
রাজধানীর দিয়াবাড়িতে কাগজপত্র ও হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোই যেন স্টাইলে পরিণত হয়েছে। এমতাবস্থায় রাজধানীর তুরাগের দিয়াবাড়িতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৩টি মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারকে ৫০ হাজার টাকার মামলা দেওয়া হয়েছে।
তুরাগের দিয়াবাড়ির উত্তরা মেট্রোরেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় আজ শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে দিয়াবাড়ি আর্মি ক্যাম্পের মেজর নওশাদ, মেজর জাহিদ, ট্রাফিক পুলিশের টিআই (ট্রাফিক ইন্সপেক্টর) মো. শহিদুল ইসলাম, সার্জেন্ট মাহমুল হাসান, আর এ রোকন, তুরাগ থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) লাল মিয়াসহ শতাধিক সেনাবাহিনী ও পুলিশ কর্মকর্তা-সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে দেখা যায়, অধিকাংশ মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও হেলমেট ছিল না। অভিযানে অংশ নেওয়া সেনা সদস্যরা জানিয়েছেন, শতাধিক মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কোনো কাগজপত্র ও হেলমেট ছিল না। পরে যেসব চালকদের কাগজ ছিল না, সেসব মোটরসাইকেল আটক করে বাসা থেকে কাগজপত্র নিয়ে আসিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আক্ষেপ প্রকাশ করে সেনাসদস্যরা বলেন, ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর কাগজপত্র ও হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোই যেন স্টাইলে পরিণত হয়েছে। তাই আমরা সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করছি। আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
দিয়াবাড়ির ট্রাফিক পুলিশের টিআই মো. শহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যৌথ অভিযানে ২৬টি মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের বিরুদ্ধে মামলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি প্রাইভেটকার ও ২৩টি মোটরসাইকেল ছিল। এ ছাড়া কাগজপত্র না থাকায় দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।’

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঝড়ের তীব্রতা বাড়লে মকলেছুর রহমান বাড়ির টিনের চাল সামাল দিতে সেখানে উঠেছিলেন। এ সময় প্রচণ্ড বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৭ মিনিট আগে
ডিজেল-সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বোরো ধান উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়া এবং খোলাবাজারে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে। এতে আর্থিক চাপের পাশাপাশি ফলন নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
মধুপুর ইউনিয়নের রাজরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সামছুল হক বলেন, ‘আগে এই অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ভাড়া লাগত ৭৫০ টাকা। এখন এটি নষ্ট থাকায় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেতে হয়। সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আবার ভাড়াও দিতে হয় দ্বিগুণ।’
১ ঘণ্টা আগে
রাবেয়া বেগম জানান, সহায়তার আশায় তিনি অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। একসময় এলাকার প্রভাবশালী নেতাদের বাড়িতেও গিয়েছেন, কিন্তু সেখান থেকেও কোনো সহযোগিতা পাননি।
২ ঘণ্টা আগে