
হামজাদের জন্য গলা ফাটিয়েছেন প্রায় ৬ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি। যা বিশ্বাসই হচ্ছিল না হামজার। তিনি বলেন, ‘সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা আমাদের অনেক সমর্থন দিয়েছেন। স্টেডিয়ামে তো বটেই, এমনকি তার আগেও সিঙ্গাপুরে এত দর্শক দেখে আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল বিদেশের মাটিতেও আমরা

রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই নুয়ে পড়লেন হামজা চৌধুরী। পুরো বাংলাদেশেরই প্রতিচ্ছবি যেন হয়ে থাকলেন তিনি। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একের পর এক আক্রমণ করেও হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো হাভিয়ের কাবরেরার দলকে। তবে কোচের আশা বাংলাদেশ ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে আরও অনেক দূর যাবে।

হামজা চৌধুরী আসার পরই যেন বাংলাদেশের ফুটবল ফিরে পেতে শুরু করল তার হারানো ঐতিহ্য। পুরো মাঠজুড়ে তাঁর বিচরণ। গোল তো তিনি করছেনই। প্রতিপক্ষ ফুটবলারদের বোতলবন্দী করে রাখতেও হামজার জুড়ি মেলা ভার। জাহিদ হাসান এমিলির মতে হামজা আসায় বাংলাদেশের ব্র্যান্ড ভ্যালু বেড়ে গেছে।

‘সি’ গ্রুপ থেকে এশিয়ান কাপের টিকিট কেটেছে সিঙ্গাপুরই। সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে মূলপর্বে খেলেছিল তারা। গত বছরের জুনে প্রথম লেগে বাংলাদেশকে ঘরের মাঠে হারিয়েছিল ২–১ গোলে। সেই হার থেকে শিক্ষা নিয়েছেন কাবরেরা, ‘ওই ম্যাচে আমাদের শুরুটা খুব ভালো ছিল, কিন্তু আমরা শক্তি হারিয়ে ফেলি এবং ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে সিঙ্গাপ