নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি এখন শুধুই আর দুই ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বল গড়িয়েছে রাষ্ট্রের কোর্টে। বাংলাদেশ সরকারের অন্তত তিনজন উপদেষ্টা এ বিষয়ে গত দুই দিনে এ নিয়ে কথা বলেছেন। ক্রীড়া উপদেষ্টার নির্দেশে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গতকাল আইসিসিকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরাপত্তার কারণে ভারতে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলবে না। তাদের সব ম্যাচ যেন সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হয়।
কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের চাপে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে গত পরশু আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে দেয় মোস্তাফিজকে। কলকাতা তাঁকে সর্বশেষ আইপিএল নিলাম থেকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কিনেছিল। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে আইপিএলে এটাই সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক। সেই মোস্তাফিজকে কলকাতা ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। পরশু প্রায় মধ্যরাতে আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নিজের ফেসবুক পেজে জানিয়েছেন, তিনি বিসিবিকে নির্দেশ দিয়েছেন ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলতে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আইপিএলের ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধেও অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টাকে।
গতকাল তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান তাঁর অনুরোধে সাড়া দিয়ে বলেছেন, ‘চুপ করে বসে থাকার উপায় নেই। একটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে হচ্ছে।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘খেলাকে যদি খেলার জায়গায় আমরা রাখতে পারতাম, খুবই ভালো হতো; কিন্তু দুর্ভাগ্য, খেলাটার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা হয়েছে।’
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরশু রাতে জরুরি বৈঠকে বসেছিল বিসিবি। কাল সকালে আরেক দফা বৈঠক হয়েছে বিসিবির নীতিনির্ধারকদের। সেখানেই তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার। সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, বর্তমান পরিস্থিতির পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন, ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান শঙ্কা ও বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ বিবেচনা করে পরিচালনা পর্ষদ (বিসিবির) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় দল টুর্নামেন্ট খেলতে ভারত সফর করবে না। এ সিদ্ধান্তের আলোকে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) ইভেন্ট কর্তৃপক্ষ হিসেবে অনুরোধ করেছে যেন বাংলাদেশের সব ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে অন্য কোনো ভেন্যুতে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল গতকাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কারও ব্যক্তিগত বিষয় নেই। তারা যদি আমাদের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাও দেয়, বিশ্বকাপে তো আমাদের আরও অনেকে যাবে। অফিশিয়াল, সাংবাদিক, পৃষ্ঠপোষক, পরিবার, সাধারণ দর্শক—সবারই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’
বিসিবির চিঠির পর ভারতীয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ’ জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসির মনোভাব ইতিবাচক। এক বা দুই দিনের মধ্যেই আসতে পারে সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় চলে গেলে বিপাকে পড়বে সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বাধীন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনস অব বেঙ্গল (সিএবি)। সিএবি এবার কলকাতায় যে নিশ্চিত ছয়টি ম্যাচ (সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে পরে) আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে, এর মধ্যে তিনটিই বাংলাদেশের। এমনকি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে সুপার এইটে উঠতে পারলে কলকাতায় ভারতের বিপক্ষেও খেলার সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশের। সে হিসাবে কলকাতার ছয়টি ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই বাংলাদেশের থাকার সুযোগ। ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক দিয়ে কলকাতা বাংলাদেশের খুব কাছে হওয়ায় সেখানে অনেক দর্শকের যাওয়ারও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল (ভিসাপ্রাপ্তি সাপেক্ষে)।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের শীতলতম সম্পর্কের জেরে এমন এক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, তাতে ঝুলে গেছে কলকাতায় বাঙালির ক্রিকেট উৎসব। খুঁজে পাওয়া কঠিন হচ্ছে খেলার প্রকৃত সৌন্দর্য।

মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি এখন শুধুই আর দুই ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বল গড়িয়েছে রাষ্ট্রের কোর্টে। বাংলাদেশ সরকারের অন্তত তিনজন উপদেষ্টা এ বিষয়ে গত দুই দিনে এ নিয়ে কথা বলেছেন। ক্রীড়া উপদেষ্টার নির্দেশে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গতকাল আইসিসিকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরাপত্তার কারণে ভারতে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলবে না। তাদের সব ম্যাচ যেন সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হয়।
কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের চাপে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে গত পরশু আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে দেয় মোস্তাফিজকে। কলকাতা তাঁকে সর্বশেষ আইপিএল নিলাম থেকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কিনেছিল। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে আইপিএলে এটাই সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক। সেই মোস্তাফিজকে কলকাতা ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। পরশু প্রায় মধ্যরাতে আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নিজের ফেসবুক পেজে জানিয়েছেন, তিনি বিসিবিকে নির্দেশ দিয়েছেন ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলতে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আইপিএলের ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধেও অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টাকে।
গতকাল তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান তাঁর অনুরোধে সাড়া দিয়ে বলেছেন, ‘চুপ করে বসে থাকার উপায় নেই। একটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে হচ্ছে।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘খেলাকে যদি খেলার জায়গায় আমরা রাখতে পারতাম, খুবই ভালো হতো; কিন্তু দুর্ভাগ্য, খেলাটার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা হয়েছে।’
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরশু রাতে জরুরি বৈঠকে বসেছিল বিসিবি। কাল সকালে আরেক দফা বৈঠক হয়েছে বিসিবির নীতিনির্ধারকদের। সেখানেই তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার। সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, বর্তমান পরিস্থিতির পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন, ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান শঙ্কা ও বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ বিবেচনা করে পরিচালনা পর্ষদ (বিসিবির) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় দল টুর্নামেন্ট খেলতে ভারত সফর করবে না। এ সিদ্ধান্তের আলোকে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) ইভেন্ট কর্তৃপক্ষ হিসেবে অনুরোধ করেছে যেন বাংলাদেশের সব ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে অন্য কোনো ভেন্যুতে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল গতকাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কারও ব্যক্তিগত বিষয় নেই। তারা যদি আমাদের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাও দেয়, বিশ্বকাপে তো আমাদের আরও অনেকে যাবে। অফিশিয়াল, সাংবাদিক, পৃষ্ঠপোষক, পরিবার, সাধারণ দর্শক—সবারই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’
বিসিবির চিঠির পর ভারতীয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ’ জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসির মনোভাব ইতিবাচক। এক বা দুই দিনের মধ্যেই আসতে পারে সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় চলে গেলে বিপাকে পড়বে সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বাধীন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনস অব বেঙ্গল (সিএবি)। সিএবি এবার কলকাতায় যে নিশ্চিত ছয়টি ম্যাচ (সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে পরে) আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে, এর মধ্যে তিনটিই বাংলাদেশের। এমনকি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে সুপার এইটে উঠতে পারলে কলকাতায় ভারতের বিপক্ষেও খেলার সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশের। সে হিসাবে কলকাতার ছয়টি ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই বাংলাদেশের থাকার সুযোগ। ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক দিয়ে কলকাতা বাংলাদেশের খুব কাছে হওয়ায় সেখানে অনেক দর্শকের যাওয়ারও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল (ভিসাপ্রাপ্তি সাপেক্ষে)।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের শীতলতম সম্পর্কের জেরে এমন এক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, তাতে ঝুলে গেছে কলকাতায় বাঙালির ক্রিকেট উৎসব। খুঁজে পাওয়া কঠিন হচ্ছে খেলার প্রকৃত সৌন্দর্য।

নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দেখা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এরই মধ্যে ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আইসিসিতে চিঠি দিয়েছে। আজ বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, মোস্তাফিজের
১৯ মিনিট আগে
রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে নেওয়ার পর হঠাৎ কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে দেওয়ায় তোপের মুখে পড়েছে ভারত। ভক্ত-সমর্থকেরা তো বটেই, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) ওপর ক্ষুব্ধ অনেক ক্রিকেটারও। বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে আইপিএল সম্প্রচার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের ম্যাচ সরানোর প্রক্রিয়া শুরুর খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
২ ঘণ্টা আগে
মাত্র ১৪ মাসের মাথায় আবারও কোচ পরিবর্তন করল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রুমেন আমোরিমকে ছাঁটাই করেছে তারা। এমন ঘোষণা অবশ্য আসন্ন ছিল।
২ ঘণ্টা আগে