পবিত্র কোরআনের ১১১তম সুরা হলো সুরা লাহাব (سورة اﻟﻠﻬﺐ)। ৫ আয়াতবিশিষ্ট সুরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। চরম শত্রুতা এবং ইসলামের বিরোধিতার কারণে যে আবু লাহাবের শোচনীয় পরিণতি হয়েছিল, এই সুরায় মূলত সেটি বর্ণিত হয়েছে। একে সুরা মাসাদ নামেও অভিহিত করা হয়।

| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| সুরা নম্বর | ১১১ |
| অবস্থান | ৩০তম পারা |
| আয়াত সংখ্যা | ৫টি |
| রুকু সংখ্যা | ১টি |
| অবতরণ | মক্কা (মাক্কি সুরা) |
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
(পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি)
১. تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ
উচ্চারণ: তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাবিউঁ ওয়াতাব্বা।
অর্থ: আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে।
২. مَا أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ
উচ্চারণ: মা আগনা আনহু মা-লুহু ওয়া মা কাসাব।
অর্থ: তার ধনসম্পদ ও যা কিছু সে উপার্জন করেছে, তা তার কোনো কাজে আসেনি।
৩. سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ
উচ্চারণ: সাইয়াসলা না-রান জা-তা লাহাব।
অর্থ: সত্বর সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে।
৪. وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ
উচ্চারণ: ওয়ামরাআতুহু, হাম্মা-লাতাল হাতাব।
অর্থ: এবং তার স্ত্রীও, যে ইন্ধন (খড়ি) বহনকারিণী।
৫. فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ
উচ্চারণ: ফি জিদিহা হাবলুম মিম মাসাদ।
অর্থ: তার গলদেশে খেজুরের আঁশের পাকানো রশি।
যখন আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে নির্দেশ দিলেন—‘আর আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দের সতর্ক করুন’ (সুরা শুআরা: ২১৪), তখন নবীজি (সা.) সাফা পর্বতে আরোহণ করে কুরাইশদের ডাক দিলেন। তিনি যখন তাদের আল্লাহর একত্ববাদ ও পরকালের ভয় দেখালেন, তখন তাঁর চাচা আবু লাহাব অত্যন্ত উদ্ধতভাবে বলে উঠল—‘ধ্বংস হও তুমি! এ জন্যই কি আমাদের ডেকেছ?’ এই ধৃষ্টতার জবাবে আল্লাহ তাআলা সরাসরি সুরা লাহাব নাজিল করেন।
সুরা লাহাব কেবল আবু লাহাবের ধ্বংসের কাহিনি নয়, বরং এটি কিয়ামত পর্যন্ত আসা প্রত্যেক ইসলামবিরোধীর জন্য একটি সতর্কবার্তা।

সুরা কাফিরুন কোরআনের ৩০তম পারায় অবস্থিত। সুরাটি মক্কায় নাজিল হয়েছে, তাই এটি মাক্কি সুরা হিসেবে পরিচিত। ফজিলতের দিক থেকে এ সুরা পাঠ করলে কোরআনের এক-চতুর্থাংশ তিলাওয়াতের সমান সওয়াব পাওয়া যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
সুরা নাসর (سورة النصر) পবিত্র কোরআনের ১১০ তম সুরা। এটি পবিত্র মদিনায় অবতীর্ণ হওয়া সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ সুরা। মাত্র ৩টি আয়াতের এই ছোট সুরাটিতে ইসলামি মিশনের পূর্ণতা এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইহকাল ত্যাগের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। একে ‘সুরা তাওদি’ বা বিদায়ের সুরা নামেও অভিহিত করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ইসলামি শরিয়তে সহবাসের পর গোসল করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা—যেমন: এক ঘণ্টা বা দুই ঘণ্টা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি। তবে নিয়ম হলো, পরবর্তী ওয়াক্তের নামাজ কাজা হওয়ার আগেই গোসল করে পবিত্র হওয়া ফরজ। নবী করিম (সা.) এবং সালফে সালেহিনের আমল অনুযায়ী, যত দ্রুত সম্ভব ফরজ গোসল করে নেওয়াটাই সুন্নাহ...
১১ ঘণ্টা আগে
পাপের প্রতি ঝোঁক মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিগতভাবেই মানুষের অন্তরে পাপকাজের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি করেছেন। মানুষ ভুল করে, গোনাহে জড়িয়ে পড়ে, এটিই মানবিক বাস্তবতা। কিন্তু মানুষের এই দুর্বলতার পাশাপাশি আল্লাহ তাআলা নিজের পরিচয় দিয়েছেন অসীম দয়ালু ও পরম ক্ষমাশীল হিসেবে।
১১ ঘণ্টা আগে