
সদ্য গত হওয়া ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাসজুড়ে মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে আসা মুসল্লি এবং ওমরাহ পালনকারীদের মাঝে ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি মুসল্লির ইফতার পরিবেশন করা হয়েছে। দুই পবিত্র মসজিদের ইতিহাসে এটি এযাবৎকালের অন্যতম বৃহত্তম আতিথেয়তা কার্যক্রম হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।
সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অব দ্য টু হোলি মস্ক এই বিশাল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৯ মার্চ ৩০ দিনের রমজান মাসজুড়েই এই সেবা অব্যাহত ছিল। বিশেষ করে, শেষ ১০ দিনে যখন ওমরাহযাত্রী, ইতিকাফকারী ও তাহাজ্জুদ আদায়কারীদের উপস্থিতিতে দুই মসজিদ জনসমুদ্রে পরিণত হয়, তখন এই সেবার চাহিদা ছিল সর্বোচ্চ।
প্রতিদিন দুই মসজিদের চত্বর ও ভেতরের নামাজের স্থানগুলোতে নিবেদিতপ্রাণ বিতরণকারী দলগুলো এই ইফতার পৌঁছে দিয়েছে। এর ফলে লাখ লাখ মুসল্লি পবিত্র আঙিনা ত্যাগ না করেই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তাঁদের রোজা ভাঙার সুযোগ পেয়েছেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজানের প্রথম ২০ দিনেই দুই পবিত্র মসজিদে ৯ কোটি ৬৬ লাখের বেশি মুসল্লি উপস্থিতির রেকর্ড করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের এই বিশাল সংখ্যার কথা বিবেচনা করলে দৈনিক ইফতার কার্যক্রমের ব্যাপ্তি ও গুরুত্ব সহজেই অনুমেয়। আগত আল্লাহর মেহমানদের জন্য এটি কর্তৃপক্ষের একটি সমন্বিত ও মানসম্মত সেবাব্যবস্থার অংশ ছিল।
সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
১১ ঘণ্টা আগে
মহররম ও আশুরা উপলক্ষে আমাদের সমাজে বেশ কিছু কাজ প্রচলিত আছে। বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে শুনেছি—এসব কাজের মধ্যে অনেকগুলোই ইসলাম সমর্থন করে না। মহররম ও আশুরায় কী কী বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত? বিস্তারিত জানতে চাই।
১ দিন আগে
মহররম মাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় দিন আশুরা। ইসলামে এ দিনের ইবাদতের তাৎপর্য অনেক। বছরের বরকতময় এই দিন কোরআন তিলাওয়াত, তওবা-ইস্তিগফার, জিকির-আসকার, নফল নামাজ, তসবিহ-তাহলিল, দরুদ পাঠ ও দান-সদকার মাধ্যমে অতিবাহিত করা উত্তম।
১ দিন আগে