
ঢাকা: আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নেত্রকোনা: বজ্রপাতে নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে তিনজন, কেন্দুয়ায় দুইজন এবং পূর্বধলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরো পাঁচজন।
নিহতরা হলেন- খালিয়াজুড়ি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের খেলু ফকিরের ছেলে মো. অছেক মিয়া (৩৫), মৃত. আমির সরকারের ছেলে বিপুল মিয়া (৩২), গাজীপুর ইউনিয়নের বাতুয়াইল গ্রামের মনজুরুল হকের ছেলে মনির হোসেন (২৮), কেন্দুয়া উপজেলার পাউকুড়া ইউনিয়নের বৈরাটি গ্রামের আসন খার ছেলে বায়েজীদ মিয়া (৪২) ও কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুন্ডুলী গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে ফজলু মিয়া (৫৫) এবং পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের পাটলি গ্রামের ইছাক মিয়ার ছেলে জুনায়েদ (১১)।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান, কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ এবং পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে নাছির মিয়া (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে। সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বেতুয়ার হাওড়ে এঘটনা ঘটে। নিহত শিশু নাছির মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট আলীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে। অপরদিকে আহত কিশোর ফয়ছল মিয়া(১৬) নিহত নাসিরের বড় ভাই।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ডালিম আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফরিদপুর: জেলার পৃথক স্থানে বজ্রপাতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, পৌরসভার পশ্চিম গঙ্গাবর্দী, মোল্লা ডাঙ্গী মহল্লায় ও মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
ফরিদপুর পৌরসভার মোল্লাডাঙ্গী মহল্লায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন আনোয়ারা বেগম (৩৮) নামে এক নারী। তিনি স্বামী ও ছেলের সাথে মাঠ থেকে ধান নিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আনোয়ারা বেগম মোল্লা ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা কৃষক কাবুল শেখের স্ত্রী।
বজ্রপাতে মারা গেছেন ফরিদপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গঙ্গাবর্দী মহল্লার গোপাল মোল্লার ছেলে কৃষক কবির মোল্লা (৪৮)। ধান নিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান তিনি।
এছাড়া বজ্রপাতে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নে মারা যান কৃষক দুলাল খান (৫৮)। তিনি মাঠে কাজ করছিলেন, এমন সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে কবির শেখ (৪০) নামে এক কৃষক বজ্রপাতে মারা গেছেন। মাঠে পাটখেত পরিচর্যার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
ফরিদপুর কোতয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. কবির সরদার জানান, উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা কবির শেখ (৪০) বাড়ির পাশের একটি মাঠে কাজ করছিলেন। বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাতে আহত হলে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
সুনামগঞ্জ: জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার কামরূপদলং গ্রামে বজ্রপাতে আলাউর আহমদ(১৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলা কামরূপদলং গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি কাজী মোক্তাদির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
জামালপুর: মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে তোজা মিয়া ( ৫৫ ) নামে এক ধানকাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এলাকার মৃত সামছুল মন্ডলের ছেলে।
দুপুরে ধান কাটা সময় বজ্রাহত হলে সহকর্মীরা তাকে মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম ইফতেখার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহ: তারাকান্দা উপজেলায় বজ্রপাতে এক অটোচালক নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছে আরেক কিশোর। নিহত চালকের নাম আতিকুল ইসলাম(১৬)। তিনি রামপুর ইউনিয়নের খৈলাজান গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।
তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাড়ির পাশের মাঠে খেলার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
মানিকগঞ্জে: পৃথক স্থানে বজ্রপাতে মারা গেছেন দুইজন এবং আহত হয়েছেন তিনজন।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার গিলন্ড গ্রামের মাসুদুর রহমানের ছেলে আসিফ (১৪) ও ঘিওর উপজেলার কৃষক আমোদ আলী (৫০)। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বজ্রপাতে মো. আরিফুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর রাখাল নিহত হয়েছে। উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী বিয়াতিরচর হাওরে বজ্রপাতে মৃত্যুর এ ঘটনা ঘটে।
আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বেতি নোওয়াগাঁও এলাকার মিয়া চাঁনের ছেলে।
নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল: মির্জাপুরে বজ্রপাতে কহিনুর বেগম (৩৬) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী টান পলাশতলী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আজগানা ইউনিয় পরিষদের নারী সদস্য আলেয়া ভুইয়া। কহিনুর বেগম ওই গ্রামের মো. লতিফ মিয়ার স্ত্রী বলে জানা গেছে।

ঢাকা: আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নেত্রকোনা: বজ্রপাতে নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে তিনজন, কেন্দুয়ায় দুইজন এবং পূর্বধলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরো পাঁচজন।
নিহতরা হলেন- খালিয়াজুড়ি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের খেলু ফকিরের ছেলে মো. অছেক মিয়া (৩৫), মৃত. আমির সরকারের ছেলে বিপুল মিয়া (৩২), গাজীপুর ইউনিয়নের বাতুয়াইল গ্রামের মনজুরুল হকের ছেলে মনির হোসেন (২৮), কেন্দুয়া উপজেলার পাউকুড়া ইউনিয়নের বৈরাটি গ্রামের আসন খার ছেলে বায়েজীদ মিয়া (৪২) ও কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুন্ডুলী গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে ফজলু মিয়া (৫৫) এবং পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের পাটলি গ্রামের ইছাক মিয়ার ছেলে জুনায়েদ (১১)।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান, কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ এবং পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে নাছির মিয়া (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে। সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বেতুয়ার হাওড়ে এঘটনা ঘটে। নিহত শিশু নাছির মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট আলীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে। অপরদিকে আহত কিশোর ফয়ছল মিয়া(১৬) নিহত নাসিরের বড় ভাই।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ডালিম আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফরিদপুর: জেলার পৃথক স্থানে বজ্রপাতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, পৌরসভার পশ্চিম গঙ্গাবর্দী, মোল্লা ডাঙ্গী মহল্লায় ও মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
ফরিদপুর পৌরসভার মোল্লাডাঙ্গী মহল্লায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন আনোয়ারা বেগম (৩৮) নামে এক নারী। তিনি স্বামী ও ছেলের সাথে মাঠ থেকে ধান নিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আনোয়ারা বেগম মোল্লা ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা কৃষক কাবুল শেখের স্ত্রী।
