
সদ্য গত হওয়া ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাসজুড়ে মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে আসা মুসল্লি এবং ওমরাহ পালনকারীদের মাঝে ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি মুসল্লির ইফতার পরিবেশন করা হয়েছে। দুই পবিত্র মসজিদের ইতিহাসে এটি এযাবৎকালের অন্যতম বৃহত্তম আতিথেয়তা কার্যক্রম হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।

শাওয়াল মাস নফল ইবাদতের মোক্ষম সময়। কারণ, রমজানে তাকওয়ার যে বৃক্ষের শাখা-প্রশাখা বিস্তার হয় অন্তরে, শাওয়ালে তা থাকে সতেজ, সজীব। ফলে এ মাসের নফল ইবাদতে ইখলাসের গভীরতা থাকে অন্য মাসের তুলনায় বেশি। এ ছাড়া রমজানে অর্জিত তাকওয়া শাণিত করে এ মাসের নফল ইবাদত।

নানা কারণেই মুসলমানদের কাছে জুমাতুল বিদার গুরুত্ব অনেক। রমজান মাস সীমাহীন ফজিলতের মাস। হাদিসে আছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, যখন রমজান মাস আসে, আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয় (বুখারি, মুসলিম)।

রমজান ফজিলতের মাস, ইবাদতের মাস। ব্যবসায় যেমন কিছু বিশেষ সময়ের জন্য অফার দেওয়া হয়, মুমিনের জন্যও রমজান তেমন এক অফারের মাস। এ মাস গুনাহ মাফের মাস। একটি ভালো কাজের জন্য ৭০ গুণ বেশি সওয়াব এ মাসে দেওয়া হবে। এ মাসে শয়তানকে শিকলবন্দী করা হয়। আল্লাহর রহমতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়।