হিমেল চাকমা, রাঙামাটি

পৃথিবীজুড়ে ব্যক্তিগত বাহন হিসেবে জনপ্রিয় মোটরসাইকেল বা বাইক। পুরুষদের পাশাপাশি এখন অনেক নারীও বাইক চালান। শুধু বাইক নয়, বলা যায়, দক্ষ বাইকার হিসেবে এখন অনেক নারী সুনাম কুড়িয়েছেন।
পর্যটন শহর রাঙামাটিতে বাড়ছে নারী বাইকারের সংখ্যা! বাইকাররা জানিয়েছেন, বাইক চালাতে গিয়ে তাঁদের অর্থ ও সময় সাশ্রয় হচ্ছে। মিলছে চলাচলে স্বাধীনতাও। পাহাড়ের শহর রাঙামাটিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছাড়া তেমন কোনো গণপরিবহন নেই। অটোরিকশায় গন্তব্যে যেতে ব্যয় যেমন আছে, তেমনি আছে অটোরিকশাচালকদের অপেশাদার আচরণ এবং ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত ঘটনা।
এ থেকে মুক্তি পেতে অনেক নারী এখন বেছে নিচ্ছেন মোটরসাইকেল। তাঁরা একে অন্যকে উৎসাহিত করছেন বাইক কিনতে। তাঁরা বলছেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে অনেক অবদান রাখছে বাইক।
চাকরিজীবী ঝিমি চাকমা (৩৮) জানিয়েছেন, করোনায় লকডাউন চলাকালে বাইকের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। এর আগে এ চিন্তা মাথায় আসেনি। বাইক নেওয়ার পর অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমেছে। স্বামীকে আর বিরক্ত করতে হচ্ছে না। অফিসে যাওয়ার জন্য এখন আর কারও জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। প্রয়োজনে যেকোনো সময় গন্তব্যে যাওয়া যাচ্ছে। সময়ের কাজ সময়ে করা যাচ্ছে। আগে অবসরে বেড়াতে বের হতে হলে অটোরিকশার ওপর নির্ভর করে থাকতে হতো। এতে প্রচুর টাকা ব্যয় হতো। বাইক থাকায় এক লিটার জ্বালানি দিয়ে শহরের আশপাশে ঘুরে বেড়ানো যায়।
ঘুরে বেড়ানোটাও আনন্দের।
বাইক থাকার অন্যতম সুবিধা হলো, এতে খরচ ও সময় বাঁচে। নারীদের মর্যাদা বাড়ে। এমনটাই মনে করেন কণ্ঠশিল্পী জয়ন্তী চাকমা (২৫)। তিনি জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না নিজের বাইকের কারণে। বনরূপা থেকে রাঙাপানি যাওয়ার প্রয়োজন পড়লে পুরো অটোরিকশা ভাড়া করতে হয়। ভাড়া নেয় ২০০ টাকা বা তারও বেশি। বাইক থাকার কারণে সে সমস্যা নেই। টাকার হিসাব করলে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়ার তুলনায় বাইকের খরচ একেবারে নগণ্য।
স্কুটির দাম একটু কম হলে রাঙামাটিতে আরও বাইকারের সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করেন নারীরা। বাইকের সংখ্যা বাড়লে রাঙামাটিতে যানজট কমে যাবে বলেও মনে করেন বাইকার চঞ্চলা চাকমা (৩৮)।
তিনি বলেন, ‘বাইক এখন আমাদের পরিবারের বড় সাপোর্ট দিচ্ছে। বাচ্চাদের স্কুলে আনা-নেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এই বাহন।’

পৃথিবীজুড়ে ব্যক্তিগত বাহন হিসেবে জনপ্রিয় মোটরসাইকেল বা বাইক। পুরুষদের পাশাপাশি এখন অনেক নারীও বাইক চালান। শুধু বাইক নয়, বলা যায়, দক্ষ বাইকার হিসেবে এখন অনেক নারী সুনাম কুড়িয়েছেন।
পর্যটন শহর রাঙামাটিতে বাড়ছে নারী বাইকারের সংখ্যা! বাইকাররা জানিয়েছেন, বাইক চালাতে গিয়ে তাঁদের অর্থ ও সময় সাশ্রয় হচ্ছে। মিলছে চলাচলে স্বাধীনতাও। পাহাড়ের শহর রাঙামাটিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছাড়া তেমন কোনো গণপরিবহন নেই। অটোরিকশায় গন্তব্যে যেতে ব্যয় যেমন আছে, তেমনি আছে অটোরিকশাচালকদের অপেশাদার আচরণ এবং ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত ঘটনা।
এ থেকে মুক্তি পেতে অনেক নারী এখন বেছে নিচ্ছেন মোটরসাইকেল। তাঁরা একে অন্যকে উৎসাহিত করছেন বাইক কিনতে। তাঁরা বলছেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে অনেক অবদান রাখছে বাইক।
চাকরিজীবী ঝিমি চাকমা (৩৮) জানিয়েছেন, করোনায় লকডাউন চলাকালে বাইকের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। এর আগে এ চিন্তা মাথায় আসেনি। বাইক নেওয়ার পর অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমেছে। স্বামীকে আর বিরক্ত করতে হচ্ছে না। অফিসে যাওয়ার জন্য এখন আর কারও জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। প্রয়োজনে যেকোনো সময় গন্তব্যে যাওয়া যাচ্ছে। সময়ের কাজ সময়ে করা যাচ্ছে। আগে অবসরে বেড়াতে বের হতে হলে অটোরিকশার ওপর নির্ভর করে থাকতে হতো। এতে প্রচুর টাকা ব্যয় হতো। বাইক থাকায় এক লিটার জ্বালানি দিয়ে শহরের আশপাশে ঘুরে বেড়ানো যায়।
ঘুরে বেড়ানোটাও আনন্দের।
বাইক থাকার অন্যতম সুবিধা হলো, এতে খরচ ও সময় বাঁচে। নারীদের মর্যাদা বাড়ে। এমনটাই মনে করেন কণ্ঠশিল্পী জয়ন্তী চাকমা (২৫)। তিনি জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না নিজের বাইকের কারণে। বনরূপা থেকে রাঙাপানি যাওয়ার প্রয়োজন পড়লে পুরো অটোরিকশা ভাড়া করতে হয়। ভাড়া নেয় ২০০ টাকা বা তারও বেশি। বাইক থাকার কারণে সে সমস্যা নেই। টাকার হিসাব করলে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়ার তুলনায় বাইকের খরচ একেবারে নগণ্য।
স্কুটির দাম একটু কম হলে রাঙামাটিতে আরও বাইকারের সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করেন নারীরা। বাইকের সংখ্যা বাড়লে রাঙামাটিতে যানজট কমে যাবে বলেও মনে করেন বাইকার চঞ্চলা চাকমা (৩৮)।
তিনি বলেন, ‘বাইক এখন আমাদের পরিবারের বড় সাপোর্ট দিচ্ছে। বাচ্চাদের স্কুলে আনা-নেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এই বাহন।’

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
৩ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৪ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৬ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৬ দিন আগে