বজ্রপাতে মারা গেছেন ফরিদপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গঙ্গাবর্দী মহল্লার গোপাল মোল্লার ছেলে কৃষক কবির মোল্লা (৪৮)। ধান নিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান তিনি।
এছাড়া বজ্রপাতে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নে মারা যান কৃষক দুলাল খান (৫৮)। তিনি মাঠে কাজ করছিলেন, এমন সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে কবির শেখ (৪০) নামে এক কৃষক বজ্রপাতে মারা গেছেন। মাঠে পাটখেত পরিচর্যার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
ফরিদপুর কোতয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. কবির সরদার জানান, উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা কবির শেখ (৪০) বাড়ির পাশের একটি মাঠে কাজ করছিলেন। বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাতে আহত হলে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
সুনামগঞ্জ: জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার কামরূপদলং গ্রামে বজ্রপাতে আলাউর আহমদ(১৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলা কামরূপদলং গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি কাজী মোক্তাদির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
জামালপুর: মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে তোজা মিয়া ( ৫৫ ) নামে এক ধানকাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এলাকার মৃত সামছুল মন্ডলের ছেলে।
দুপুরে ধান কাটা সময় বজ্রাহত হলে সহকর্মীরা তাকে মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম ইফতেখার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহ: তারাকান্দা উপজেলায় বজ্রপাতে এক অটোচালক নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছে আরেক কিশোর। নিহত চালকের নাম আতিকুল ইসলাম(১৬)। তিনি রামপুর ইউনিয়নের খৈলাজান গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।
তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাড়ির পাশের মাঠে খেলার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
মানিকগঞ্জে: পৃথক স্থানে বজ্রপাতে মারা গেছেন দুইজন এবং আহত হয়েছেন তিনজন।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার গিলন্ড গ্রামের মাসুদুর রহমানের ছেলে আসিফ (১৪) ও ঘিওর উপজেলার কৃষক আমোদ আলী (৫০)। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বজ্রপাতে মো. আরিফুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর রাখাল নিহত হয়েছে। উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী বিয়াতিরচর হাওরে বজ্রপাতে মৃত্যুর এ ঘটনা ঘটে।
আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বেতি নোওয়াগাঁও এলাকার মিয়া চাঁনের ছেলে।
নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল: মির্জাপুরে বজ্রপাতে কহিনুর বেগম (৩৬) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী টান পলাশতলী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আজগানা ইউনিয় পরিষদের নারী সদস্য আলেয়া ভুইয়া। কহিনুর বেগম ওই গ্রামের মো. লতিফ মিয়ার স্ত্রী বলে জানা গেছে।

ঢাকা: আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নেত্রকোনা: বজ্রপাতে নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে তিনজন, কেন্দুয়ায় দুইজন এবং পূর্বধলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরো পাঁচজন।
নিহতরা হলেন- খালিয়াজুড়ি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের খেলু ফকিরের ছেলে মো. অছেক মিয়া (৩৫), মৃত. আমির সরকারের ছেলে বিপুল মিয়া (৩২), গাজীপুর ইউনিয়নের বাতুয়াইল গ্রামের মনজুরুল হকের ছেলে মনির হোসেন (২৮), কেন্দুয়া উপজেলার পাউকুড়া ইউনিয়নের বৈরাটি গ্রামের আসন খার ছেলে বায়েজীদ মিয়া (৪২) ও কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুন্ডুলী গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে ফজলু মিয়া (৫৫) এবং পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের পাটলি গ্রামের ইছাক মিয়ার ছেলে জুনায়েদ (১১)।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান, কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ এবং পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে নাছির মিয়া (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে। সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বেতুয়ার হাওড়ে এঘটনা ঘটে। নিহত শিশু নাছির মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট আলীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে। অপরদিকে আহত কিশোর ফয়ছল মিয়া(১৬) নিহত নাসিরের বড় ভাই।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ডালিম আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফরিদপুর: জেলার পৃথক স্থানে বজ্রপাতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, পৌরসভার পশ্চিম গঙ্গাবর্দী, মোল্লা ডাঙ্গী মহল্লায় ও মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
ফরিদপুর পৌরসভার মোল্লাডাঙ্গী মহল্লায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন আনোয়ারা বেগম (৩৮) নামে এক নারী। তিনি স্বামী ও ছেলের সাথে মাঠ থেকে ধান নিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আনোয়ারা বেগম মোল্লা ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা কৃষক কাবুল শেখের স্ত্রী।
বজ্রপাতে মারা গেছেন ফরিদপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গঙ্গাবর্দী মহল্লার গোপাল মোল্লার ছেলে কৃষক কবির মোল্লা (৪৮)। ধান নিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান তিনি।
এছাড়া বজ্রপাতে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নে মারা যান কৃষক দুলাল খান (৫৮)। তিনি মাঠে কাজ করছিলেন, এমন সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে কবির শেখ (৪০) নামে এক কৃষক বজ্রপাতে মারা গেছেন। মাঠে পাটখেত পরিচর্যার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
ফরিদপুর কোতয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. কবির সরদার জানান, উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা কবির শেখ (৪০) বাড়ির পাশের একটি মাঠে কাজ করছিলেন। বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাতে আহত হলে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
সুনামগঞ্জ: জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার কামরূপদলং গ্রামে বজ্রপাতে আলাউর আহমদ(১৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলা কামরূপদলং গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি কাজী মোক্তাদির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
জামালপুর: মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে তোজা মিয়া ( ৫৫ ) নামে এক ধানকাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এলাকার মৃত সামছুল মন্ডলের ছেলে।
দুপুরে ধান কাটা সময় বজ্রাহত হলে সহকর্মীরা তাকে মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম ইফতেখার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহ: তারাকান্দা উপজেলায় বজ্রপাতে এক অটোচালক নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছে আরেক কিশোর। নিহত চালকের নাম আতিকুল ইসলাম(১৬)। তিনি রামপুর ইউনিয়নের খৈলাজান গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।
তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাড়ির পাশের মাঠে খেলার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
মানিকগঞ্জে: পৃথক স্থানে বজ্রপাতে মারা গেছেন দুইজন এবং আহত হয়েছেন তিনজন।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার গিলন্ড গ্রামের মাসুদুর রহমানের ছেলে আসিফ (১৪) ও ঘিওর উপজেলার কৃষক আমোদ আলী (৫০)। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বজ্রপাতে মো. আরিফুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর রাখাল নিহত হয়েছে। উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী বিয়াতিরচর হাওরে বজ্রপাতে মৃত্যুর এ ঘটনা ঘটে।
আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বেতি নোওয়াগাঁও এলাকার মিয়া চাঁনের ছেলে।
নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল: মির্জাপুরে বজ্রপাতে কহিনুর বেগম (৩৬) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী টান পলাশতলী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আজগানা ইউনিয় পরিষদের নারী সদস্য আলেয়া ভুইয়া। কহিনুর বেগম ওই গ্রামের মো. লতিফ মিয়ার স্ত্রী বলে জানা গেছে।

ঢাকা: আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নেত্রকোনা: বজ্রপাতে নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে তিনজন, কেন্দুয়ায় দুইজন এবং পূর্বধলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরো পাঁচজন।
নিহতরা হলেন- খালিয়াজুড়ি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের খেলু ফকিরের ছেলে মো. অছেক মিয়া (৩৫), মৃত. আমির সরকারের ছেলে বিপুল মিয়া (৩২), গাজীপুর ইউনিয়নের বাতুয়াইল গ্রামের মনজুরুল হকের ছেলে মনির হোসেন (২৮), কেন্দুয়া উপজেলার পাউকুড়া ইউনিয়নের বৈরাটি গ্রামের আসন খার ছেলে বায়েজীদ মিয়া (৪২) ও কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুন্ডুলী গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে ফজলু মিয়া (৫৫) এবং পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের পাটলি গ্রামের ইছাক মিয়ার ছেলে জুনায়েদ (১১)।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান, কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ এবং পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে নাছির মিয়া (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে। সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বেতুয়ার হাওড়ে এঘটনা ঘটে। নিহত শিশু নাছির মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট আলীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে। অপরদিকে আহত কিশোর ফয়ছল মিয়া(১৬) নিহত নাসিরের বড় ভাই।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ডালিম আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফরিদপুর: জেলার পৃথক স্থানে বজ্রপাতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, পৌরসভার পশ্চিম গঙ্গাবর্দী, মোল্লা ডাঙ্গী মহল্লায় ও মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
ফরিদপুর পৌরসভার মোল্লাডাঙ্গী মহল্লায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন আনোয়ারা বেগম (৩৮) নামে এক নারী। তিনি স্বামী ও ছেলের সাথে মাঠ থেকে ধান নিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আনোয়ারা বেগম মোল্লা ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা কৃষক কাবুল শেখের স্ত্রী।
বজ্রপাতে মারা গেছেন ফরিদপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গঙ্গাবর্দী মহল্লার গোপাল মোল্লার ছেলে কৃষক কবির মোল্লা (৪৮)। ধান নিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান তিনি।
এছাড়া বজ্রপাতে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নে মারা যান কৃষক দুলাল খান (৫৮)। তিনি মাঠে কাজ করছিলেন, এমন সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
মধুখালী উপজেলার চাঁদপুরে কবির শেখ (৪০) নামে এক কৃষক বজ্রপাতে মারা গেছেন। মাঠে পাটখেত পরিচর্যার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
ফরিদপুর কোতয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. কবির সরদার জানান, উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা কবির শেখ (৪০) বাড়ির পাশের একটি মাঠে কাজ করছিলেন। বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাতে আহত হলে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
সুনামগঞ্জ: জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার কামরূপদলং গ্রামে বজ্রপাতে আলাউর আহমদ(১৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলা কামরূপদলং গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি কাজী মোক্তাদির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
জামালপুর: মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে তোজা মিয়া ( ৫৫ ) নামে এক ধানকাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এলাকার মৃত সামছুল মন্ডলের ছেলে।
দুপুরে ধান কাটা সময় বজ্রাহত হলে সহকর্মীরা তাকে মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম ইফতেখার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহ: তারাকান্দা উপজেলায় বজ্রপাতে এক অটোচালক নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছে আরেক কিশোর। নিহত চালকের নাম আতিকুল ইসলাম(১৬)। তিনি রামপুর ইউনিয়নের খৈলাজান গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।
তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাড়ির পাশের মাঠে খেলার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
মানিকগঞ্জে: পৃথক স্থানে বজ্রপাতে মারা গেছেন দুইজন এবং আহত হয়েছেন তিনজন।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার গিলন্ড গ্রামের মাসুদুর রহমানের ছেলে আসিফ (১৪) ও ঘিওর উপজেলার কৃষক আমোদ আলী (৫০)। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বজ্রপাতে মো. আরিফুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর রাখাল নিহত হয়েছে। উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী বিয়াতিরচর হাওরে বজ্রপাতে মৃত্যুর এ ঘটনা ঘটে।
আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বেতি নোওয়াগাঁও এলাকার মিয়া চাঁনের ছেলে।
নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল: মির্জাপুরে বজ্রপাতে কহিনুর বেগম (৩৬) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী টান পলাশতলী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আজগানা ইউনিয় পরিষদের নারী সদস্য আলেয়া ভুইয়া। কহিনুর বেগম ওই গ্রামের মো. লতিফ মিয়ার স্ত্রী বলে জানা গেছে।

মেঘনা নদী থেকে জেগে ওঠা নতুন চর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আয়তন বাড়ালেও একই সঙ্গে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। শুধু সুবর্ণচর নয়, উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর সর্বত্রই চলছে নদীর এই ভাঙা-গড়ার খেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা ভূমির পরিমাণ ভাঙনের চেয়ে বেশি হলেও নতুন জেগে ওঠা চরগুলো এখনো বসতিস্থাপনের
৬ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের এবং উপকরণ সরবরাহকারীদের বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। হামলাকারী দুজন ঘটনার আগে-পরে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে ডিবি ও র্যাব
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসের হিড়িক পড়েছে। চক্রের থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না বনাঞ্চলের পাহাড়-টিলা, এমনকি কৃষিজমির উর্বর মাটিও। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার পরও কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মাটিখেকোদের দৌরাত্ম্য।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরে এবার বদলে গেছে নির্বাচনী সমীকরণ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিদ্যমান বাস্তবতায় জেলার তিনটি আসনই নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ কর
৬ ঘণ্টা আগেমুজাহিদুল ইসলাম সোহেল, সুবর্ণচর (নোয়াখালী)

মেঘনা নদী থেকে জেগে ওঠা নতুন চর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আয়তন বাড়ালেও একই সঙ্গে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। শুধু সুবর্ণচর নয়, উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর সর্বত্রই চলছে নদীর এই ভাঙা-গড়ার খেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা ভূমির পরিমাণ ভাঙনের চেয়ে বেশি হলেও নতুন জেগে ওঠা চরগুলো এখনো বসতিস্থাপনের উপযোগী হয়ে ওঠেনি।
বাংলাদেশ সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস)-এর হিসাবে, গত ৭০ বছরে নোয়াখালীতে প্রায় ২০০ বর্গকিলোমিটার ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রায় এক হাজার বর্গকিলোমিটার ভূমি। তবে এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ায় যারা সব হারায়, তাদের জন্য থাকে কেবল হাহাকার।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীভাঙনে নিঃস্ব মানুষের জন্য সরকারিভাবে কোনো আলাদা সুযোগ-সুবিধা নেই। নেই পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ। এমনকি কত মানুষ ভিটেমাটি হারিয়েছে, তারও কোনো নির্ভরযোগ্য তালিকা তৈরি করা হয়নি।
জানা গেছে, মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ও চরক্লার্ক ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত দুই বছরে এই দুই ইউনিয়নে অন্তত তিন হাজার পরিবার গৃহহীন হয়েছে। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা আরও বিস্তৃত হওয়ায় মোট ভিটেমাটি হারানো পরিবারের সংখ্যা প্রায় চার হাজার।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ হেমায়েতপুরের একটি অংশ, চর বায়েজিদ মৌজা, চর খন্দকার, আলেমপুর, সৈয়দপুর, চর নোমান সমাজ ও চর মোজাম্মেল মৌজাসহ অন্তত ১০টি এলাকা ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেছে কয়েক হাজার একর ফসলি জমি, চর উন্নয়ন ও বসতি স্থাপন প্রকল্পের (সিডিএসপি) ৭/৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং বন বিভাগের রোপণ করা নানা প্রজাতির গাছ।
এক বছর আগে চরক্লার্ক ইউনিয়নের চর খন্দকার এলাকায় সাবেক ২ নম্বর কাটাখালী স্লুইসগেট নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এতে জোয়ারের সময় পানি দ্রুত উত্তর দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে সোলেমান বাজারসহ আশপাশের এলাকাও নতুন করে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার।
জানতে চাইলে চরক্লার্ক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল বাশার জানান, ভাঙনের বিষয়টি উপজেলা ও জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। উপদেষ্টা পর্যায়েও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সুবর্ণচরের সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারী বাবলু বলেন, ভাঙা-গড়া প্রকৃতির নিয়ম হলেও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা জেগে ওঠা চরে তাঁদের পুরোনো অবস্থান বা জীবন ফিরে পান না। নদীশাসন এবং জেগে ওঠা চরে বসতি স্থাপন নিয়ে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা জরুরি। নদী ভাঙলে শুধু মানুষের ঘরবাড়ি নয়, জনপদের চিহ্নও মুছে যায়।
এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, মোহাম্মদপুর ও চরক্লার্ক ইউনিয়নের ভাঙনের বিষয়টি প্রশাসনের জানা আছে। তবে এখনো পর্যন্ত কত পরিবার গৃহহীন হয়েছে, তার কোনো তালিকা প্রস্তুত করা হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ভাঙন রোধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মেঘনা নদী থেকে জেগে ওঠা নতুন চর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আয়তন বাড়ালেও একই সঙ্গে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। শুধু সুবর্ণচর নয়, উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর সর্বত্রই চলছে নদীর এই ভাঙা-গড়ার খেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা ভূমির পরিমাণ ভাঙনের চেয়ে বেশি হলেও নতুন জেগে ওঠা চরগুলো এখনো বসতিস্থাপনের উপযোগী হয়ে ওঠেনি।
বাংলাদেশ সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস)-এর হিসাবে, গত ৭০ বছরে নোয়াখালীতে প্রায় ২০০ বর্গকিলোমিটার ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রায় এক হাজার বর্গকিলোমিটার ভূমি। তবে এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ায় যারা সব হারায়, তাদের জন্য থাকে কেবল হাহাকার।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীভাঙনে নিঃস্ব মানুষের জন্য সরকারিভাবে কোনো আলাদা সুযোগ-সুবিধা নেই। নেই পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ। এমনকি কত মানুষ ভিটেমাটি হারিয়েছে, তারও কোনো নির্ভরযোগ্য তালিকা তৈরি করা হয়নি।
জানা গেছে, মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ও চরক্লার্ক ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত দুই বছরে এই দুই ইউনিয়নে অন্তত তিন হাজার পরিবার গৃহহীন হয়েছে। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা আরও বিস্তৃত হওয়ায় মোট ভিটেমাটি হারানো পরিবারের সংখ্যা প্রায় চার হাজার।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ হেমায়েতপুরের একটি অংশ, চর বায়েজিদ মৌজা, চর খন্দকার, আলেমপুর, সৈয়দপুর, চর নোমান সমাজ ও চর মোজাম্মেল মৌজাসহ অন্তত ১০টি এলাকা ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেছে কয়েক হাজার একর ফসলি জমি, চর উন্নয়ন ও বসতি স্থাপন প্রকল্পের (সিডিএসপি) ৭/৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং বন বিভাগের রোপণ করা নানা প্রজাতির গাছ।
এক বছর আগে চরক্লার্ক ইউনিয়নের চর খন্দকার এলাকায় সাবেক ২ নম্বর কাটাখালী স্লুইসগেট নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এতে জোয়ারের সময় পানি দ্রুত উত্তর দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে সোলেমান বাজারসহ আশপাশের এলাকাও নতুন করে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার।
জানতে চাইলে চরক্লার্ক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল বাশার জানান, ভাঙনের বিষয়টি উপজেলা ও জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। উপদেষ্টা পর্যায়েও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সুবর্ণচরের সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারী বাবলু বলেন, ভাঙা-গড়া প্রকৃতির নিয়ম হলেও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা জেগে ওঠা চরে তাঁদের পুরোনো অবস্থান বা জীবন ফিরে পান না। নদীশাসন এবং জেগে ওঠা চরে বসতি স্থাপন নিয়ে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা জরুরি। নদী ভাঙলে শুধু মানুষের ঘরবাড়ি নয়, জনপদের চিহ্নও মুছে যায়।
এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, মোহাম্মদপুর ও চরক্লার্ক ইউনিয়নের ভাঙনের বিষয়টি প্রশাসনের জানা আছে। তবে এখনো পর্যন্ত কত পরিবার গৃহহীন হয়েছে, তার কোনো তালিকা প্রস্তুত করা হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ভাঙন রোধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
১৮ মে ২০২১
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের এবং উপকরণ সরবরাহকারীদের বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। হামলাকারী দুজন ঘটনার আগে-পরে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে ডিবি ও র্যাব
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসের হিড়িক পড়েছে। চক্রের থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না বনাঞ্চলের পাহাড়-টিলা, এমনকি কৃষিজমির উর্বর মাটিও। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার পরও কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মাটিখেকোদের দৌরাত্ম্য।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরে এবার বদলে গেছে নির্বাচনী সমীকরণ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিদ্যমান বাস্তবতায় জেলার তিনটি আসনই নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ কর
