
ব্রিসবেনের এই বিকেল ভোলার নয় তাঁদের। ব্রিসবেন ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়েই কিছু দর্শক চিৎকার করতে থাকলেন, ‘আমাদের আজ ডাবল আনন্দ। কারণ, আমরা দুবার জিতেছি!’
শেষ বলের ওই নাটকীয়তায় বাংলাদেশের জয়ের আনন্দ হয়েছে দুবার। মোসাদ্দেক হোসেনের শেষ বলে জিম্বাবুয়ের দরকার ছিল ৫ রান। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে মারতে গিয়ে বল মিস করেন ব্লেসিং মুজারাবানি, তাঁকে স্টাম্পড করে দেন নুরুল হাসান সোহান। ব্যস, পুরো গ্যাবা তখন উৎসবের মঞ্চ। ৪ রানের জয়ে ততক্ষণে দুই দলের খেলোয়াড়েরা আনুষ্ঠানিকতা শেষে চলে এসেছিলেন ডাগআউটে। দর্শক বেরিয়ে যাচ্ছিলেন গ্যালারি ছেড়ে। নাটকের নতুন শুরু এর পরই। টিভি আম্পায়ার আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে মুজারাবানির স্টাম্পিং দেখছিলেন। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, সোহান বল ধরেছেন স্টাম্পের সামনে থেকে! নিয়ম অনুযায়ী নো বল ডাকেন আম্পায়ার।
নো বল থেকে পাওয়া ফ্রি-হিট পেয়েও জিম্বাবুয়ে অবশ্য ম্যাচ জিততে পারেনি। ব্রিসবেনে খেলা দেখতে এসেছিলেন সিডনিপ্রবাসী চার চিকিৎসক বন্ধু শামীম, পলাশ, মতি ও শিল্পী। চিকিৎসক হয়েও হৃদযন্ত্রের চাপ সামলাতে হিমশিমই খেতে হয়েছে তাঁদের। চিকিৎসক শিল্পী সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘আমার তো হার্টবিট ১১০–১২০ উঠে গেয়েছিল! তবে শেষ পর্যন্ত জেতায় আমরা অনেক খুশি।’
৪২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ব্রিসবেন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ উপস্থিত ছিল প্রায় সাড়ে ৫ হাজার দর্শক। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সংখ্যাটা যদিও বেশি নয়। তবে ৯০ শতাংশ দর্শকই যে বাংলাদেশের, না বললেও চলছে। খেলা দেখতে এসেছিলেন বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনসহ বিসিবির শীর্ষ কর্তারাও। ম্যাচ শেষে পাপন সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘এ রকম যদি হয়, কত দর্শকের যে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে, সেটা ঠিক নেই!’
টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সম্পর্কিত খবর:

নতুন মৌসুমের জন্য গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে দলে নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দীর্ঘদিন বসুন্ধরা কিংসে খেলার পর আজ মোহামেডানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন জাতীয় দলের এই গোলরক্ষক। তাঁর সঙ্গে জাতীয় দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাদা-কালোরা।
৩২ মিনিট আগে
শেষ পর্যন্ত ৭১ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন স্মিথ। নাথান লায়নকে সঙ্গে নিয়ে রান বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত স্মিথের কোনো টেস্ট সেঞ্চুরি নেই।
১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
৫ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৫ ঘণ্টা আগে