রমজান মাস মুমিনের জন্য মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক প্রতিযোগিতার ময়দান। দেখতে দেখতে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে চলছে। রমজানের এই অন্তিম মুহূর্তে আমাদের করণীয় এবং আমলগুলো কী হওয়া উচিত, তা জানা অত্যন্ত জরুরি।
রমজান বিদায়ের প্রাক্কালে প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ে বিপরীতমুখী দুটি অবস্থা বিরাজ করে। একদিকে যেমন ইবাদত কবুল হওয়ার আশা থাকে, তেমনি থাকে কবুল না হওয়ার ভয়। হজরত আলী (রা.) রমজানের শেষ রাতে বলতেন, ‘আমি জানি না, আল্লাহর কাছে কার ইবাদত গৃহীত হয়েছে আর কে বঞ্চিত হয়েছে। যার ইবাদত কবুল হয়েছে তাকে মোবারকবাদ, আর যে বঞ্চিত হয়েছে আল্লাহ তার ক্ষতি পুষিয়ে দিন।’
রমজানের শেষ মুহূর্তগুলো সবচেয়ে মূল্যবান। যারা শুরুর দিকে অলসতা করেছেন, তাদের জন্য এখনো তওবা করে ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে। আবু মুসা আশআরি (রা.) বলতেন, একটি ঘোড়া যখন তার লক্ষ্যস্থলের কাছে পৌঁছায়, তখন সে যেমন তার সবটুকু শক্তি দিয়ে দৌড়ায়; আমাদেরও শাওয়ালের চাঁদ ওঠার আগ পর্যন্ত সর্বশক্তি দিয়ে ইবাদত করা উচিত। মনে রাখতে হবে, ইবাদতের সুন্দর পরিসমাপ্তিই সূচনার ত্রুটি ঢেকে দেয়।
রাসুল (সা.) বলেছেন, মানুষ যদি রমজান মাসের গুরুত্ব বুঝত, তবে কামনা করত যেন সারা বছরই রমজান হয়। এই পবিত্র মাস আমাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু রমজানের শিক্ষা যেন আমাদের বাকি ১১ মাস পরিচালিত করে।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
১১ ঘণ্টা আগে
মহররম ও আশুরা উপলক্ষে আমাদের সমাজে বেশ কিছু কাজ প্রচলিত আছে। বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে শুনেছি—এসব কাজের মধ্যে অনেকগুলোই ইসলাম সমর্থন করে না। মহররম ও আশুরায় কী কী বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত? বিস্তারিত জানতে চাই।
১ দিন আগে
মহররম মাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় দিন আশুরা। ইসলামে এ দিনের ইবাদতের তাৎপর্য অনেক। বছরের বরকতময় এই দিন কোরআন তিলাওয়াত, তওবা-ইস্তিগফার, জিকির-আসকার, নফল নামাজ, তসবিহ-তাহলিল, দরুদ পাঠ ও দান-সদকার মাধ্যমে অতিবাহিত করা উত্তম।
১ দিন আগে