
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে গত পরশু প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হেরে এমনিতেই বেকায়দায় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিততে এখন শেষ দুই ম্যাচ জয়ের কোনো বিকল্প নেই স্বাগতিকদের। একই মাঠে আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে সিরিজে ফেরার ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে রানের রেকর্ড গড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে মিরপুর থেকে চট্টগ্রামে গেলেও সুবিধা করতে পারছে না বাংলাদেশ। স্বাগতিক বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১২ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙল অস্ট্রেলিয়া। চট্টগ্রামে সফরকারীরা করেছে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান, যা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ। এর আগে মিরপুরে ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাসমান পাড়ের দলটির ৩ উইকেটে ১৫৮ রানই ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আজ টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। ঝোড়ো ব্যাটিং করতে থাকা অজিদের প্রথম ধাক্কা দেন নাসুম আহমেদ। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে অস্ট্রেলিয়ার উইকেটরক্ষক ব্যাটার জশ ইংলিসকে (১১) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন নাসুম।
২.৪ ওভারে ১ উইকেটে ৩০ রান তোলা অস্ট্রেলিয়ার রান তোলার গতি এরপর কিছুটা কমে যায়। প্রথম ম্যাচের বিস্ফোরক ব্যাটার কুপার কনোলিকে (১) ফেরান নাহিদ রানা। আর অজি অধিনায়ক মার্শকে (২০) ফিরিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। কনোলি, মার্শ দুজনের উইকেট পতনেই সাইফ হাসানের দুর্দান্ত ক্যাচের অবদান রয়েছে। যেখানে কনোলির ক্যাচ সাইফ ধরেছেন প্রথম স্লিপে। আর মার্শের বেলায় মিড উইকেট থেকে উল্টো দিকে দৌড়ে বল তালুবন্দী করেছেন সাইফ।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা অস্ট্রেলিয়া পাওয়ার প্লে (প্রথম ৬ ওভার) শেষ করেছে ৩ উইকেটে ৪৪ রানে। পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন টিম ডেভিড। তিনি আর ম্যাট রেনশ বাংলাদেশের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালাতে থাকেন। চতুর্থ উইকেটে ৫০ বলে ৯৭ রানের জুটি গড়েন ডেভিড-রেনশ। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের অফস্টাম্পের বাইরের বল তুলে মারতে গিয়ে ডেভিড ডিপ পয়েন্টে তানজিদ হাসান তামিমের তালুবন্দী হয়েছেন। ২৬ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ রান করেছেন ডেভিড।
ছয় নম্বরে নেমে নিখিল চৌধুরীকে (৮) থিতু হওয়ার আগেই এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন নাসুম। দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর হয়ে যায় ১৬ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান। তবু রেনশ তাঁর তাণ্ডব চালিয়ে গেছেন। চার নম্বরে নেমে ৫২ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রান করে অপরাজিত থেকেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। অস্ট্রেলিয়ার ১৯৬ রানের মধ্যে রেনশর ৮৯ রানই ইনিংস সর্বোচ্চ। বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম ৪ ওভারে ২৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন সাকলাইন, রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।

শামীম বলেন, ‘আমি এর আগেও সেখানে খেলেছি। ওখানকার উইকেট অনেক ভালো। আশা করছি, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব। সেখানে গিয়ে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে হবে। লক্ষ্য, অবশ্যই ভালো কিছু করা এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়া। দেখা যাক, কী হয়।’
৬ ঘণ্টা আগে
নতুন মৌসুমের জন্য গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে দলে নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দীর্ঘদিন বসুন্ধরা কিংসে খেলার পর আজ মোহামেডানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন জাতীয় দলের এই গোলরক্ষক। তাঁর সঙ্গে জাতীয় দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাদা-কালোরা।
৮ ঘণ্টা আগে
শেষ পর্যন্ত ৭১ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন স্মিথ। নাথান লায়নকে সঙ্গে নিয়ে রান বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত স্মিথের কোনো টেস্ট সেঞ্চুরি নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
১২ ঘণ্টা আগে