
নিজের শক্তি, ক্ষমতা কিংবা সামাজিক দাপটের কারণে কোনো মানুষ হিদায়েত লাভ করতে পারে না। হিদায়েত সম্পূর্ণ আল্লাহ তাআলার হাতে। তিনি নিজ অনুগ্রহে যাকে ইচ্ছা হিদায়েত দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা স্বীয় ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পথভ্রষ্ট করেন।

মানুষ সব সময় নিজের ঘরে বসে থাকতে পারে না। জীবন-জীবিকার তাগিদে সবাইকেই ঘর ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। জীবনের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়ার মতো সাধারণ কাজটিকেও ইসলাম ইবাদতে রূপান্তরিত করেছে কিছু সুন্দর দোয়া ও আদবের মাধ্যমে।

সানা আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো প্রশংসা বা স্তুতি। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, নামাজের শুরুতে আল্লাহর গুণগান গাওয়ার যে বিশেষ দোয়া আছে, তাকে সানা বলা হয়। সানা পাঠ করা সুন্নতে মুআক্কাদা। একাকী নামাজ আদায়কারী হোক বা জামাতে—ইমাম ও মুক্তাদি সবার জন্যই সানা পড়া সুন্নত।

নামাজ মহান আল্লাহর জিকির ও প্রশংসার এক অনন্য সংমিশ্রণ। নামাজের প্রতিটি রুকনে যেমন তাসবিহ ও দোয়া রয়েছে, তেমনি দুই সিজদার মাঝখানের সংক্ষিপ্ত বৈঠকেও রাসুলুল্লাহ (সা.) বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন। তবে সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়—এই দোয়া পাঠ করার বিধান বা হুকুম আসলে কী?