ইতিহাসের একটি শিক্ষা হলো, কোনো রাষ্ট্র কেবল শক্তির জোরে টিকে থাকে না; টিকে থাকে জনগণের সম্মতিতে। পাকিস্তানের সামনে আজ সেই কঠিন পরীক্ষাই দাঁড়িয়ে আছে। বেলুচিস্তানের আগুন শেষ পর্যন্ত নিভবে, নাকি আরও ছড়িয়ে পড়বে, তার উত্তর নির্ভর করবে যুদ্ধক্ষেত্রের নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রজ্ঞার ওপর।

বেলুচিস্তান কিংবা পাকিস্তানের প্রসঙ্গ এলেই ইতিহাস যেন আমাদের অজান্তেই ৫৫ বছর পেছনে টেনে নিয়ে যায়। আর যখন বেলুচিস্তানে সামরিক অভিযান, বিদ্রোহ ও গণ-অসন্তোষের খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়, তখন ১৯৭১ সালের স্মৃতি অনিবার্যভাবেই ফিরে আসে। কারণ, এই বেলুচিস্তানেরই সামরিক গভর্নর ছিলেন টিক্কা খান, যিনি পরে পূর্ব পাকিস্তানে এসে ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নেতৃত্ব দিয়ে ইতিহাসে ‘বুচার অব বেঙ্গল’ নামে কুখ্যাত হন। তাঁর নেতৃত্বেই শুরু হয়েছিল গণহত্যা, যার পরিণতিতে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ।
ইতিহাস অবশ্য কখনো হুবহু পুনরাবৃত্তি হয় না। কিন্তু ইতিহাসের কিছু সতর্কবার্তা বারবার ফিরে আসে। সেই কারণেই আজ প্রশ্ন উঠছে, বেলুচিস্তানে যা ঘটছে, তা কি পাকিস্তানের জন্য আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় সংকটের সূচনা? পাকিস্তান কি সত্যিই ভাঙনের দিকে এগোচ্ছে, নাকি এটি এমন এক বিদ্রোহ, যা সামরিক শক্তি দিয়ে দমন করা সম্ভব হলেও রাজনৈতিকভাবে শেষ করা যাবে না?
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এই প্রশ্নকে আরও জোরালো করেছে। মাসতুং এলাকায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর বহরে বড় ধরনের হামলার দায় স্বীকার করেছে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সংগঠনটির দাবি, এতে অন্তত ৪৫ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। স্বাধীনভাবে সংখ্যাটি যাচাই করা সম্ভব হয়নি, কিন্তু এটুকু স্পষ্ট, বেলুচিস্তানে বিদ্রোহীদের সামরিক সক্ষমতা এবং আক্রমণের পরিধি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে।
এর আগে জুলাইয়ের শুরুতে জিয়ারত জেলার মাঙ্গি ড্যাম এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টে হামলা, নিরাপত্তা সদস্যদের অপহরণ ও হত্যাসহ একাধিক সমন্বিত আক্রমণ পাকিস্তানের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে বড় ধাক্কা দেয়। কোয়েটা, লাসবিলা ও অন্যান্য এলাকাতেও ধারাবাহিক হামলা ঘটে। এসব ঘটনার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী ফ্রন্টিয়ার কোর, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিমানবাহিনীকে নিয়ে শুরু করে ‘অপারেশন শাবান’। ইসলামাবাদের দাবি, অভিযানে শতাধিক বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করছে, এই অভিযানের আড়ালে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম এবং নির্বিচার গ্রেপ্তারের ঘটনাও বেড়েছে। ফলে সামরিক অভিযান যেমন জোরদার হয়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের ক্ষোভও আরও গভীর হয়েছে।
এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে আরেকটি নাটকীয় দাবি, ‘রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান’ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছে এবং প্রদেশটির ৮৫ শতাংশ এলাকা বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে। নতুন জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, মুদ্রা, এমনকি পৃথক প্রশাসনিক কাঠামোর দাবিও করা হয়েছে। যদিও ডন, পিটিআই, রয়টার্স, বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রতিবেদন এখনো লক্ষ করা যায়নি। বাস্তবতা হলো, বিএলএ ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী সড়ক অবরোধ, হামলা কিংবা অস্থায়ীভাবে কিছু এলাকা অচল করে দিতে পারলেও কোয়েটাসহ প্রধান শহর কিংবা প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ এখনো পাকিস্তান সরকারের হাতেই রয়েছে। ফলে ‘পাকিস্তান এখনই ভেঙে যাচ্ছে’—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো তথ্যভিত্তিক নয়।
তবে এটাও সত্য, আজকের বেলুচিস্তান আর কেবল একটি বিচ্ছিন্ন নিরাপত্তাসংকট নয়; এটি পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বৈধতা ও শাসনক্ষমতার বড় পরীক্ষা। প্রায় দুই দশক ধরে সামরিক অভিযান চালিয়েও ইসলামাবাদ বিদ্রোহ দমন করতে পারেনি। বরং প্রতিটি অভিযানের পর নতুন প্রজন্মের মধ্যে ক্ষোভ আরও বিস্তৃত হয়েছে।
