ইংলিশ চ্যানেলের দুই প্রান্তে একইদিনে দুই রকম দৃশ্য। ২৩ বছর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে উঠে আসার আনন্দে যখন ওয়েম্বলিতে উৎসবে মাতোয়ারা নটিংহ্যাম ফরেস্ট তখন সাগরের অন্য প্রান্তে ফ্রান্সের স্টাড জফু-গিসাতে চলছে ধুন্ধুমার কাণ্ড। অবনমনের যন্ত্রণা সইতে না পেরে ফরাসি দল সেন্ট এতিঁয়েনের সমর্থকেরা মাঠে নেমে পড়লেন ফুটবলারদের পেটাতে!
ফ্রান্সের লিগ ওয়ানের অন্যতম বড় দল সেন্ট এতিঁয়েন গতকাল পড়েছে অবনমনের খড়্গে। লিগ ওয়ানের প্লে-অফে গতকাল অক্সের কাছে টাইব্রেকে হেরে যায় এতিঁয়েন। ম্যাচের পরপরই তাই লাঠি, ফ্লেয়ার নিয়ে মাঠে নেমে পড়ে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা।
গত কয়েক বছর ধরেই আর্থিক সংকটে ধুঁকছিল ১০ বারের লিগ শিরোপাজয়ী এতিঁয়েন। করোনায় সেটা আরও করুণ হয়েছে। এবারের লিগ ওয়ানে পয়েন্ট টেবিলের তলানির তৃতীয় দল হওয়ায় লিগে নিজেদের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে প্লে-অফে জিততে হতো দলটাকে। প্রতিপক্ষ ছিল ১০ বছর আগে সবশেষ লিগ ওয়ানে খেলা অক্সে। প্রথম লেগে ১-১ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচটা গতকাল এতিঁয়েনের মাঠে দ্বিতীয় লেগেও দেখেছে একই ফল। দুই লেগে ২-২ গোলে সমতায় থাকার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকে।
টাইব্রেকে প্রথম শটেই বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন এতিঁয়েনের রিয়াদ বৌদেবু। সেই শটেই শেষ পর্যন্ত কপাল পোড়ে এতিঁয়েনের, ৪-৫ ব্যবধানে হেরে যায় এতিঁয়েন। ২০০৪ সালের পর আবারও নেমে যায় লিগ টুতে।
লিভারপুল-রিয়াল সম্পর্কিত জানতে - এখানে ক্লিক করুন
খেলা শেষ হতেই মাঠে নেমে পড়েন স্বাগতিক সমর্থকেরা। মাঠে ছোড়া হয় ফ্লেয়ার, ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুণ। উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকদের ঠেকাতে সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমেছে দাঙ্গা পুলিশ। ছুড়েছে কাদানি গ্যাস। ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা মাঠে নামার আগেই অবশ্য দুই দলের ফুটবলারদের ড্রেসিং রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের ছোঁড়া কাদানি গ্যাসের ধোঁয়ায় ফুটবলারদের কাশতে দেখা গেছে এক ভিডিওতে।
উচ্ছৃঙ্খল আচরণের জন্য আগে থেকেই কুখ্যাতি আছে সেন্ট এতিঁয়েন সমর্থকদের। এই সমর্থকদের জন্য আগেও জরিমানা গুনতে হয়েছে ক্লাবকে। মোনাকোর বিপক্ষে গত মাসের ম্যাচেও মাঠে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল এতিঁয়েন সমর্থকদের জন্য।
খেলা সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১৫ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে