
ইসি আনোয়ারুল ইসলামের ধারণা, সামনের নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়বে। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন ঘিরে বড় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেছেন, নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

নির্বাচন মানে দলের আদর্শ, প্রার্থীর যোগ্যতা-আচরণ এবং দলের বক্তব্যের ফুলঝুরি দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে সাধারণ ভোটারদের নিজের পক্ষে নিয়ে আসা। দেশের মানুষ আসলে এরকম নির্বাচনই প্রত্যাশা করে। কিন্তু আমাদের দেশে নির্বাচন মানে সহিংসতা। তবে ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনটি একটা উদাহরণ হয়ে আছে। সে রকম নির্বাচন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাঁরা এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন, তাঁদের কাছে ব্যাপারটা নিশ্চয়ই অন্য রকম উচ্ছ্বাসের। ব্যালট পেপার দেখতে কেমন; এই কাগজে যে ছাপ্পর দিতে হয়, সেই সিলটা কেমন কিংবা ভোটদান শেষে আঙুলে কালির দাগ দিয়ে দিলে কেমন হবে প্রথম ভোট দেওয়ার অনুভূতি—সবকিছুই একজন নব্য ভোটারের জন্য

কত কিছুই না ঘটছে চারপাশে! চাঁদাবাজি-হাদিয়ার আক্রমণে জনগণ যখন দিশেহারা, তখন ঝোপ বুঝে কোপ মারার চেষ্টাও করছেন কেউ কেউ। সে রকমই একটা কাণ্ড ঘটেছে রাজশাহীতে। সুকৌশলে দখলদারির এমন নমুনা আগেও হয়তো দেখা গেছে, কিন্তু এ সংস্কৃতির কি কোনোই পরিবর্তন হবে না?