
নতুন মৌসুমের জন্য গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে দলে নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দীর্ঘদিন বসুন্ধরা কিংসে খেলার পর আজ মোহামেডানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন জাতীয় দলের এই গোলরক্ষক। তাঁর সঙ্গে জাতীয় দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাদা-কালোরা।
দল নিবন্ধনের আগে আজ মোহামেডান ক্লাব প্রাঙ্গণে খেলোয়াড়দের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। পরে ঘোড়ার গাড়ি, ব্যান্ড পার্টি ও সমর্থকদের নিয়ে বাফুফেতে গিয়ে খেলোয়াড়দের তালিকা জমা দেয় ক্লাবটি।
মোহামেডানে যোগ দিয়ে জিকো বলেন, ‘আসলে মোহামেডান ক্লাবে এসে খুব ভালো লাগছে। এই ক্লাবে খেলার কথা ছিল আরও অনেক আগে, যখন অনুর্ধ্ব-১৯ এ খেলি। বসুন্ধরায় ছিলাম তাই আসা হয়নি। এবার বাবু (আমিরুল ইসলাম) ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয় শুরু থেকে। প্রথম চুক্তি আমার সঙ্গেই হতো, দুর্ভাগ্য যে আমি প্রথম দিকে সাইন করতে পারিনি।’
বসুন্ধরা কিংস থেকে জিকোর সঙ্গে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রকেও দলে নিয়েছে মোহামেডান। গত মৌসুমে ঢাকা আবাহনীতে খেলা ঘরের ছেলে সুলেমান দিয়াবাতেকেও ফিরিয়েছে তারা। গত মৌসুমের বিদেশি ফুটবলার মোজাফফর মোজাফফরভ থাকছেন।
এবারের দল গঠন নিয়ে মোহামেডানের লক্ষ্য শিরোপা। ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মোহামেডান ঐতিহ্যবাহী দল সব সময় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য খেলে। আমরা এবার ভালো দল গঠনের চেষ্টা করেছি, আশা করি মাঠে ফুটবলাররা সেরাটা দেবে।’
গত কয়েক মৌসুমে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বকেয়া নিয়ে আলোচনায় থাকা মোহামেডান এবার দল গঠনে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছে। ক্লাব সভাপতি বরকতউল্লাহ বুলু এ জন্য ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘ফুটবল দল গঠনে কমিটির চেয়ারম্যানের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। তিনি আর্থিকভাবে সহায়তা না করলে এত বড় মাপের দল গঠন করা কঠিন হতো।’
তবে এখনো প্রধান কোচ চূড়ান্ত হয়নি। উজবেকিস্তান অথবা ডেনমার্ক থেকে কোচ আনার কথা জানিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। অধিনায়কের নামও আজ ঘোষণা করা হয়নি।
মোহামেডানের এবারের স্কোয়াডে চার গোলরক্ষক, ১৪ ডিফেন্ডার, ১৪ মিডফিল্ডার ও পাঁচ ফরোয়ার্ড আছেন। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিদেশি ফুটবলারদের সমন্বয়ে দলটি গড়া হয়েছে।
মোহামেডান স্কোয়াড
গোলরক্ষক: আনিসুর রহমান জিকো, সুজন হোসেন, আহসান হাবিব বিপু ও ইসমাইল হোসেন মাহিন।
ডিফেন্ডার: রহমত মিয়া, সাদ উদ্দিন, শাকিল আহাদ তপু, জাহিদ হাসান শান্ত, ইসমাইল হোসেন, আজিজুল হক অনন্ত, টনি আগাবাজি, রিমন হোসেন, শাহিন আহমেদ, হাফিজুর রহমান বাবু।
মিডফিল্ডার: সোহেল রানা, মিনহাজ আবেদীন বাল্লু, মেহেদী হাসান রয়েল, রহিম উদ্দিন, জুয়েল মিয়া, রাজু আহমেদ, মুজিবুর রহমান জনি, শফিউল হোসেন, আমির হাকিম বাপ্পি, কামাল মৃধা, মেহেদী হাসান, আরিফ হোসেন, মোজাফফর মোজাফফরভ ও শাহরিয়ার ইমন।
ফরোয়ার্ড: সুলেমান দিয়াবাতে, সৌরভ দেওয়ান, ইমানুয়েল সানডে, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও জয় আহমেদ।

শেষ পর্যন্ত ৭১ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন স্মিথ। নাথান লায়নকে সঙ্গে নিয়ে রান বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত স্মিথের কোনো টেস্ট সেঞ্চুরি নেই।
২ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
৬ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৬ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৮ ঘণ্টা আগে