৬ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের এবং উপকরণ সরবরাহকারীদের বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। হামলাকারী দুজন ঘটনার আগে-পরে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে ডিবি ও র্যাব। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল সোমবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে। এই হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদের (৩৭) স্ত্রীসহ তিনজনকে গতকাল ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
১২ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করেন মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়; পরে সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। এই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর রাতে পল্টন থানায় করা মামলার তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিবির মতিঝিল বিভাগ।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম গতকাল বলেন, এখন পর্যন্ত এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরে পৌঁছায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদির শরীরের অন্য অঙ্গগুলো এখনো ‘নিয়ন্ত্রণযোগ্য’ বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা হামলায় অংশ নেওয়া দুজনের পরিচয় শনাক্ত করেছেন। তাঁরা হলেন–ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ ও আলমগীর হোসেন। তবে মামলার এজাহারে আলমগীরের নাম নেই। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই দুজনের এবং তাঁদের বহনকারী গাড়ির চালকদের তথ্য পেলেও হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। ফয়সাল ও আলমগীর ইতিমধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে গেছেন বলেও ডিবি নিশ্চিত হয়েছে।
হামলার আগের রাতে সাভারের একটি রিসোর্টে ছিলেন দুজন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হামলার আগের দিন, অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বর রাতে সাভারের গ্রিন জোন রিসোর্টের পৃথক কক্ষে ছিলেন ফয়সাল ও আলমগীর। রাত ২টার দিকে সেখানে ফয়সালের বান্ধবী ছোট বোনকে নিয়ে গিয়েছিলেন। সকালে হাদির কিছু ভিডিও দেখার পর ঢাকায় আসেন তাঁরা। ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সালের বান্ধবী জানান, হাদির ভিডিও দেখার সময় গালিগালাজ করেন ফয়সাল। হাদিকে কিছু একটা করবেন, তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।
দুবার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট পরিবর্তন: ১২ ডিসেম্বর সকালে সাভার থেকে ঢাকায় এসে ফয়সাল ও আলমগীর আগারগাঁওয়ে ফয়সালের বোনের বাসায় যান। সেখানে ফয়সালের বাবা-মাও থাকেন। ওই বাসার গ্যারেজের সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সূত্র ধরে ডিবি বলছে, বাসা থেকে বের হওয়ার আগে ফয়সালের বাবা একটি নম্বরপ্লেট নিয়ে গ্যারেজে এলে তাঁরা নম্বরপ্লেট পরিবর্তন করে বের হন। গুলি করার পর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড থেকে মোটরসাইকেলে করে তাঁরা আবার আগারগাঁওয়ে ফয়সালের বোনের বাসায় যান। আবার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট পরিবর্তন করেন। একটি নম্বরপ্লেট তাঁরা ম্যানহোলে ফেলে দেন। বাসায় কিছুক্ষণ থেকে ফয়সাল ও আলমগীর দুটি কালো ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে বাসার নিরাপত্তাকর্মীর ঠিক করা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আমিন বাজারের ঢালে নামেন। ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে ওই অটোরিকশাচালক জানান, আমিনবাজারে ওই দুজন এক তরুণীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি গাড়ি নিয়ে আগে থেকে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন বলে ডিবি নিশ্চিত হয়েছে। সেখানে তাঁরা মোবাইল ও সিম ফেলে দেন। এরপর কালামপুর, টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ যান। ময়মনসিংহের সেতুর পাড়ে গাড়ি বদলে আরেকটি প্রাইভেট কারে উঠে হালুয়াঘাটের ধারাবাজারের একটি পেট্রলপাম্পে গিয়ে থামেন। সেখানে তিন যুবক ওই দুজনকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে হালুয়াঘাটের ভুটিয়াপাড়ায় নিয়ে যান। রাত আড়াইটার দিকে ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দুজনে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় যান। হামলা ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পুরো বিষয়টি ছিল নিখুঁত পরিকল্পনার অংশ। ময়মনসিংহে নেওয়া গাড়িটি ছিল ভাড়া করা।
৪ ডিসেম্বর থেকে হামলাকারী ফয়সাল, আলমগীর ও জাকির প্রার্থী ওসমান হাদির গণসংযোগে নিয়মিত অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মী ও পুলিশ। এর দেড় মাস আগে তাঁরা জুলাই যোদ্ধা পরিচয়ে হাদির দলে ভিড়েছিলেন।
ফয়সালের স্ত্রীসহ তিনজন রিমান্ডে: প্রধান আসামি ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ও ফয়সালের এক বান্ধবীকে গতকাল আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাঁদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
হাদির মোবাইলের হদিস নেই: হামলার পর ওসমান হাদির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। ডিবি বলেছে, তাঁর মোবাইলে যেহেতু বারবার হত্যার হুমকি আসছিল, তাই মোবাইলটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে ঘটনার পর মোবাইলটি পাওয়া যায়নি। ওই মোবাইল নম্বরটি নিয়ে কাজ করছে পুলিশ।
সীমান্ত পারাপারে জড়িত আরও দুজন আটক: হাদির ওপর হামলাকারীদের সীমান্ত পার করানোর ঘটনায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্ত এলাকা থেকে আরও দুজনকে আটক করেছে বিজিবি। ময়মনসিংহের ৩৯ বিজিবির সেক্টর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি জানান। আটক দুজন হলেন, শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্ত থেকে অবৈধভাবে মানুষ পারাপারে সহায়তাকারী ফিলিপের মামাশ্বশুর বেঞ্জামিন চিড়ান এবং ফিলিপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সীশল। এর আগে রোববার ডিবি পুলিশ ওই এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। সিবিয়ন দিও ও সঞ্চয় চিসিম নামের ওই দুজন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের এবং উপকরণ সরবরাহকারীদের বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। হামলাকারী দুজন ঘটনার আগে-পরে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে ডিবি ও র্যাব। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল সোমবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে। এই হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদের (৩৭) স্ত্রীসহ তিনজনকে গতকাল ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
১২ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করেন মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়; পরে সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। এই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর রাতে পল্টন থানায় করা মামলার তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিবির মতিঝিল বিভাগ।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম গতকাল বলেন, এখন পর্যন্ত এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরে পৌঁছায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদির শরীরের অন্য অঙ্গগুলো এখনো ‘নিয়ন্ত্রণযোগ্য’ বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা হামলায় অংশ নেওয়া দুজনের পরিচয় শনাক্ত করেছেন। তাঁরা হলেন–ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ ও আলমগীর হোসেন। তবে মামলার এজাহারে আলমগীরের নাম নেই। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই দুজনের এবং তাঁদের বহনকারী গাড়ির চালকদের তথ্য পেলেও হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। ফয়সাল ও আলমগীর ইতিমধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে গেছেন বলেও ডিবি নিশ্চিত হয়েছে।
হামলার আগের রাতে সাভারের একটি রিসোর্টে ছিলেন দুজন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হামলার আগের দিন, অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বর রাতে সাভারের গ্রিন জোন রিসোর্টের পৃথক কক্ষে ছিলেন ফয়সাল ও আলমগীর। রাত ২টার দিকে সেখানে ফয়সালের বান্ধবী ছোট বোনকে নিয়ে গিয়েছিলেন। সকালে হাদির কিছু ভিডিও দেখার পর ঢাকায় আসেন তাঁরা। ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সালের বান্ধবী জানান, হাদির ভিডিও দেখার সময় গালিগালাজ করেন ফয়সাল। হাদিকে কিছু একটা করবেন, তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।
দুবার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট পরিবর্তন: ১২ ডিসেম্বর সকালে সাভার থেকে ঢাকায় এসে ফয়সাল ও আলমগীর আগারগাঁওয়ে ফয়সালের বোনের বাসায় যান। সেখানে ফয়সালের বাবা-মাও থাকেন। ওই বাসার গ্যারেজের সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সূত্র ধরে ডিবি বলছে, বাসা থেকে বের হওয়ার আগে ফয়সালের বাবা একটি নম্বরপ্লেট নিয়ে গ্যারেজে এলে তাঁরা নম্বরপ্লেট পরিবর্তন করে বের হন। গুলি করার পর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড থেকে মোটরসাইকেলে করে তাঁরা আবার আগারগাঁওয়ে ফয়সালের বোনের বাসায় যান। আবার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট পরিবর্তন করেন। একটি নম্বরপ্লেট তাঁরা ম্যানহোলে ফেলে দেন। বাসায় কিছুক্ষণ থেকে ফয়সাল ও আলমগীর দুটি কালো ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে বাসার নিরাপত্তাকর্মীর ঠিক করা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আমিন বাজারের ঢালে নামেন। ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে ওই অটোরিকশাচালক জানান, আমিনবাজারে ওই দুজন এক তরুণীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি গাড়ি নিয়ে আগে থেকে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন বলে ডিবি নিশ্চিত হয়েছে। সেখানে তাঁরা মোবাইল ও সিম ফেলে দেন। এরপর কালামপুর, টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ যান। ময়মনসিংহের সেতুর পাড়ে গাড়ি বদলে আরেকটি প্রাইভেট কারে উঠে হালুয়াঘাটের ধারাবাজারের একটি পেট্রলপাম্পে গিয়ে থামেন। সেখানে তিন যুবক ওই দুজনকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে হালুয়াঘাটের ভুটিয়াপাড়ায় নিয়ে যান। রাত আড়াইটার দিকে ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দুজনে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় যান। হামলা ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পুরো বিষয়টি ছিল নিখুঁত পরিকল্পনার অংশ। ময়মনসিংহে নেওয়া গাড়িটি ছিল ভাড়া করা।
৪ ডিসেম্বর থেকে হামলাকারী ফয়সাল, আলমগীর ও জাকির প্রার্থী ওসমান হাদির গণসংযোগে নিয়মিত অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মী ও পুলিশ। এর দেড় মাস আগে তাঁরা জুলাই যোদ্ধা পরিচয়ে হাদির দলে ভিড়েছিলেন।
ফয়সালের স্ত্রীসহ তিনজন রিমান্ডে: প্রধান আসামি ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ও ফয়সালের এক বান্ধবীকে গতকাল আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাঁদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
হাদির মোবাইলের হদিস নেই: হামলার পর ওসমান হাদির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। ডিবি বলেছে, তাঁর মোবাইলে যেহেতু বারবার হত্যার হুমকি আসছিল, তাই মোবাইলটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে ঘটনার পর মোবাইলটি পাওয়া যায়নি। ওই মোবাইল নম্বরটি নিয়ে কাজ করছে পুলিশ।
সীমান্ত পারাপারে জড়িত আরও দুজন আটক: হাদির ওপর হামলাকারীদের সীমান্ত পার করানোর ঘটনায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্ত এলাকা থেকে আরও দুজনকে আটক করেছে বিজিবি। ময়মনসিংহের ৩৯ বিজিবির সেক্টর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি জানান। আটক দুজন হলেন, শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্ত থেকে অবৈধভাবে মানুষ পারাপারে সহায়তাকারী ফিলিপের মামাশ্বশুর বেঞ্জামিন চিড়ান এবং ফিলিপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সীশল। এর আগে রোববার ডিবি পুলিশ ওই এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। সিবিয়ন দিও ও সঞ্চয় চিসিম নামের ওই দুজন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
১৮ মে ২০২১
মেঘনা নদী থেকে জেগে ওঠা নতুন চর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আয়তন বাড়ালেও একই সঙ্গে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। শুধু সুবর্ণচর নয়, উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর সর্বত্রই চলছে নদীর এই ভাঙা-গড়ার খেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা ভূমির পরিমাণ ভাঙনের চেয়ে বেশি হলেও নতুন জেগে ওঠা চরগুলো এখনো বসতিস্থাপনের
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসের হিড়িক পড়েছে। চক্রের থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না বনাঞ্চলের পাহাড়-টিলা, এমনকি কৃষিজমির উর্বর মাটিও। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার পরও কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মাটিখেকোদের দৌরাত্ম্য।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরে এবার বদলে গেছে নির্বাচনী সমীকরণ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিদ্যমান বাস্তবতায় জেলার তিনটি আসনই নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ কর
৬ ঘণ্টা আগেফটিকছড়ি সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসের হিড়িক পড়েছে। চক্রের থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না বনাঞ্চলের পাহাড়-টিলা, এমনকি কৃষিজমির উর্বর মাটিও। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার পরও কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মাটিখেকোদের দৌরাত্ম্য।
জানা গেছে, উপজেলার পাইন্দং, ভূজপুর, নারায়ণহাট, দাঁতমারা, বাগানবাজার, সুয়াবিল, হারুয়ালছড়ি ও কাঞ্চননগর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব মাটি কাটার ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের নেতৃত্বে চলছে এই কর্মকাণ্ড।
স্থানীয়রা বলেন, কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা রোধে অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। তবে কৌশল বদলে দিনের বেলার পরিবর্তে রাতে কাটা হচ্ছে মাটি। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত চলে মাটি কাটা।
জানা গেছে, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে উপজেলার ফসলি জমি ও টিলা থেকে মাটি কাটছে অর্ধশতাধিক চক্র। এক্সকাভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কেটে ডাম্পট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে ইটভাটা, পুকুর, ডোবা ও নতুন বাড়ির জায়গায় মাটি ভরাট করছে তাঁরা।
সরেজমিনে গত শনি ও রোববার দুই দিন উপজেলার পাইন্দং, ভূজপুর, বাগানবাজার ইউনিয়নের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখা মেলে পরিবেশ ধ্বংসের এমন ভয়াবহতার চিত্র।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পাইন্দংয়ের ফকিরাচাঁন আমতল এলাকায় রাতের আঁধারে কয়েকটি এক্সকাভেটর দিয়ে কাটা হচ্ছে কৃষিজমির মাটি। ভূজপুর ইউনিয়নের আন্ধারমানিক গলাচিপা এলাকায় স্থানীয় মো. রাশেদের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি চক্র রাতের আঁধারে কেটে নিয়েছে বিশালাকার টিলার মাটি। এসব মাটি ডাম্পট্রাকে করে যাচ্ছে কাজীরহাট বাজারের একাধিক কৃষিজমি ভরাট কাজে। একই কায়দায় হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের আপন ব্রিকস ফিল্ডসংলগ্ন বাংলাবাজার সরকার বাড়ি এলাকায় কাটা হয়েছে টিলা। ভূজপুর ইউনিয়নের আছিয়া চা-বাগানসংলগ্ন মা আমেনা লেয়ার ফার্মের পাশে মো. আরিফ নামে এক ব্যক্তির মুরগির ফার্ম তৈরির জন্য কাটা হয়েছে বিশালাকার টিলা। একই দৃশ্য বাগানবাজার ইউনিয়নের লালমাই এলাকায়। যেখানে ভবন নির্মাণের জন্য দিনদুপুরে কাটা হচ্ছে উঁচু পাহাড়-টিলা। লালমাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে স্থানীয় মনির ও মফিজের নেতৃত্বে পেলোডার দিয়ে কেটে সাবাড় করা হয়েছে ব্যবসায়ী মো. হাসেমের টিলা।
মাটি কাটার বিষয়টি স্বীকার করেন হাসেমের ছেলে মাহবুব। তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের দিয়ে মাটি কাটিয়েছি তারা প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছে বলে আমাদের জানিয়েছে।’ তবে কাদের দিয়ে মাটি কাটিয়েছেন তাদের নাম বলেননি মাহবুব। একই ইউনিয়নের বাগমারা এলাকায় মাহবুবুল হকের বসত টিলা, গার্ডের দোকানে নবী মাস্টারের টিলা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান একরামুল হক বাবুলের ভাই লায়েসের নেতৃত্বে কাটা হচ্ছে কৃষিজমি। তবে মাটি কাটার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মো. লায়েস।
লালমাই এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, সে দলের লোকেরাই পাহাড়-টিলা কর্তন করে। প্রভাবশালী হওয়ার ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে না, প্রতিবাদ করে না।’
চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের রিসার্স অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, কর্তনকৃত এসব স্থান পরিদর্শন করে শিগগিরই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মাটি কাটার সংবাদ পেলে যত রাতই হোক অভিযান পরিচালনা করছি।’ তিনি বলেন, টিলা-পাহাড় ও কৃষিজমির টপসয়েল কাটা আমলযোগ্য অপরাধ। পুলিশ প্রশাসন চাইলে স্বপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসের হিড়িক পড়েছে। চক্রের থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না বনাঞ্চলের পাহাড়-টিলা, এমনকি কৃষিজমির উর্বর মাটিও। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার পরও কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মাটিখেকোদের দৌরাত্ম্য।
জানা গেছে, উপজেলার পাইন্দং, ভূজপুর, নারায়ণহাট, দাঁতমারা, বাগানবাজার, সুয়াবিল, হারুয়ালছড়ি ও কাঞ্চননগর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব মাটি কাটার ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের নেতৃত্বে চলছে এই কর্মকাণ্ড।
স্থানীয়রা বলেন, কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা রোধে অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। তবে কৌশল বদলে দিনের বেলার পরিবর্তে রাতে কাটা হচ্ছে মাটি। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত চলে মাটি কাটা।
জানা গেছে, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে উপজেলার ফসলি জমি ও টিলা থেকে মাটি কাটছে অর্ধশতাধিক চক্র। এক্সকাভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কেটে ডাম্পট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে ইটভাটা, পুকুর, ডোবা ও নতুন বাড়ির জায়গায় মাটি ভরাট করছে তাঁরা।
সরেজমিনে গত শনি ও রোববার দুই দিন উপজেলার পাইন্দং, ভূজপুর, বাগানবাজার ইউনিয়নের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখা মেলে পরিবেশ ধ্বংসের এমন ভয়াবহতার চিত্র।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পাইন্দংয়ের ফকিরাচাঁন আমতল এলাকায় রাতের আঁধারে কয়েকটি এক্সকাভেটর দিয়ে কাটা হচ্ছে কৃষিজমির মাটি। ভূজপুর ইউনিয়নের আন্ধারমানিক গলাচিপা এলাকায় স্থানীয় মো. রাশেদের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি চক্র রাতের আঁধারে কেটে নিয়েছে বিশালাকার টিলার মাটি। এসব মাটি ডাম্পট্রাকে করে যাচ্ছে কাজীরহাট বাজারের একাধিক কৃষিজমি ভরাট কাজে। একই কায়দায় হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের আপন ব্রিকস ফিল্ডসংলগ্ন বাংলাবাজার সরকার বাড়ি এলাকায় কাটা হয়েছে টিলা। ভূজপুর ইউনিয়নের আছিয়া চা-বাগানসংলগ্ন মা আমেনা লেয়ার ফার্মের পাশে মো. আরিফ নামে এক ব্যক্তির মুরগির ফার্ম তৈরির জন্য কাটা হয়েছে বিশালাকার টিলা। একই দৃশ্য বাগানবাজার ইউনিয়নের লালমাই এলাকায়। যেখানে ভবন নির্মাণের জন্য দিনদুপুরে কাটা হচ্ছে উঁচু পাহাড়-টিলা। লালমাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে স্থানীয় মনির ও মফিজের নেতৃত্বে পেলোডার দিয়ে কেটে সাবাড় করা হয়েছে ব্যবসায়ী মো. হাসেমের টিলা।
মাটি কাটার বিষয়টি স্বীকার করেন হাসেমের ছেলে মাহবুব। তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের দিয়ে মাটি কাটিয়েছি তারা প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছে বলে আমাদের জানিয়েছে।’ তবে কাদের দিয়ে মাটি কাটিয়েছেন তাদের নাম বলেননি মাহবুব। একই ইউনিয়নের বাগমারা এলাকায় মাহবুবুল হকের বসত টিলা, গার্ডের দোকানে নবী মাস্টারের টিলা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান একরামুল হক বাবুলের ভাই লায়েসের নেতৃত্বে কাটা হচ্ছে কৃষিজমি। তবে মাটি কাটার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মো. লায়েস।
লালমাই এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, সে দলের লোকেরাই পাহাড়-টিলা কর্তন করে। প্রভাবশালী হওয়ার ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে না, প্রতিবাদ করে না।’
চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের রিসার্স অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, কর্তনকৃত এসব স্থান পরিদর্শন করে শিগগিরই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মাটি কাটার সংবাদ পেলে যত রাতই হোক অভিযান পরিচালনা করছি।’ তিনি বলেন, টিলা-পাহাড় ও কৃষিজমির টপসয়েল কাটা আমলযোগ্য অপরাধ। পুলিশ প্রশাসন চাইলে স্বপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে।

আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
১৮ মে ২০২১
মেঘনা নদী থেকে জেগে ওঠা নতুন চর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আয়তন বাড়ালেও একই সঙ্গে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। শুধু সুবর্ণচর নয়, উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর সর্বত্রই চলছে নদীর এই ভাঙা-গড়ার খেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা ভূমির পরিমাণ ভাঙনের চেয়ে বেশি হলেও নতুন জেগে ওঠা চরগুলো এখনো বসতিস্থাপনের
৬ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের এবং উপকরণ সরবরাহকারীদের বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। হামলাকারী দুজন ঘটনার আগে-পরে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে ডিবি ও র্যাব
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরে এবার বদলে গেছে নির্বাচনী সমীকরণ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিদ্যমান বাস্তবতায় জেলার তিনটি আসনই নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ কর
৬ ঘণ্টা আগেশরীয়তপুর প্রতিনিধি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরে এবার বদলে গেছে নির্বাচনী সমীকরণ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিদ্যমান বাস্তবতায় জেলার তিনটি আসনই নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ করেছে দলের অপর অংশ। তবে অন্য দুই আসনে এমন বিরোধ নেই। সবকটি আসনেই নেতা-কর্মীদের নিয়ে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি ও জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
শরীয়তপুর-১: স্বাধীনতার পর একবারই এখানে জয় পায় বিএনপি। সেটি ছিল ১৯৭৯ সালে। এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর দখলে ছিল এটি। শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা নিয়ে গঠিত আসনটিতে এবার বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম। তিনি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শরীয়তপুর-৩ আসনের বাসিন্দা। তবে তাঁর প্রাথমিক মনোনয়ন মেনে নিতে নারাজ আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি সরদার এ কে এম নাসির উদ্দীন কালুর অনুসারীরা। সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ করেছেন তাঁরা। দলীয়ভাবে মীমাংসা না হলে শেষ পর্যন্ত নাসির উদ্দীন কালু স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন।
জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ড. মোশারফ হোসেন মাসুদ। সাঈদ আহমেদ আসলাম ও মোশারফ হোসেন মাসুদ দুজনই নেতা-কর্মীদের নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে জালালুদ্দীন আহমদ, এনসিপি থেকে মো. আব্দুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন থেকে মুফতি তোফায়েল আহমেদ কাসেমী, গণঅধিকার পরিষদ থেকে অ্যাডভোকেট খবির উদ্দিন মনোনয়ন পেতে পারেন।
শরীয়তপুর-২: নড়িয়া ও সখিপুর থানা নিয়ে গঠিত আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। শুধু ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে দুবার বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির প্রার্থী। এবার এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা সভাপতি ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান কিরণ। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সেক্রেটারি ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল। দুজনই এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভাসহ নানাভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে মো. দবির হোসেন শেখ, ইসলামী আন্দোলন থেকে মুফতি মো. ইমরান হোসাইন এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে আক্তারুজ্জামান সম্রাট মাঝি মনোনয়ন পেতে পারেন।
শরীয়তপুর-৩: স্বাধীনতার পর বেশির ভাগ সময়েই এখানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। শুধু ১৯৭৯ সালে একবার মুসলিম লীগ, ১৯৮৬ সালে একবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী বিজয়ী হন। গোসাইরহাট, ডামুড্যা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত আসনটিতে এবার বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। দুজনই নেতা-কর্মীদের নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। খেলাফত মজলিস থেকে মুফতি খবির উদ্দিন এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে অ্যাডভোকেট মো. হানিফ মিয়া মনোনয়ন পেতে পারেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরে এবার বদলে গেছে নির্বাচনী সমীকরণ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিদ্যমান বাস্তবতায় জেলার তিনটি আসনই নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ করেছে দলের অপর অংশ। তবে অন্য দুই আসনে এমন বিরোধ নেই। সবকটি আসনেই নেতা-কর্মীদের নিয়ে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি ও জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
শরীয়তপুর-১: স্বাধীনতার পর একবারই এখানে জয় পায় বিএনপি। সেটি ছিল ১৯৭৯ সালে। এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর দখলে ছিল এটি। শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা নিয়ে গঠিত আসনটিতে এবার বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম। তিনি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শরীয়তপুর-৩ আসনের বাসিন্দা। তবে তাঁর প্রাথমিক মনোনয়ন মেনে নিতে নারাজ আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি সরদার এ কে এম নাসির উদ্দীন কালুর অনুসারীরা। সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ করেছেন তাঁরা। দলীয়ভাবে মীমাংসা না হলে শেষ পর্যন্ত নাসির উদ্দীন কালু স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন।
জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ড. মোশারফ হোসেন মাসুদ। সাঈদ আহমেদ আসলাম ও মোশারফ হোসেন মাসুদ দুজনই নেতা-কর্মীদের নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে জালালুদ্দীন আহমদ, এনসিপি থেকে মো. আব্দুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন থেকে মুফতি তোফায়েল আহমেদ কাসেমী, গণঅধিকার পরিষদ থেকে অ্যাডভোকেট খবির উদ্দিন মনোনয়ন পেতে পারেন।
শরীয়তপুর-২: নড়িয়া ও সখিপুর থানা নিয়ে গঠিত আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। শুধু ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে দুবার বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির প্রার্থী। এবার এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা সভাপতি ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান কিরণ। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সেক্রেটারি ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল। দুজনই এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভাসহ নানাভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে মো. দবির হোসেন শেখ, ইসলামী আন্দোলন থেকে মুফতি মো. ইমরান হোসাইন এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে আক্তারুজ্জামান সম্রাট মাঝি মনোনয়ন পেতে পারেন।
শরীয়তপুর-৩: স্বাধীনতার পর বেশির ভাগ সময়েই এখানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। শুধু ১৯৭৯ সালে একবার মুসলিম লীগ, ১৯৮৬ সালে একবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী বিজয়ী হন। গোসাইরহাট, ডামুড্যা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত আসনটিতে এবার বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। দুজনই নেতা-কর্মীদের নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। খেলাফত মজলিস থেকে মুফতি খবির উদ্দিন এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে অ্যাডভোকেট মো. হানিফ মিয়া মনোনয়ন পেতে পারেন।

আজ মঙ্গলবার সারা দেশে বজ্রপাতে ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নেত্রকোনা জেলাতে সর্বোচ্চ ছয় জন এবং ফরিদপুরে চার জন মারা গেছেন। এসময় আহতও হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
১৮ মে ২০২১
মেঘনা নদী থেকে জেগে ওঠা নতুন চর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আয়তন বাড়ালেও একই সঙ্গে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। শুধু সুবর্ণচর নয়, উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর সর্বত্রই চলছে নদীর এই ভাঙা-গড়ার খেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা ভূমির পরিমাণ ভাঙনের চেয়ে বেশি হলেও নতুন জেগে ওঠা চরগুলো এখনো বসতিস্থাপনের
৬ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিদের এবং উপকরণ সরবরাহকারীদের বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। হামলাকারী দুজন ঘটনার আগে-পরে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে ডিবি ও র্যাব
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসের হিড়িক পড়েছে। চক্রের থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না বনাঞ্চলের পাহাড়-টিলা, এমনকি কৃষিজমির উর্বর মাটিও। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার পরও কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মাটিখেকোদের দৌরাত্ম্য।
৬ ঘণ্টা আগে