প্রার্থী: আব্দুর রাকিব-৬৬৮৩৫
আসনের নাম: নওগাঁ-৫
সংসদীয় আসন: ৫০।
মোট কেন্দ্র: ১১৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৪৯
বিএনপির প্রার্থী: জাহিদুল ইসলাম ধলু-৫৯৭৩২
জামায়াতের প্রার্থী: আ স ম সায়েম-৪৩৩৬৭
আসনের নাম: নওগাঁ-৬
সংসদীয় আসন নম্বর ৫১
মোট কেন্দ্র:১১৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫৫
বিএনপির প্রার্থী: শেখ রেজাউল ইসলাম-৫৩৪১২
জামায়াতের প্রার্থী: খবিরুল ইসলাম-৪৯৪৪৬
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১৯
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২১
আবু সাঈদ চাঁদ (বিএনপি): ৩০,৮৮৮ ভোট
নাজমুল হক (জামায়াত): ১৮,৫২০ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ২৫
মো: কাবীর মিয়া (গণঅধিকার পরিষদ): ১৫,৫৩১ ভোট
সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি): ১২,৩৩৯ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৯৯
মো. ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াত): ১,১০,১১৭ ভোট
মাসুদ রানা প্রধান (বিএনপি): ৯৯,৫৮৯ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২২টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬১টি
ডা. আব্দুল বারী (জামায়াত): ৬৪,৩২০ ভোট
ডিএমডি জিয়াউর রহমান (বিএনপি): ৫৯,২০৯ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১১১
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৭
এবিএম মোশাররফ হোসেন (বিএনপি): ৩৫,৮২৩ ভোট
মোস্তাফিজুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ১৭,২২৯ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৫০
ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান (বিএনপি): ৪৪,৮৮৬ ভোট
আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (জামায়াত): ৪১,৯৬৫ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৩
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৩
নূরুল ইসলাম মনি (বিএনপি): ৪৬,৭২৭ ভোট
ডা. সুলতান আহমদ (জামায়াত): ৪২,১০০
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯০
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬৩
ড.ফয়জুল হক (জামায়াত): ৪৩,৬৮০ ভোট
মো. রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি): ৩৯,৬২১ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২২টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬১
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি): ৫৯,২০৯ ভোট
মনজুর রহমান (জামায়াত): ৬,৪৩২ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫১
প্রাপ্ত ভোট: ১০৭ কেন্দ্র
ওসমান ফারুক (বিএনপি): ৮৫,৭৬০ ভোট
ডা. জেহাদ খান (জামায়াত): ৮৩,৩৮৯ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ৯৫
প্রাপ্ত ভোট: ৪২ কেন্দ্র
ব্যরিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন (জামায়ত): ৫৭,৫৪৭ ভোট
শামসুর রহমান (বিএনপি): ৪২,৩৩৪ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮১
প্রাপ্ত ভোট: ৮১ কেন্দ্র
মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি): ৫৫৯০৮ ভোট
হেদায়াতুল্লাহ হাদী (খেলাফত মজলিশ): ৪০,২৬৫ ভোট
আসনে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৬৯
ফল হয়েছে ৮৯ কেন্দ্রের
বিএনপির শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৪ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়েছেন। বিপরীতে জামায়াতের ইউসুফ সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৯ হাজার ৪৯৫ ভোট পেয়েছেন।
মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৮৪
ফল হয়েছে: ৩২ কেন্দ্রের
এগিয়ে থাকা জামায়াতের মিজানুর রহমান (দাড়িপাল্লা) ৩২ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিনুল ইসলাম ২৬ হাজার ৭৩৯ ভোট পেয়েছেন।
মোট কেন্দ্র- ১৫২
ফলাফল প্রাপ্ত কেন্দ্র- ৫০
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের আফজাল হোসেন পেয়েছেন ৬৭ হাজার ভোট।
বিএনপির সৈয়দ মেহদী আহমেদ রুমী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫০০ ভোট।
মোট কেন্দ্র- ১৪২
ফলাফল প্রাপ্ত কেন্দ্র-৪৫
জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মুফতি আমির হামজা পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৮৮ ভোট।
ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার পেয়েছেন ৪১ হাজার ৯৯৮ ভোট।
মোট কেন্দ্র- ১৭০
ফলাফল প্রাপ্ত কেন্দ্র- ৭৯
দাঁড়িপাল্লার আব্দুল গফুর পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮৩৩ ভোট।
বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮১৮ ভোট।
মোট কেন্দ্র: ১৩৫
ফলাফল প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৯৩
রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ধানের শীষ প্রতীক ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৬৮ ভোট পেয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর বেলাল উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকী পেয়েছেন ৬৩ হাজার ১৬০ ভোট।
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১২৩
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ৬৩
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও দল, প্রাপ্ত ভোট: নূরুল ইসলাম মনি , ধানের শীষ , বিএনপি, প্রাপ্ত ভোট- ৪৬৭২৭
নিকটতম প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও দল, প্রাপ্ত ভোট: ডা: সুলতান আহমদ, দাড়িপাল্লা, জামায়াত, প্রাপ্ত ভোট- ৪২১০০
প্রতীক - ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট -২৭,১৯৬।
প্রতীক - দাঁড়িপাল্লা
দল: জামায়েতে ইসলামী
প্রাপ্ত ভোট -১৬,২৩৪।
প্রতীক -দাঁড়িপাল্লা
প্রাপ্ত ভোট -৪৩৬৮০
প্রতীক -ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট -৩৯৬২১
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা:১৮৭।
মোট কেন্দ্র ১৩১
৪৪টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: আখতারুজ্জামান মিয়া
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৫৬১০৬
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আফতাবউদ্দীন মোল্লা
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ৪৩৭৯৪
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে এগিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। এ পর্যন্ত ২২টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ২২ হাজার ১২৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। তিনি পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮১৪ ভোট।
রাজশাহী সদর আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৫টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫১ জন।
মোট কেন্দ্র ১২৯
২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: মনজুরুল ইসলাম
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৩৬২৩৫
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: মতিউর রহমান
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ২৫৭১৭
মোট কেন্দ্র : ১৫৪ টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র : ১১৫টি
ধানের শীষ : ৯১৩৫০ (প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী)
দাঁড়িপাল্লা : ৮৯৯১০ (মু. গোলাম কিবরিয়া)
মোট কেন্দ্র : ১৪৫ টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র : ৮৭টি
ধানের শীষ : ৪৭৬৫২ (ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা
দাঁড়িপাল্লা : ৮০১৮৮ (হাফেজ রাশেদুল ইসলাম)
মোটরসাইকেল : ৩৪৪৮৪ (শফিকুল ইসলাম মাসুদ, স্বতন্ত্র)
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৬৩
কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ৫০
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও দল, প্রাপ্ত ভোট: আলতাফ হোসেন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকের পেয়েছেন ৪৬৩৪২ ভোট।
ফিরোজ আলম হাতপাখা প্রতীকের পেয়েছেন ১৬৮৪৬ভোট।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ দাড়ি পাল্লা প্রতীকের পেয়েছেন:৫১২০৩ ভোট
শহিদুল আলম তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকের পেয়েছেন:৩৪৬৭৬
আসনের মোট কেন্দ্র ১৩৭। ফল হয়েছে ৮০টির। জামায়াতের এটিএম আজহারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৯ হাজার ৫৯০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৯৪ ভোট।
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৩৮
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১৭
সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি): ৮,৯৬৫ ভোট
মো. আব্দুল হামিদ (জামায়াত): ৪,৮৭২ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৮
প্রাপ্ত ভোট: ২১ কেন্দ্র।
আবু তালেব মন্ডল (জামায়াত): ১৭,৭১৫ ভোট
হাবিবুর রহমান হাবিব (বিএনপি): ১৭,৬৩০ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৮
প্রাপ্ত ভোট: ৫৩ কেন্দ্র
এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি): ৬৪,৬২৫ ভোট
নাজমুল হক সাঈদী (জামায়াত): ৪২,৬৪৪ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১২৪ টি
প্রাপ্ত ভোট: ৫৯ কেন্দ্র
নুরুল হক নূর (গণঅধিকার): ৫৭,০০০ ভোট
হাসান মামুন (স্বতন্ত্র): ৩৪,০০০ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ৮৫
প্রাপ্তকেন্দ্র: ২৫
ধানের শীষ: ১৭৫৭০
শাপলা কলি: ৮৯২৫
হাতপাখা: ১০০৪১
রোকন উদ্দিন বাবুল, ধানের শীষ, বিএনপি-৫৭,৮৮২
অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু, দাঁড়িপাল্লা, জামায়াত-৫৭,৪৩৪
আসাদুল হাবিব দুলু, ধানের শীষ, বিএনপি-৯৭,৯২৫
অ্যাডভোকেট আবু তাহের , দাঁড়িপাল্লা, জামায়াত-৪০,৭২৬
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৩৯
যত কেন্দ্রের ফল হয়েছে: ৪৪
এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম: মো. আনোয়রুল ইসলাম।
প্রতীক ও দল: দাঁড়িপাল্লা। জামায়াতে ইসলামী।
প্রাপ্ত ভোট: ২৭২৫১
নিকটতম প্রার্থীর নাম: সাইফুর রহমান রানা।
প্রতীক ও দল: ধানের শীষ।
প্রাপ্ত ভোট: ১৯৭১৬
সংসদীয় আসন নম্বর- ২১৬ কেন্দ্র
মোট কেন্দ্র-১৫১
প্রাপ্ত কেন্দ্র- ৩৭টি
১) কামরুজ্জামান ভূঁইয়া (টেলিফোন) — ৯৩৬৫
২️) ডা. কে এম বাবর (ধানের শীষ) — ৭৪৬২
৩️) শুয়াইব ইব্রাহিম (রিক্সা) — ৭২৫৬
৪️) এম এইচ খান মঞ্জু ( হরিণ) — ৬৫৭৬
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১০৫
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৪৫
প্রাপ্ত ২৮ হাজার ৫৬২
সামসুজ্জামান সামু, ধানের শীষ, বিএনপি
প্রাপ্ত ভোট ১৫ হাজার ৭৯
তৃতীয় অবস্থান জিএম কাদের লাঙ্গল-৬ হাজার ৯৯১
মোট ভোটার সংখ্যা- ৪০২৮৬১
সর্বমোট প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা-৭৮০২৬
প্রাপ্ত ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা-৪৬
বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ (গরুর গাড়ি)- পেয়েছেন ৩৯১৪২ ভোট।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী- জামায়াতে
ইসলামীর প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) প্রতীকে পেয়েছেন-২৯৫০৯ ভোট।
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৫৯
প্রাপ্ত ফল: ৪০ কেন্দ্র
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াত): ৪৭,৩০৪ ভোট
শরীফ উদ্দীন (বিএনপি): ৪০,৫৪৭ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৪২
প্রাপ্ত ভোট: ৮০ কেন্দ্র
জসিম উদ্দিন (বিএনপি): ৮১,৩৭৫ ভোট
ড. মোবারক হোসেন (জামায়াত): ৭২,৯৮০ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৭৭
প্রাপ্ত ভোট: ২১টি
হাসান জাফির তুহিন (বিএনপি): ১৬,০৫৫ ভোট
আলী আছগার (জামায়াত): ১৩,৬২১ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র: ১৮৭
প্রাপ্ত ভোট: ৬৩ কেন্দ্র
সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি): ৫১,৫২৬ ভোট
সুজাউদ্দিন (এনসিপি): ১০,৪৩৬ ভোট
মোট ভোটকেন্দ্র:
প্রাপ্ত ভোট: ১২ কেন্দ্র
মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি): ১৬,০৭০ ভোট
ড. মুজিবুর রহমান আজাদী (জামায়াত): ৫,১২৮ ভোট
মোট কেন্দ্র- ১৪২
প্রাপ্ত কেন্দ্র-৪৫
মুফতি আমির হামজা- দাঁড়িপাল্লা- ৬৩৪৮৮
প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার - ধানের শীষ- ৪১৯৯৮
মোট কেন্দ্র-১০৮টি, প্রাপ্ত কেন্দ্র : ১২টি
এস এম জিলানী-বিএনপি-ধানের শীষ-৫৭৬২ ভোট
আব্দুল আজিজ মাক্কী-১১ দলীয় জোট (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)-রিক্সা- ২৯৬১ ভোট
হাবিবুর রহমান হাবিব-স্বতন্ত্র-ফুটবল-২২৪৮ ভোট
গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক-স্বতন্ত্র-ঘোড়া- ১৪৭৯
মোট কেন্দ্র ১৪২
৯টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: এজেডএম রেজওয়ানুল হক
দল ও প্রতীক: স্বতন্ত্র (বিএনপি) তালা
প্রাপ্ত ভোট: ১২৬০০
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আব্দুল আহাদ
দল: এনসিপি
প্রাপ্ত ভোট: ৫৫০৭
মোট কেন্দ্র- ১৫২
প্রাপ্ত কেন্দ্র- ৫০
আফজাল হোসেন- দাঁড়িপাল্লা- ৬৭০০০
সৈয়দ মেহদী আহমেদ রুমী - ধানের শীষ- ৫৪৫০০
মোট কেন্দ্র ১৩১
৬টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: আখতারুজ্জামান মিয়া
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৮৭৪২
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: আফতাবউদ্দীন মোল্লা
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ৫৪৭৭
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৪১
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা:১৮৭
সংসদীয় আসন নম্বর- ২১৬ কেন্দ্র
মোট কেন্দ্র-১৫১
প্রাপ্ত কেন্দ্র- ৩২
১) শুয়াইব ইব্রাহিম (রিক্সা)= ৬১৩৪ভোট
২) ডা. কে এম বাবর (ধানের শীষ)= ৬৬৮৯ ভোট
৩) কামরুজ্জামান ভূঁইয়া (টেলিফোন)= ৮৫৩৬ ভোট
৪) এম এইচ খান মঞ্জু= ( হরিণ) = ৫৯৭৫ ভোট
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ৯৪
আসনের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ১৩৯
প্রাপ্ত ২৩ হাজার ৬৪৮
মোকারম হোসেন সুজন, ধানের শীষ, বিএনপি
১০ হাজার ৯৬৪ প্রাপ্ত ভোট
মোট কেন্দ্র- ১৭০
প্রাপ্ত কেন্দ্র- ৭৯
আব্দুল গফুর- দাঁড়িপাল্লা- ৮৮৮৩৩
ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী - ধানের শীষ- ৬৫৮১৮
মোট কেন্দ্র ২০০
৩টি কেন্দ্রের ফলাফল
১. বিজয়ী প্রার্থীর নাম: সাদিক রিয়াজ
দল ও প্রতীক: বিএনপি ধানের শীষ
প্রাপ্ত ভোট: ৫৪৯১
২. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম: একেএম আফজালুল আনাম
দল: জামায়াত
প্রাপ্ত ভোট: ২১৫৮
মোট কেন্দ্র: ১৭৭ টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৩ টি
রেজা কিবরিয়া (বিএনপি): ২০,৯১৭ ভোট
শেখ সুজাত মিয়া (স্বতন্ত্র): ৮,৩৩৯ ভোট
মোট কেন্দ্র: ১৩৫
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৩৬
রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা (বিএনপি): ৪৬,১৩৭ ভোট
বেলাল উদ্দিন (জামায়াত): ২৩,৭১৯ ভোট
মোট কেন্দ্র: ১৩৮টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ৬টি
মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ (জামায়াত): ১,০৯৪ ভোট
আশ্রাফুল আলম (স্বতন্ত্র): ৮৩৭ ভোট
মোট কেন্দ্র: ১৫১
প্রাপ্ত ফল: ২৫ কেন্দ্র
কামরুজ্জামান ভূঁইয়া (টেলিফোন): ৭,৪৬০ ভোট
ডা. কে এম বাবর (বিএনপি): ৫,২৭৫ ভোট
মোট কেন্দ্র: ১৮৫
প্রাপ্ত ফল: ২৬ কেন্দ্র
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি): ২৯,৭০১ভোট
দেলাওয়ার হোসেন (জামায়াত): ১৯.৩৪২ভোট
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ)
মোট কেন্দ্র: ১২৩
প্রাপ্ত ফল: ১০ কেন্দ্র
মো. মাজেদুর রহমান সরকার (জামায়াত): ১২,৪৭৭ভোট
ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী (বিএনপি): ২,১৮৪ ভোট

