নিজস্ব প্রতিবেদক, কানপুর থেকে

কানপুর টেস্টে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন জানাতে আসা রবিউল ইসলাম রবি ওরফে টাইগার রবি নামে বাংলাদেশি সমর্থককে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে ভারত সরকার। তিনি মূলত চিকিৎসা ভিসা নিয়ে চেন্নাইয়ে এসেছিলেন। তবে চেন্নাইয়ে কোনো চিকিৎসা না নিয়েই কানপুরে এসে বাংলাদেশ বনাম ভারতের দ্বিতীয় টেস্ট দেখতে স্টেডিয়ামে আসেন। স্টেডিয়ামের ভেতর অনুমোদনহীন ব্র্যান্ড প্রচারের অভিযোগ তুলেছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, কানপুর পুলিশ রবিকে হেফাজতে নিয়ে দিল্লি হয়ে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। তাঁর শাস্তি হিসাবে ভিসা বাতিল করে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞাও দিতে পারে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। সূত্র জানায়, রবিকে বর্তমানে কানপুর পুলিশের মাধ্যমে দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কাজ চলছে। আগামীকাল সকাল ১১টায় দিল্লি পুলিশ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এই সমর্থককে ঢাকাগামী এক ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হবে।
সূত্র থেকে আরও জানা যায়, বাংলাদেশি সমর্থক রবি কলকাতায় চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করবেন বলে ভিসার আবেদন করেন। কিন্তু ভিসা পাওয়ার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি চেন্নাইয়ে আসেন। সেখানে ভারতের নিয়ম বহির্ভূতভাবে তাঁর নিজস্ব স্পনসর প্রোমোটের সঙ্গে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন করেন। গ্যালারিতে তাঁর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় প্রশাসন। গতকাল ম্যাচের প্রথম দিন এই বাংলাদেশি সমর্থক মিডিয়া স্ট্যান্ড লাগোয়া গ্যালারির দ্বিতীয় তলায় ভারতীয় সমর্থকদের পক্ষ থেকে মারধরের অভিযোগ এনে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন। পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে হাসপাতালে পাঠায়। এই হামলার খবরে কানপুর পুলিশ বিভাগ নড়েচড়ে বসে। রবির ভারতে আসার কারণ নিয়ে তারা তদন্ত শুরু করে। বাংলাদেশি সমর্থককে যে মারধরের অভিযোগ শোনা গেছে, স্টেডিয়ামে স্থাপিত সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কানপুর পুলিশ তার সত্যতা পায়নি।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রবি মিডিয়া গেট দিয়ে বেরিয়ে হঠাৎই পথে বসে পড়েন। পরক্ষণেই শুয়ে পড়েন। তাঁর এমন কান্ড থেকে আশপাশের পুলিশসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবীরা এগিয়ে এসে কী হয়েছে কারণ জানতে চাইলে তিনি প্রথম দিকে তাকে ভারতীয় দর্শক কর্তৃক মারধরের অভিযোগ করেন।
আরও খবর পড়ুন:

কানপুর টেস্টে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন জানাতে আসা রবিউল ইসলাম রবি ওরফে টাইগার রবি নামে বাংলাদেশি সমর্থককে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে ভারত সরকার। তিনি মূলত চিকিৎসা ভিসা নিয়ে চেন্নাইয়ে এসেছিলেন। তবে চেন্নাইয়ে কোনো চিকিৎসা না নিয়েই কানপুরে এসে বাংলাদেশ বনাম ভারতের দ্বিতীয় টেস্ট দেখতে স্টেডিয়ামে আসেন। স্টেডিয়ামের ভেতর অনুমোদনহীন ব্র্যান্ড প্রচারের অভিযোগ তুলেছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, কানপুর পুলিশ রবিকে হেফাজতে নিয়ে দিল্লি হয়ে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। তাঁর শাস্তি হিসাবে ভিসা বাতিল করে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞাও দিতে পারে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। সূত্র জানায়, রবিকে বর্তমানে কানপুর পুলিশের মাধ্যমে দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কাজ চলছে। আগামীকাল সকাল ১১টায় দিল্লি পুলিশ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এই সমর্থককে ঢাকাগামী এক ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হবে।
সূত্র থেকে আরও জানা যায়, বাংলাদেশি সমর্থক রবি কলকাতায় চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করবেন বলে ভিসার আবেদন করেন। কিন্তু ভিসা পাওয়ার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি চেন্নাইয়ে আসেন। সেখানে ভারতের নিয়ম বহির্ভূতভাবে তাঁর নিজস্ব স্পনসর প্রোমোটের সঙ্গে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন করেন। গ্যালারিতে তাঁর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় প্রশাসন। গতকাল ম্যাচের প্রথম দিন এই বাংলাদেশি সমর্থক মিডিয়া স্ট্যান্ড লাগোয়া গ্যালারির দ্বিতীয় তলায় ভারতীয় সমর্থকদের পক্ষ থেকে মারধরের অভিযোগ এনে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন। পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে হাসপাতালে পাঠায়। এই হামলার খবরে কানপুর পুলিশ বিভাগ নড়েচড়ে বসে। রবির ভারতে আসার কারণ নিয়ে তারা তদন্ত শুরু করে। বাংলাদেশি সমর্থককে যে মারধরের অভিযোগ শোনা গেছে, স্টেডিয়ামে স্থাপিত সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কানপুর পুলিশ তার সত্যতা পায়নি।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রবি মিডিয়া গেট দিয়ে বেরিয়ে হঠাৎই পথে বসে পড়েন। পরক্ষণেই শুয়ে পড়েন। তাঁর এমন কান্ড থেকে আশপাশের পুলিশসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবীরা এগিয়ে এসে কী হয়েছে কারণ জানতে চাইলে তিনি প্রথম দিকে তাকে ভারতীয় দর্শক কর্তৃক মারধরের অভিযোগ করেন।
আরও খবর পড়ুন:

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
৭ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৩ ঘণ্টা আগে