বেলুচিস্তানের সংকটের শিকড় মূলত নিরাপত্তায় নয়; তার গভীরে রয়েছে রাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রীয় বঞ্চনার দীর্ঘ ইতিহাস। পাকিস্তানের আয়তনের প্রায় ৪৪ শতাংশজুড়ে বিস্তৃত এই প্রদেশই দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদের অন্যতম ভান্ডার। বিশাল গ্যাসক্ষেত্র, স্বর্ণ, তামা, কয়লা ও অন্যান্য মূল্যবান খনিজের বিপুল মজুত রয়েছে এখানেই। কিন্তু এক নির্মম বৈপরীত্য হলো—যে ভূমি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে জ্বালানি জোগায়, সেই ভূখণ্ডের মানুষই রয়ে গেছে উন্নয়নের সূচকে সবচেয়ে পিছিয়ে। স্থানীয় বেলুচদের অভিযোগ, তাদের সম্পদ দিয়ে করাচি, লাহোর ও ইসলামাবাদের শিল্প, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো গড়ে উঠেছে; অথচ বেলুচিস্তানের ভাগ্যে জুটেছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অনুন্নয়ন, গুমের অভিযোগ এবং সর্বব্যাপী সামরিক উপস্থিতি। রাষ্ট্র যখন সম্পদের মালিক হয়, কিন্তু মানুষ নিজেকে সেই রাষ্ট্রের অংশীদার বলে অনুভব করতে পারে না, তখনই বিচ্ছিন্নতার বীজ অঙ্কুরিত হয়। ইতিহাস বলছে, ১৯৭১ সালের পূর্ব পাকিস্তানেও অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক বঞ্চনা জন-অসন্তোষকে তীব্র করে তুলেছিল। অবশ্য বেলুচিস্তানের বর্তমান বাস্তবতা এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের পরিস্থিতি এক নয়; তবু রাষ্ট্রীয় বৈষম্য দীর্ঘস্থায়ী হলে তার রাজনৈতিক মূল্য যে একসময় রাষ্ট্রকেই দিতে হয়, ইতিহাস সে সতর্কবার্তাই বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়।
অন্যদিকে ইসলামাবাদের অবস্থানও স্পষ্ট। তাদের দাবি, বেলুচ বিদ্রোহ শুধু স্থানীয় অসন্তোষ নয়; এর পেছনে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার মদদ রয়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতসহ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করে আসছে। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ খুব কমই প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে এই বিতর্ক এখনো রাজনৈতিক বক্তব্যের পর্যায়েই রয়ে গেছে।
বেলুচিস্তানের গুরুত্ব আরও বেড়েছে চীনের কারণে। গওয়াদর গভীর সমুদ্রবন্দর এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) বেইজিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর অন্যতম কৌশলগত প্রকল্প। এতে কয়েক দশক ধরে শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ করেছে চীন। ফলে বেলুচিস্তানে প্রতিটি বড় হামলা শুধু পাকিস্তানের নিরাপত্তাকে নয়, চীনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থকেও সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানায়। এই বাস্তবতায় বেইজিং কোনোভাবেই অঞ্চলটিকে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার মধ্যে ছেড়ে দিতে চাইবে না। অর্থাৎ, পাকিস্তানের পেছনে শুধু তার সেনাবাহিনী নয়, চীনের ভূরাজনৈতিক স্বার্থও একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
তাহলে কি বেলুচিস্তানের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মতো? এই তুলনা অবশ্য বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পেছনে ছিল নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব, জনগণের সর্বাত্মক সমর্থন, একটি কার্যকর অস্থায়ী সরকার, ভারতের প্রত্যক্ষ সামরিক সহায়তা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের কূটনৈতিক সমর্থন। বেলুচিস্তানের ক্ষেত্রে এই উপাদানগুলোর কোনোটিই একই মাত্রায় উপস্থিত নয়।
প্রথমত, বেলুচ আন্দোলনের কোনো একক রাজনৈতিক নেতৃত্ব নেই। সমাজটি এখনো বিভিন্ন সম্প্রদায় ও আঞ্চলিক নেতৃত্বে বিভক্ত। অনেক রাজনৈতিক দল পাকিস্তানের ভেতরেই অধিকতর স্বায়ত্তশাসন চায়; সবাই স্বাধীনতার পক্ষে নয়।
দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক পরিবেশও সম্পূর্ণ ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্র বিএলএকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ইরান ও আফগানিস্তান উভয় দেশই নিজেদের সীমান্ত নিরাপত্তার কারণে পাকিস্তানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বজায় থাকুক, সেটিই বেশি চায়। কোনো বড় শক্তি এখন পর্যন্ত স্বাধীন বেলুচিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেয়নি।
