বার্মিংহামে কমনওয়েলথ গেমসে এসে নিখোঁজ হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই অ্যাথলেট ও একজন কোচ। এদের মধ্যে দুজনকে খুঁজে পাওয়া গেলেও একজন এখনো নিখোঁজ।
গত বুধবার খবর আসে লঙ্কান ভিলেজ থেকে নিখোঁজ হয়েছেন তিন সদস্য। ব্যাপারে গেমসের আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, একজন কুস্তি, একজন জুডোকা ও একজন জুডো কোচ ভিলেজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের এই ‘রহস্যময় অন্তর্ধান’ ঘটনার পরেই কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নেওয়া বাকি লঙ্কান অ্যাথলেট ও কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
ওয়েস্ট মিডল্যান্ড পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘৩০ বছর বয়সী এক নারী এবং ৪০ বছর বয়সী এক পুরুষ নিখোঁজ ছিলেন ১ আগস্ট থেকে। তাঁদের পাওয়া গেছে। ৪ আগস্ট আরও একজন নিখোঁজ হন। ২০ বছর বয়সী সেই পুরুষের খোঁজ চলছে।’ শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৬১ জন খেলোয়াড় এবারের কমনওয়েলথ গেমসে প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছেন । সেই সঙ্গে এসেছেন তাঁদের কোচরা। ১৮০ দিনের ভিসা দেওয়া হয়েছে তাঁদের।
ধারণা করা হচ্ছে, শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক অবস্থার কারণেই তাঁরা এই মুহূর্তে দেশে ফিরতে চাইছেন না। তাই এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। কমনওয়েলথ গেমসে এখন পর্যন্ত তিনটি পদক পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। ডিসকাস থ্রোতে রুপা পেয়েছেন পালিথা বান্দ্রা। ভারোত্তলনে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন ইসুরু কুমারা এবং ১০০ মিটার দৌড়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন ইউপুন আবেকুন।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে