সুরা কাফিরুন কোরআনের ৩০তম পারায় অবস্থিত। সুরাটি মক্কায় নাজিল হয়েছে, তাই এটি মাক্কি সুরা হিসেবে পরিচিত। ফজিলতের দিক থেকে এ সুরা পাঠ করলে কোরআনের এক-চতুর্থাংশ তিলাওয়াতের সমান সওয়াব পাওয়া যায়।

সুরা কাফিরুন (سورة الكافرون) পবিত্র কোরআনের ১০৯তম সুরা। মক্কায় অবতীর্ণ ছয় আয়াতের এই সুরা ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। এটি কাফেরদের অনৈতিক আপসের প্রস্তাবের জবাবে নাজিল হয়েছিল এবং মুমিনদের শিরকমুক্ত আকিদার শিক্ষা দেয়।
| আরবি | উচ্চারণ | অনুবাদ |
|---|---|---|
| قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ | কুল ইয়া আইয়ুহাল কা-ফিরুন। | ১. বলুন, হে কাফেরকুল! |
| لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ | লা আবুদু মা তাবুদুন। | ২. আমি ইবাদত করি না, তোমরা যার উপাসনা করো। |
| وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ | ওয়ালা আনতুম আ-বিদুনা মা আবুদ। | ৩. এবং তোমরাও ইবাদতকারী নও, যার ইবাদত আমি করি। |
| وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ | ওয়ালা আনা আ-বিদুম মা আবাত্তুম। | ৪. এবং আমি ইবাদতকারী নই, যার উপাসনা তোমরা করে আসছ। |
| وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ | ওয়ালা আনতুম আ-বিদুনা মা আবুদ। | ৫. এবং তোমরাও ইবাদতকারী নও, যার ইবাদত আমি করি। |
| لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ | লাকুম দি-নুকুম ওয়ালিয়া দি-ন। | ৬. তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমার ধর্ম আমার জন্য। |
মক্কার কুরাইশ নেতারা যখন দেখলেন, ইসলামের অগ্রযাত্রা থামানো যাচ্ছে না, তখন তাঁরা নবীজি (সা.)-কে এক অদ্ভুত প্রস্তাব দেন। তাঁরা বলেন, ‘এক বছর আমরা সবাই মিলে আপনার আল্লাহর ইবাদত করব এবং পরের বছর আপনি আমাদের দেব-দেবীর উপাসনা করবেন।’
এই অনৈতিক প্রস্তাবের জবাবে আল্লাহ তাআলা সুরা কাফিরুন নাজিল করে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, সত্য ও মিথ্যার মধ্যে কোনো আপস হতে পারে না। এটি মুমিনদের আত্মমর্যাদা ও আদর্শিক দৃঢ়তার এক অকাট্য দলিল।
সুরা কাফিরুন আমাদের শেখায় যে, নিজের আকিদা ও বিশ্বাসের ব্যাপারে কখনোই আপস করা যাবে না। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে এবং সুন্নত নামাজে এই সুরা পাঠ করার মাধ্যমে আমরা শিরক থেকে বাঁচতে পারি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে চলছে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত মেলার বিভিন্ন বইয়ে ১০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা, অবহেলা, ঘুম কিংবা ভুলেই—যে কারণেই হোক না কেন, নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ আদায় করতে না পারলে পরবর্তী সময় তা আদায় করা ইসলামি শরিয়তে আবশ্যক। অতীতে কাজা হয়ে যাওয়া বহু ওয়াক্তের ফোটানো বা ছুটে যাওয়া নামাজ আদায় করার এই বিশেষ প্রয়াসকে ইসলামি পরিভাষায় ‘উমরি কাজা’ বলা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
গভীর রাতে অপছন্দনীয় কোনো স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে সুন্নাহ অনুযায়ী কিছু আমল করলে দ্রুতই মনের ভয় কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত থাকা সম্ভব হয়। দুঃস্বপ্ন দেখলে ৫টি করণীয় হলো...
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৯ ঘণ্টা আগে