
কৃষক কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, ইউনিয়নভিত্তিক ব্লকে কাজ করে প্রকৃত কৃষকদের তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই দেশের কৃষকেরা এই কার্ড পাবেন।

প্রথম দফায় যেসব ইউনিয়ন কৃষিকার্ডের আওতায় আসছে, সেগুলো হলো রূপসা উপজেলার নৈহাটি, বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর, দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট, ফুলতলা উপজেলার সদর, ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া, তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ...

কৃষক কার্ডে যুক্ত হচ্ছে কিউআর কোড। কার্ডধারী কৃষকদের শনাক্ত করতে ও তাঁদের সরকারি সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে কার্ডে কিউআর কোড যুক্ত হচ্ছে। ফলে কার্ড স্ক্যান করলেই কার্ডধারী কৃষককে সহজে শনাক্ত করা যাবে।

জয়পুরহাটের কালাইয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী বলেছেন, একটি চক্র সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। কৃষি, বিদ্যুৎ ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি।