বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
ড. রাজিয়া বানুর পরিচয় শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়; তাঁর বাবা ওয়াজির আলী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের ভাগনে ও জামাতা। শুধু তা-ই নয়, ওয়াজির আলী ছিলেন প্রথম বাঙালি মুসলমান এসডিও এএইচএম। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে নারীদের অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ দূর করতে ড. রাজিয়া বানু ছিলেন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। সংবিধানের মৌলিক অধিকার অংশে নারী-পুরুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করা এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিধান রাখার ক্ষেত্রে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ও দূরদর্শী চিন্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন, সংবিধানে যদি নারীর অধিকার স্পষ্টভাবে সংরক্ষিত না থাকে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়।
রাজিয়া বানু শিক্ষার জগতেও ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক হিসেবে তিনি কয়েক প্রজন্মকে নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রচিন্তার পাঠ দিয়েছেন। আজকের বাংলাদেশে নারীদের অগ্রযাত্রার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল রাজিয়া বানুর মতো নারীদের হাত ধরে। তাঁর জন্ম ১৯২৬ সালের ২৪ জুন, কলকাতায়। ২০২৪ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি মারা যান।
ড. রাজিয়া বানু, নারী অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল নক্ষত্র

আগামীকাল দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে বেশ উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও একটি জায়গায় খানিক অস্বস্তি রয়ে গেছে। তা হলো, এবারের নির্বাচনে দেশে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বেশ কম। এই নির্বাচনে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল নারীদের মনোনয়ন দেয়নি।
১৩ ঘণ্টা আগে
বসন্ত আসছে। খেতে রংবেরঙের জারবেরা ফুল ফুটে দোল খাচ্ছে বাতাসে। সেই খেতের এক পাশ থেকে ফুল তুলছেন শুধু বসন্তে নয়, বারো মাস ফুল ফোটানোর কারিগর রেশমা খাতুন। এই ফুলের চাষ তাঁর সংসারে বসন্ত এনে দিয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
নদীর ঠান্ডা পানিতে নেমে পাথর তোলেন বাবা। রোদ-বৃষ্টি-শীতে সেই পাথরই সংসারের ভরসা। সেই সংসারের মেয়েটি একসময় গ্রামের রাস্তায় হাঁটলে কটুকথা শুনত, অপমান লুকিয়ে চলত মাথা নিচু করে। আনন্দ-উৎসবে মা-বাবার হাত ধরে যাওয়াও ছিল নিষিদ্ধ—সমাজের চোখ আর কথার ভয়ে। আজ সেই মেয়েটি বিমানে চড়ে বিদেশে যায়—বুকের ভেতর লাল-সবু
১৪ ঘণ্টা আগে
প্যারিসের গর্ব এবং বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় স্থাপত্য আইফেল টাওয়ার। একে স্থানীয়ভাবে ফরাসি ভাষায় বলা হয় লা ডানে ডি ফের। অর্থাৎ আয়রন লেডি বা বাংলায় যাকে বলা হয় লৌহমানবী। মূলত পেটা লোহা দিয়ে নির্মিত এই বিশালাকার কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং শৈল্পিক দৃঢ়তার কারণে এই নাম। টাওয়ারটির সরু
১৫ ঘণ্টা আগে