
আধুনিক জীবনে ইঁদুর দৌড়ে আমরা প্রায়ই হাঁপিয়ে উঠি। সাফল্য, খ্যাতি আর অন্যের স্বীকৃতির পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরা ভুলে যাই নিজেদের আসল পরিচয়। অথচ জেই শেঠির বিখ্যাত বই ‘থিংক লাইক আ মংক’ আমাদের শেখায়, কীভাবে সন্ন্যাসীর মতো চিন্তা করে এই কোলাহলপূর্ণ পৃথিবীতেও প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

একসময় ছিল যখন পাড়ার মোড়ের আড্ডায় কিংবা চায়ের কাপে ঝড় তোলার মূল রসদ ছিল বই। কোনো এক নতুন রহস্য উপন্যাসের রোমাঞ্চ অথবা দস্তয়েভস্কি-রবীন্দ্রনাথের কোনো জটিল দর্শন নিয়ে আলোচনা চলে যেত তুঙ্গে। কে কোন বই পড়ল, কার কোন চরিত্রের প্রতি মায়া জন্মাল সেসব আলোচনা না থাকলে যেন আড্ডাটাই জমত না।

‘নুনচি’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো ‘চোখের মাপ’। এটি মূলত কোনো একক ব্যক্তি নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির সামগ্রিক পরিবেশ এবং মানুষের অনুভূতি দ্রুত বুঝতে পারার ক্ষমতা। কোরিয়াতে শিশুদের মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই এই শিক্ষা দেওয়া হয়। কোনো শিশু যদি পরিবেশের সাপেক্ষে বেমানান আচরণ করে, তবে কোরীয় অভিভাবকেরা

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসের (ওইউপি) ভারতীয় শাখা প্রায় দুই দশক আগে প্রকাশিত একটি বইয়ে সপ্তদশ শতকের মারাঠা যোদ্ধা রাজা ছত্রপতি শিবাজিকে নিয়ে বিতর্কিত ও যাচাইহীন তথ্য উপস্থাপনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে। ‘শিবাজি: হিন্দু কিং ইন ইসলামিক ইন্ডিয়া’ শিরোনামের ওই বইটি ২০০৩ সালে মার্কিন লেখক জেমস