তৃতীয়ত, বিদ্রোহীরা এখনো স্থায়ীভাবে কোনো বড় শহর বা প্রশাসনিক কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। হামলা চালানোর সক্ষমতা আর রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা এক জিনিস নয়। স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক স্বীকৃতি এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ঐকমত্য, যা এখনো অনুপস্থিত।
তবে পাকিস্তানের জন্য উদ্বেগের জায়গাও কম নয়। কারণ, রাষ্ট্র সব সময় সামরিক পরাজয়ে ভেঙে পড়ে না; অনেক সময় ধারাবাহিক রাজনৈতিক ব্যর্থতা, অর্থনৈতিক সংকট এবং জনগণের আস্থাহীনতাই রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে। আজ পাকিস্তান একই সঙ্গে অর্থনৈতিক মন্দা, রাজনৈতিক বিভাজন, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সন্ত্রাস এবং বেলুচ বিদ্রোহ, এই চারটি সংকট একসঙ্গে মোকাবিলা করছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনটি ঘটছে বেলুচ সমাজের ভেতরে। একসময় এই আন্দোলন মূলত পাহাড়ি গেরিলা যোদ্ধাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন শিক্ষিত তরুণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শহুরে মধ্যবিত্ত এবং নারীরাও বিভিন্নভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে মাহরাং বেলুচের নেতৃত্বে বেলুচ ইয়াকজেহতি কমিটি মানবাধিকার, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ সামনে এনে আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ফলে এটি এখন শুধু নিরাপত্তা সংকট নয়; মানবাধিকার ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নেও পরিণত হয়েছে।
ইসলামাবাদ হয়তো আরও কিছুদিন সামরিক শক্তি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা হলো, কেবল বন্দুক দিয়ে ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা যায়; মানুষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষাকে নয়। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, বৈষম্য ও অবিশ্বাস যদি অমীমাংসিত থাকে, তাহলে বিদ্রোহ দমন হলেও ক্ষোভ দমন করা যায় না।
অতএব, পাকিস্তান আজই ভেঙে যাচ্ছে, এমন সিদ্ধান্ত যেমন বাস্তবসম্মত নয়, কিন্তু এটাও সমান সত্য যে বেলুচিস্তান পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাসংকটে পরিণত হয়েছে। এই সংকটের সমাধান শুধু ‘অপারেশন শাবান’ কিংবা আরও বড় সামরিক অভিযানে নয়; বরং ন্যায়সংগত সম্পদ বণ্টন, রাজনৈতিক সংলাপ, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র-প্রদেশ সম্পর্ক পুনর্গঠনের মধ্যেই নিহিত।
ইতিহাসের আরেকটি শিক্ষা হলো, কোনো রাষ্ট্র কেবল শক্তির জোরে টিকে থাকে না; টিকে থাকে জনগণের সম্মতিতে। পাকিস্তানের সামনে আজ সেই কঠিন পরীক্ষাই দাঁড়িয়ে আছে। বেলুচিস্তানের আগুন শেষ পর্যন্ত নিভবে, নাকি আরও ছড়িয়ে পড়বে, তার উত্তর নির্ভর করবে যুদ্ধক্ষেত্রের নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রজ্ঞার ওপর।
লেখক: গবেষক ও কলামিস্ট

এই সম্পাদকীয় লেখা পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ মাসে ১০০২ শিশু হাম এবং হামের উপসর্গে মৃত্যুবরণ করেছে। আমরা জানি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা ক্রয়জনিত সংকটের কারণে এ পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছয় মাসের বেশি সময় পার করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
২৭ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬। দিবসটিকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আবারও পর্যটন খাত নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে। জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটনকেন্দ্র চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যাপক প্রসার, বিশেষত সাম্প্রতিককালে বৃহৎ ভাষা মডেল বা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) এবং এই প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত চ্যাটবট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিরুদ্ধে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তাই এ প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে আমাদের ব্যক্তিগত...
৩ ঘণ্টা আগে
আজ ২০২৬ সালের এমন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে প্রযুক্তির অন্ধ অনুকরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী আন্দোলন শুরু হয়েছে। ২০২০-২১ সালের কোভিড-১৯ মহামারির সেই অবরুদ্ধ দিনগুলোতে বিশ্বজুড়ে শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির এক অভূতপূর্ব প্রবেশ ঘটেছিল। তখন মনে করা হয়েছিল ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়া
১ দিন আগে