
১৯ শতকের প্রথমার্ধে আমাদের দেশে ইংরেজি তথা আধুনিক শিক্ষার গোড়াপত্তন ঘটেছিল মূলত ইংরেজদের হাত ধরে। তবে আর কিছু যেমনই হোক, শত বছরেও এখানকার কোনো প্রতিষ্ঠানে মাস্টার্স পড়ার কোনো সুযোগ সৃষ্টি কিংবা বন্দোবস্ত পরিলক্ষিত হয়নি। অথচ বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি ১৭০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে

অ্যান্টার্কটিকার ওয়েডেল সাগরে সম্প্রতি আবিষ্কৃত একটি ছোট পাথুরে দ্বীপ বৈশ্বিক জলবায়ু রাজনীতির মানচিত্রে নতুন উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে। গিজার মহাপিরামিডের সমতুল্য এই দ্বীপটি এত দিন বিশাল বরফের স্তূপের নিচে লুকানো ছিল। ড্রোনের ক্যামেরায় যখন প্রথম এই পাথুরে ভূমির অস্তিত্ব ধরা পড়ল, তখন তা কেবল একটি ভৌগোলিক

সম্প্রতি একজন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডিজিটাল হাজিরা দেওয়ার জন্য গাছে উঠতে হয়েছিল মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়ার জন্য। এটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনাটি নিছক একটি ভাইরাল ভিডিও ছিল না, বরং এটি দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার এক করুণ চিত্র তুলে ধরেছে। এখন প্রশ্ন হলো, একজন শিক্ষক

পদ্মা নদীর ভাঙন বাংলাদেশের মানুষের কাছে নতুন কোনো ঘটনা নয়। পদ্মার উত্তাল ঢেউয়ের ঝাপটায় প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নদীগর্ভে বিলীন হয় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক ও জীবিকার উৎস। কিন্তু দুঃখজনক হলো, ভাঙন যেন আমাদের কাছে একটি মৌসুমি সংবাদে পরিণত হয়েছে; কিছুদিন আলোচনা হয়, তারপর সবকিছু আবার আগের মতো চলতে