সম্পাদকীয়

খ্রিষ্টীয় বছরের প্রথম দিনে স্কুলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যায় নতুন বই। সারা দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর বিনা মূল্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রণীত বই বিতরণ করে। বইগুলো যে বিনা মূল্যেই বিতরণ করা হয়, এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ থাকার কথা নয়। তবু যদি কোনো স্কুল কর্তৃপক্ষ বইয়ের বিনিময়ে নামমাত্র হলেও অর্থ নিয়ে থাকে, তাহলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ।
৩ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যার বিষয়বস্তু এমনই। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবুজ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন পাঠ্যবই বিতরণে তথাকথিত বিবিধ খরচের নামে অর্থ আদায় করেছেন। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে বাউফলের ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিভাবকেরা বলেছেন, বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হলেও বই দেওয়ার আগে প্রধান শিক্ষক সবুজ খান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। যারা সেদিন টাকা দিতে পারেনি, তাদের বই দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এই টাকা বইয়ের জন্য নয়, বরং বিবিধ খরচের জন্য বলে অভিভাবকদের শান্ত করেছেন সবুজ খান। কিন্তু এই বিবিধ খরচ কিংবা একাধিক অভিভাবকের অভিযোগের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি। বরং ঘটনাটিকে অভিহিত করেছেন ‘ব্যক্তিগত কারণ’ বলে। তাহলে কি ধরে নিতে হবে, একাধিক অভিভাবকের সঙ্গে নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ‘ব্যক্তিগত কারণ’ বা ‘ব্যক্তিগত বিরোধ’ রয়েছে? কেন একজন শিক্ষকের সঙ্গে অভিভাবকদের ‘বিরোধ’ হয়, তা কিন্তু দুশ্চিন্তার বিষয়। অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করতে না পারলে শিক্ষার্থীরাও হয়তো কাউকে শিক্ষক হিসেবে মেনে নিতে না-ও পারে। এমন হলে ব্যাপারটি হবে খুবই দুঃখজনক।
যাহোক, ট্র্যাকে ফিরে বলতে হয় পাঠ্যপুস্তক বিতরণের কথা। এনসিটিবির নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে বই বিতরণ করতে হবে। কেউ যদি এসব বই বিক্রি করে, তাহলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রায় সময়ই এমন অপরাধের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। স্কুলে পাওয়া না গেলেও অনেক লাইব্রেরিতে অর্থের বিনিময়ে পাঠ্যপুস্তক পাওয়া যায়।
অনেক সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বই সরবরাহ করতে হিমশিম খায় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু লাইব্রেরিতে চড়া দামে অহরহ বই পাওয়া যায় বলে অভিযোগ আছে। আসল বইয়ের পিডিএফ প্রিন্ট করে বই আকারে তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করে কালোবাজারিরা। তাদের দিকেও যে মনোযোগ ব্যয় করতে হবে, তা নিশ্চয়ই সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে মনে করিয়ে দিতে হবে না। তবে কালোবাজারি কিংবা অসৎ স্কুল কর্তৃপক্ষকে মনে করিয়ে দিতে হয়—পাঠ্যপুস্তকের অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে প্রণীত নোটবুক আইনে বলা আছে, পাঠ্যপুস্তক বিক্রি করলে অপরাধী ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

খ্রিষ্টীয় বছরের প্রথম দিনে স্কুলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যায় নতুন বই। সারা দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর বিনা মূল্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রণীত বই বিতরণ করে। বইগুলো যে বিনা মূল্যেই বিতরণ করা হয়, এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ থাকার কথা নয়। তবু যদি কোনো স্কুল কর্তৃপক্ষ বইয়ের বিনিময়ে নামমাত্র হলেও অর্থ নিয়ে থাকে, তাহলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ।
৩ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যার বিষয়বস্তু এমনই। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবুজ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন পাঠ্যবই বিতরণে তথাকথিত বিবিধ খরচের নামে অর্থ আদায় করেছেন। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে বাউফলের ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিভাবকেরা বলেছেন, বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হলেও বই দেওয়ার আগে প্রধান শিক্ষক সবুজ খান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। যারা সেদিন টাকা দিতে পারেনি, তাদের বই দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এই টাকা বইয়ের জন্য নয়, বরং বিবিধ খরচের জন্য বলে অভিভাবকদের শান্ত করেছেন সবুজ খান। কিন্তু এই বিবিধ খরচ কিংবা একাধিক অভিভাবকের অভিযোগের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি। বরং ঘটনাটিকে অভিহিত করেছেন ‘ব্যক্তিগত কারণ’ বলে। তাহলে কি ধরে নিতে হবে, একাধিক অভিভাবকের সঙ্গে নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ‘ব্যক্তিগত কারণ’ বা ‘ব্যক্তিগত বিরোধ’ রয়েছে? কেন একজন শিক্ষকের সঙ্গে অভিভাবকদের ‘বিরোধ’ হয়, তা কিন্তু দুশ্চিন্তার বিষয়। অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করতে না পারলে শিক্ষার্থীরাও হয়তো কাউকে শিক্ষক হিসেবে মেনে নিতে না-ও পারে। এমন হলে ব্যাপারটি হবে খুবই দুঃখজনক।
যাহোক, ট্র্যাকে ফিরে বলতে হয় পাঠ্যপুস্তক বিতরণের কথা। এনসিটিবির নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে বই বিতরণ করতে হবে। কেউ যদি এসব বই বিক্রি করে, তাহলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রায় সময়ই এমন অপরাধের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। স্কুলে পাওয়া না গেলেও অনেক লাইব্রেরিতে অর্থের বিনিময়ে পাঠ্যপুস্তক পাওয়া যায়।
অনেক সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বই সরবরাহ করতে হিমশিম খায় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু লাইব্রেরিতে চড়া দামে অহরহ বই পাওয়া যায় বলে অভিযোগ আছে। আসল বইয়ের পিডিএফ প্রিন্ট করে বই আকারে তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করে কালোবাজারিরা। তাদের দিকেও যে মনোযোগ ব্যয় করতে হবে, তা নিশ্চয়ই সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে মনে করিয়ে দিতে হবে না। তবে কালোবাজারি কিংবা অসৎ স্কুল কর্তৃপক্ষকে মনে করিয়ে দিতে হয়—পাঠ্যপুস্তকের অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে প্রণীত নোটবুক আইনে বলা আছে, পাঠ্যপুস্তক বিক্রি করলে অপরাধী ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

ভেনেজুয়েলা এখন কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। খ্রিষ্টীয় নববর্ষের আমেজ না কাটতেই মার্কিন আক্রমণে ভেনেজুয়েলা আক্রান্ত হলো, দেশটির প্রেসিডেন্ট ও তাঁর সহধর্মিণী বন্দী অবস্থায় দেশত্যাগে বাধ্য হলেন।
৩ মিনিট আগে
তুহিন খান একজন লেখক ও রাজনীতি বিশ্লেষক। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির জোট গঠনের ব্যাপারে তিনি বিরোধিতা করেছেন।
১ দিন আগে
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসনুর রহমানের সরকারি আবাসের আঙিনায় একটি মা কুকুর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে আটটি ছানার জন্ম দেয়। সেই ছানাগুলোকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছেন হাসনুরের স্ত্রী।
১ দিন আগে
নানা অস্থিরতার মধ্যেও দেশজুড়ে বইছে ভোটের হাওয়া। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচন কিছুটা ব্যতিক্রমী। দেশের ইতিহাসে এটিই হবে প্রথম নির্বাচন, যেখানে ভোটাররা এক ব্যালটে তাঁদের পছন্দের সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন...
১ দিন আগে