রমজান ফজিলতের মাস, ইবাদতের মাস। ব্যবসায় যেমন কিছু বিশেষ সময়ের জন্য অফার দেওয়া হয়, মুমিনের জন্যও রমজান তেমন এক অফারের মাস। এ মাস গুনাহ মাফের মাস। একটি ভালো কাজের জন্য ৭০ গুণ বেশি সওয়াব এ মাসে দেওয়া হবে। এ মাসে শয়তানকে শিকলবন্দী করা হয়। আল্লাহর রহমতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। তাই এ সুযোগকে কাজে লাগানোই বুদ্ধিমান মানুষের কাজ।
আল্লাহ তাআলা রমজান মাস দিয়েছেন ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মৌসুম হিসেবে। এই মাসের প্রতিটি দিন, প্রতিটি রাতই রহমত ও বরকতে পরিপূর্ণ। এ মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত রোজা। রোজা আল্লাহর অত্যন্ত প্রিয় ইবাদত। এর প্রতিদান তিনি নিজ হাতেই দেবেন।
আরবি মাস সাধারণ ২৯ বা ৩০ দিনে হয়ে থাকে। অনেক সময় মনে প্রশ্ন জাগে, কোনো রমজান মাসে যদি ২৯ রোজা হয় তাহলে কি সওয়াব কম হবে?
রমজান মাস ২৯ দিনে হোক বা ৩০ দিনে, এটি সম্পূর্ণভাবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ইসলামি শরিয়তে রোজার সওয়াব সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা রোজার ওপর নির্ভর করে।
আল্লাহ তাআলা পূর্ণ রমজান মাস রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছন। ২৯ বা ৩০ রোজার নির্দেশ দেননি। তাই চাঁদ যদি ২৯ দিনে দেখা যায়, তবে মাসটি ২৯ দিনেরই হবে। আর ২৯ রোজার মাধ্যমেই পুরো রমজান মাস রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যাবে। এতে সওয়াব কম হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
১১ ঘণ্টা আগে
মহররম ও আশুরা উপলক্ষে আমাদের সমাজে বেশ কিছু কাজ প্রচলিত আছে। বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে শুনেছি—এসব কাজের মধ্যে অনেকগুলোই ইসলাম সমর্থন করে না। মহররম ও আশুরায় কী কী বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত? বিস্তারিত জানতে চাই।
১ দিন আগে
মহররম মাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় দিন আশুরা। ইসলামে এ দিনের ইবাদতের তাৎপর্য অনেক। বছরের বরকতময় এই দিন কোরআন তিলাওয়াত, তওবা-ইস্তিগফার, জিকির-আসকার, নফল নামাজ, তসবিহ-তাহলিল, দরুদ পাঠ ও দান-সদকার মাধ্যমে অতিবাহিত করা উত্তম।
১ দিন আগে