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন গণ–অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দীন।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন শেষে বিকাল পৌনে ৫টায় ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এ আসনে তাঁর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রিয় দেবীদ্বারবাসী আপনারা দেখেছেন আমাদের বড়শালঘর, ইউছুফপুর, রসুলপুর, সুবিল, মাশিকাড়া, ফতেহাবাদ, এই ইউনিয়নগুলোতে অনিয়ম হয়েছে, ভোট করচুপি করা হয়েছে, ব্যালট ছিনতাই করা হয়েছে, আমাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। এবং অনেককে রক্তাক্ত করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা- কর্মী যারা কেন্দ্রে যাইতে চাইছে তাদের মারধর করা হয়েছে। বাড়ি–বাড়ি হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং টাকা দিয়ে ভোট কিনেছে। সারা দিন কিনেছে। এখন লাষ্ট পর্যায়ে এসে নিজেরা নিজেরা ভোট কাটতেছে। প্রশাসন আমাদেরকে কোনো রকমের সহযোগিতা করে নাই। এমতাবস্থায় আমি ভোট বর্জনের ঘোষনা করছি।’
তিনটি আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ তুলে সেখানকার ভোটের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট। কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ আসনের বহু কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি তাদের।
বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতে এ অভিযোগ জানান জোটের প্রতিনিধিদল। সাক্ষাৎ শেষে জোটের প্রতিনিধিরা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ভোট গণনার।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে একটানা ভোট চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোটও হয়েছে। ভোটাররা আলাদা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দিয়েছেন। সাদা ব্যালটে সংসদ সদস্যপ্রার্থীদের এবং গোলাপি ব্যালটে গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দেন তাঁরা।

কুমিল্লা-১০ আসনের লালমাই উপজেলার চৌদ্দদোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের হামলা ও ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সিল মারা ৩৮টি ব্যালট উদ্ধার করে বাতিল হয়েছে। ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
দুপুরের দিকে একদল ব্যক্তি কেন্দ্রে প্রবেশ করে তিনটি ভোটকক্ষে জোরপূর্বক ঢুকে পড়ে। তারা ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারার চেষ্টা করে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় কোনো সিল মারা ব্যালট বাক্সে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে ঘটনাস্থল থেকে সিল মারা ৩৮টি ব্যালট উদ্ধার করা হয়।
দুপুর ২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।
(নারায়ণগঞ্জ-৩) আসনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অনিয়মের খবর আসতে থাকে। পরে দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ফজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষ এই আসনে বিশালভাবে জয়লাভ করবে। এই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু এইখানে সেনাবাহিনীর যে ভূমিকাটা এই ভূমিকাটা মানুষকে খুব প্রশ্নবিদ্ধ করতেছে। তারা আইসাই প্রথমে পিটানো শুরু করে। যেখানে যাচ্ছে সেখানে পিটাচ্ছে শুধু। কেন পিটায়, কী কারণে, কার কী অপরাধ এই কথাটা তারা একটু ভাববে না! তারা তো স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবেই আমরা জানি। তাদেরকে আমি সাংঘাতিকভাবে সম্মান করি। কিন্তু তারা এই কাজটা কেন করল আমার মনে একটু ব্যথা লাগছে।
দুপুরে মিঠামইনের আতপাশা মামুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর সহিংসতা, কেন্দ্র দখল, পোলিং এজেন্টকে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া, একজনের ভোট আরেকজন দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি।
দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে মোট ২১টি অভিযোগের কথা তুলে ধরেছে দলটি। রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

গাজীপুর-৩ ( শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের একাংশ) আসনে প্রায় ১ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক নারী ভোটার। পরে গিয়ে দেখেন তাঁর ভোট হয়ে গেছে!
শ্রীপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ( শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) সজীব আহমেদ।

রাজধানীর শাহজাহানপুরে মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা জয়ী হলে সবাইকে নিয়ে কাজ করব। তবে যারা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলদারিত্ব করে তাদের হাড্ডি আমরা প্রশাসন দিয়ে গুঁড়া করব।’

যশোর-৩ (সদর) আসনের যশোর পৌরসভার রেলরোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সিল গায়েব ও ভোটকেন্দ্র দীর্ঘক্ষণ ব্যালটশূন্য থাকার ঘটনা ঘটেছে।
বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ঘটনা ঘটে। সিল নিখোঁজের সঙ্গে ভোট কক্ষে ব্যালট না থাকাতে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অনেক ভোটারকে ভোট না দিয়েই চলে যেতে দেখা গেছে।
কেন্দ্রের বাইরে থাকা প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা বিক্ষোভ শুরু করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, বিকল্প সিল এবং আরও ব্যালট এনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

লাইনে দাঁড়িয়ে নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন নেত্রকোনা-৪ ( মদন-মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
সকাল ৯টা ২ মিনিটে নিজ উপজেলা মদন কোর্ট ভবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। এ সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ভোট দেন।
ভোট প্রদান শেষে লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমি কল্পনা করিনি জীবনে কখনো ভোট দিতে পারব। ১৭ বছর পর ভোট দিতে পেরেছি। তাই আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া। আমার স্ত্রী ও সন্তানেরাও আমার সাথে আজ প্রথম ভোট দিয়েছেন।’

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ও ছাতিয়ান গ্রামে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
সকালে ভোট কেন্দ্রের বাইরে উপজেলার সাহারবাটি ও ছাতিয়ান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, তোবারক হোসেন,রিপন আলী (৩২), মিনাজুল ইসলাম (৩৫), তৈয়ব আলী ও সম্রাট হোসেন (২৫) সহ ১১ জন। আহত পাঁচ থেকে ছয় জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশন সিনিয়র সচিব আখতার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মোট ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের ভোট প্রদানের তথ্য আমরা পেয়েছি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। যেখানে ভোট প্রদানের হার ৩৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

লক্ষ্মীপুরে কয়েকটি কেন্দ্রে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও সংর্ষষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুপুরে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের পৌর শহীদ স্মৃতি একাডেমি, বড়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, মেঘনা বাজারের পাশে একটি কেন্দ্রে, ভবানীগঞ্জে ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের বিজয় নগর উচ্চ বিদ্যালয় ও হাসন্দিসহ কয়েকটি স্থানে বিএনপি-জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা একে অপরকে দুষছে।

‘জয়ের ব্যাপারে আমরা কনফিডেন্ট, আমরা আশাবাদী। যাদের সঙ্গে নিয়ে এতোদিন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, কমবেশি তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা সরকার গঠন করব।’
দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে ভোটকেন্দ্রে নারীদের ভোট কক্ষে প্রবেশ করার অভিযোগে এক বিএনপি নেতাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের দারুস সুন্নত সিদ্দিকিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছের দিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে এক বিএনপি নেতাকে আটক করা হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের বিএনপি সভাপতি আমজাদ হোসেনকে ভোটকেন্দ্রের ভেতর থেকে আটক করা হয়।
বাগেরহাটের শরণখোলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জামায়াত-বিএনপির অন্তত ১৯ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নে ১নং সোনাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।
জীবনের প্রায় এক শতক পাড়ি দিয়ে কাঁপা হাতে ব্যালট পেপারে সিল মারলেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে মৃদু হাসি দিয়ে বললেন, ’জীবনে হয়তো এটাই শেষ ভোট।’
হুইলচেয়ারে করে কেন্দ্রে এসে এভাবেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ বুড়াইল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জোব্বার হাউলিদার (৯৭)।

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে সাড়ে চার ঘণ্টায় ভোট দিয়েছেন প্রায় ৩৩ শতাংশ ভোটার। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোতাওয়াক্কিল রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাজশাহীর আসনগুলোতে ভোট দিয়েছেন ২৯ থেকে ৩৭ শতাংশ ভোটার। গড় হিসেবে ভোট দেওয়ার হার ৩২ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
সকাল থেকে রাজশাহীর সবগুলো ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে বলেও জানান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।

প্রধান উপদেষ্টার প্রত্যাশা অনুযায়ী এবার একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। একই সঙ্গে তিনি গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সকালে মোহাম্মদপুরের একটি ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন ডিএমপি কমিশনার।

রাজধানীর উত্তরা মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে জীবনে প্রথম ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত ফাইজা ও মাহি।

ঢাকা-৮ আসনে জামায়াত জোট থেকে এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঘিরে ভোটকেন্দ্রে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাঁকে নিরাপদে কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেয়।
রাজধানীর শাহজাহানপুর রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বেলা ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর মগবাজারের শাহনূরী মডেল হাই স্কুল কেন্দ্রে প্রায় ২৪ শতাশ ভোট পড়েছে। এ কেন্দ্রের মোট ভোটার ১ হাজার ৯১৬ জন।
রাজধানীর ঢাকা-১০ আসনে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ১৬ শতাংশ ভোট পড়েছে দুটি কেন্দ্রে। জিগাতলা এলাকার দুটি কেন্দ্র ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
সকালে জিগাতলা উচ্চ বিদ্যালয় ও স্টাফ কোয়াটার কমিউনিটি সেন্টারের চারটি কেন্দ্র ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
জিগাতলা উচ্চ বিদ্যালয় দ্বিতীয় তলা ও দ্বিতীয় তলায় দুটি পুরুষ কেন্দ্র এবং স্টাফ কোয়াটার কমিউনিটি সেন্টারেও দুটি কেন্দ্র। একটি নারী এবং অপরটি পুরুষ।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আজ আমরা উৎসব করব। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতকে বর্জন করেছি। যেসব দুঃস্বপ্নময় দিন ছিল, সেগুলো আমরা পুরোপুরি পেছনে ফেলে এসেছি। আজ থেকে প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
ঢাকা-১৫ আসনের ১২৭টি ভোটকেন্দ্রে সকাল ১০টা পর্যন্ত ১০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৯৩ জন।
সকাল ১১টার দিকে ঢাকা-১৫ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ওমর ফারুক এই তথ্য জানান।
ঢাকা-১৫ আসনে ভোটারদের মধ্যে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫১ জন পুরুষ, ১ লাখ ৭০ হাজার ৭৩৮ জন নারী।
ঢাকা-১৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আটজন প্রার্থী। আসনটিতে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আমির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুর রহমান ও বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মো. সামসুল হক, কাস্তে প্রতিকের আহাম্মদ সাজেদুল হকসহ আরও চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঢাকা-১৫ আসনের মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত ১০টি কেন্দ্রে সকাল ১০টা পর্যন্ত ২ হাজার ৯৭৫টি ভোট পড়েছে। এই দশ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২৪ হাজার ৩৭৭ জন।
সকাল ১১টার দিকে ঢাকা-১৫ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ওমর ফারুক এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকে বিদ্যালয়টির ১০টি কেন্দ্রে ভোটাররা লাইন ধরে ভোট দিতে থাকেন। ১০টা পর্যন্ত এখানে মোট ১২ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এ ছাড়া তাকওয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৫৬ নম্বর কেন্দ্রে ২ হাজার ২০৭ ভোটারের মধ্যে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ১০ দশমিক ৫১ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নাহিদ হোসাইন। কেন্দ্রে শুধু ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও প্রজাপতির এজেন্ট রয়েছেন।
এ ছাড়া ৫৭ নম্বর কেন্দ্রে সকাল ৯টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। ২২১৩ ভোটের মধ্যে ২১৬ ভোটার ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আব্বাস আলী।

নিজের পোলিং এজেন্টদের বিভিন্ন অজুহাতে কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
সকালে নিজের নির্বাচনী এলাকায় কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ জানান।

দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে উল্লেখ করে সবাইকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সকালে আদমজী ক্যান্টনমেন্টের বিজ্ঞান ভবন কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন সেনাপ্রধান। পরে সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
ঢাকা-১৫ আসনে দায়িত্বরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাইফ হোসেন বলেছেন, ‘সেনাবাহিনী নিয়মিত টহলে আছে। কোনো কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটলে ৮ মিনিট নয়, ২ মিনিটেই মিটমাট করা যাবে বলে আশা করছি।’
সকালে রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

এনসিপির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি ভোট দেন। ভোটপ্রদান শেষে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন আসিফ।

বাংলাদেশ গণতন্ত্রের যে ট্রেনে উঠেছে, সেটি নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন হাইস্কুল কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হন তিনি।

খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মহিফুজ্জামান কচির (৫৮) মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সকালে খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভেতরে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মহিফুজ্জামান কচি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রের ভেতরে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ ও স্থানীয় জামায়াত নেতার ধাক্কায় তিনি পড়ে যান এবং গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই দিনটির জন্য দেশের জনগণ দীর্ঘ অপেক্ষা করে ছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবে বাংলাদেশের মানুষ।
সকালে গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তারেক রহমান।
তারেক রহমানের সঙ্গে একই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। ৯ টা ৪৫ মিনিটে ভোট দিয়ে বের হন তাঁরা।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দিতে পেরে আবেগাপ্লুত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কক্সবাজারে ভোটকেন্দ্রগুলোতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।
কক্সবাজারে নিজ এলাকায় ভোট প্রদান শেষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমে এ কথা বলেন।

‘এখন পর্যন্ত যেভাবে ভোট চলছে, ফলাফল গণনা এবং ফলাফল যদি নির্বিঘ্নে হয় যেই ঘোষণা আসুক আমরা মেনে নেব’- এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে মনোনীত দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান)।
সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর মিরপুর কলেজ কেন্দ্রে তিনি ভোট প্রদান করতে আসলে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জীবনে এবারই প্রথম জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন এনসিপির নাহিদ ইসলাম। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ’আমার জীবনে প্রথম ভোট আমি প্রদান করলাম। নীরব পরিবেশেই নির্বিঘ্নে আমি ভোট প্রদান করলাম। আমি জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা নির্বিঘ্নে নির্ভয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে আসুন।’
বরিশাল-৩ আসনের বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বারকানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মধ্যরাতে ইউনিয়ন জামাতের সেক্রেটারির বাসভবন থেকে স্থানীয়রা আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে হস্তান্তর করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বরখাস্ত হওয়া ৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হলেন— মো. সাব্বির হোসেন, মোহাম্মদ কবির হোসেন, মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ও হাবিবুর রহমান হাবিবুর রহমান।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘৩৩ বছর বয়সে জাতীয় নির্বাচনে জীবনে এই প্রথম ভোট দিলাম এবং আমি নিজেই প্রার্থী। আজ আমার জীবনের প্রথম ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ একটি অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, এটাই বড় অর্জন। আশা করছি, দিন শেষে জনগণের রায়ই প্রতিফলিত হবে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গলাচিপা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
ভোট দিতে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকাল সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। তিনি ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী।
তাঁর সঙ্গে একই কেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
ঢাকার আশুলিয়ায় কেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগে ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাতে ধামসোনা ইউনিয়নের দুটি কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
আজ সকালে আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক সায়মন শেখ ১৩ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের খয়রত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধের জেরে নির্ধারিত সময়ের ১৮ মিনিট পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
কেন্দ্রটির দুটি কক্ষে চারটি বুথ রয়েছে। দলীয় প্রার্থীদের এজেন্টদের অভিযোগ, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বুথে একজন করে এজেন্ট দেওয়ার কথা। তবে প্রিসাইডিং অফিসার প্রতি কক্ষে একজন করে এজেন্ট রাখার কথা বলেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সাময়িক মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় কেন্দ্রের বাইরে পুরুষ ও নারী ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। পরে বুথপ্রতি একজন করে এজেন্ট দিয়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
জামায়াত আমির বলেন, ‘জাতি এই ভোটের অনেক অপেক্ষায় ছিল। বিশেষ করে যুব সমাজ। ভোট সুষ্ঠু ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক এটা আমরা দোয়া করি। এই ভোটের মাধ্যমে, দেশে এমন সরকার গঠিত হোক, যে সরকার কোন ব্যক্তি, পরিবার কিংবা দলের হবে না। বরং যে সরকার হবে ১৮ কোটি মানুষের। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ছোটখাটো বিষয় এড়িয়ে যাব, অবশ্যই বড় কোনো বিষয় হলে ছাড় দেব না। মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যাক যেটা আমরা কোনোভাবে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘ভোট যখন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে, আমরাও মানবো অন্যদেরকে মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্র সৌন্দর্য, আমরা এটাই চাই।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তাঁর নিজ আসন ঢাকা-১৫ এলাকার ৬০ ফিটে অবস্থিত মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় (বালক শাখা) ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

নাটোরে ভোটকেন্দ্রগুলোতে শুধু ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট রয়েছে। ভোট শুরুর প্রথম এক ঘণ্টায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ভোটের শুরুতেই নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের অন্তর্গত বড়গাছা গার্লস স্কুলের প্রতিটি কক্ষে শুধু
ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে দেখা যায়। একই চিত্র তেবারিয়ার একডালা নারায়নপুর ভোটকেন্দ্র, এন এস সরকারি কলেজ কেন্দ্র ও চন্দ্রকলা এস আই উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায়।
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চারজনকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপজেলায় নেওয়া হয়েছে।
বুধবার রাতে উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের কয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র (৮৬ নম্বর) এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে এই ব্যবস্থা নেন।

ভোটের পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর ওয়েস্ট ধানমন্ডি ইউসুফ হাই স্কুলে ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সকাল ১০টা থেকে ভোট প্রদানের হারের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করতে থাকব।’
ভোট শুরু হওয়ার পর কোনো অভিযোগ পাওয়া গেছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।’

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিজের ভোট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বালক শাখা কেন্দ্রে তিনি ভোট দেন। তিনি ঢাকা-১৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী।
পাবনার চাটমোহরে বুধবার রাতে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রত্যাহারকৃত রুহুল আমিন (চাটমোহর উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক) উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের আশরাফ জিন্দামী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় বুধবার রাতে অনুমতি ছাড়া ভোটকেন্দ্রের বাইরে বের হওয়ার অভিযোগে দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাত ১১ টার দিকে উপজেলার হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। বরখাস্ত দুই প্রিসাইডিং অফিসার হচ্ছেন মো. ওবায়েদুল হক এবং আয়েশা আক্তার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রিসাইডিং অফিসারের অনুমতি না নিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হওয়া যাবে না। সেখানে নতুন দুই জনকে সহকারী পিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ভোট দিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বাড্ডার বেরাইদ এ কে এম রহমত উল্লাহ কলেজ কেন্দ্রের ভোটার তিনি। সকাল ৭ টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন নাহিদ। ৮টার দিকে তিনি ভোটপ্রদান সম্পন্ন করেন। নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমএ কাইয়ুম।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন, ত্যাগ ও রক্তদানের মধ্য দিয়ে আজকের এই নির্বাচন সম্ভব হয়েছে এবং এটি দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করবে।
সকাল ৭ টা ৪১ মিনিটে ঠাকুরগাঁও নিজ নির্বাচনী এলাকায় ভোট দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোট প্রদান শেষে গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন তিনি।
সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন মির্জা ফখরুল।

ভোট দিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বাড্ডার বেরাইদ এ কে এম রহমত উল্লাহ কলেজ কেন্দ্রের ভোটার তিনি। সকাল ৭ টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন নাহিদ।

রাজধানীর বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয় ও পশ্চিম ভাষানটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দুটিতে মূল ফটক খোলার আগেই উপস্থিত হন ভোটাররা। তাঁরা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটগ্রহণ শুরুর অপেক্ষা করেন।
ভোট দিতে আসা নুরুনাহার বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আগে আগে ভোট দিয়ে চলে যাব। অনেক বছর ধরে ভোট দিতে পারিনি।’ মালেকা বেগম বলেন, ‘বাসায় কাজ করি। ভোট দিয়ে কাজে যাব, তাই সকালেই ভোট দিতে আসলাম। ভালো লাগছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে।
এবার ভোটাররা আলাদা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দিচ্ছেন। সাদা ব্যালটে সংসদ সদস্যপ্রার্থীদের এবং গোলাপি ব্যালটে গণভোট দিচ্ছেন। এবারই প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৭ বছরে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের পর এবার প্রায় ১৩ কোটি ভোটার নতুন করে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের নির্বাচন ‘একতরফা’, ২০১৮ সালের নির্বাচন ‘রাতের ভোট’ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন ‘আমি-ডামির নির্বাচন’ হিসেবে ব্যাপক সমালোচিত ছিল। বহু ভোটারের অভিযোগ ছিল, তাঁরা ভোট দিতে পারেননি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ ও নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) পরিচয়ে ১ হাজার ২৩২ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৯৫৮টি। এবার ৫০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ২৯৯ আসনে প্রার্থী রয়েছেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ এবং স্বতন্ত্র ২৭৩ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮১ জন। এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনী ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সারা দেশে মোতায়েন রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।