একসময় চাকরির জন্য কম্পিউটার জানা ছিল বাড়তি যোগ্যতা। আজ সেই বাস্তবতা পাল্টে গেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দ্রুত বদলে দিচ্ছে কাজের ধরন। এখন এআই কোড লিখতে সহায়তা করছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি কোডিং শেখার প্রয়োজন আছে? প্রশ্নটি স্বাভাবিক। তবে উত্তরটি আশাব্যঞ্জক।
গুগল ডিপমাইন্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেমিস হাসাবিসের মতে, এআই দক্ষ পেশাজীবীদের কাজকে আরও কার্যকর করবে, তাঁদের প্রতিস্থাপন করবে না। আর এই সহকারীকে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবেন, যাঁদের প্রযুক্তিগত ভিত্তি মজবুত।
হাসাবিসের মতে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মৌলিক ধারণা যাঁদের আছে, তাঁরা অন্যদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি কার্যকরভাবে এআই টুল ব্যবহার করতে পারেন। কারণ, তাঁরা জানেন কী প্রশ্ন করতে হবে, কী নির্দেশ দিতে হবে এবং এআইয়ের দেওয়া উত্তর কতটা সঠিক। অর্থাৎ, এআই যতই বুদ্ধিমান হোক, সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব এখনো মানুষের।
অনেকের ধারণা, এআই এসে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে। বাস্তবতা ভিন্ন। এআই কিছু কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করবে। এটি সত্য। তবে সফটওয়্যার আর্কিটেকচার, সিস্টেম ডিজাইন, জটিল সমস্যা বিশ্লেষণ কিংবা নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য দক্ষ মানুষের প্রয়োজন থেকেই যাবে। তাই চাকরি হারানোর ভয় নয়, দক্ষতা বাড়ানোর প্রস্তুতিই হওয়া উচিত এখনকার লক্ষ্য।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত—স্টেম শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ডেমিস হাসাবিস। তবে তিনি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথাও বলেছেন। এআই যত উন্নত হবে, তাকে সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার দক্ষতার মূল্যও তত বাড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে দর্শন, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান ও অন্য মানবিক বিষয়ের গুরুত্ব। কারণ, প্রযুক্তি তৈরি করা যেমন জরুরি, তেমনি সেটি দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এআই কী করতে পারে, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হবে —এআই কী করা উচিত। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রয়োজন মানুষকেই।

হাসাবিসের ধারণা, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআই বাস্তবে দেখা যেতে পারে। সেই ভবিষ্যতে এগিয়ে থাকবে কারা? যাঁরা নতুন প্রযুক্তিকে ভয় পাবেন না। শেখার আগ্রহ হারাবেন না। আর কোডিং, সমস্যা সমাধান ও বিশ্লেষণী চিন্তাকে নিজের দক্ষতার অংশ করে তুলবেন।
সামনে কর্মক্ষেত্রের প্রতিযোগিতা মানুষ ও এআইয়ের মধ্যে নয়। প্রতিযোগিতা হবে সেই মানুষদের মধ্যে, যারা এআইকে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাতে পারে এবং যারা পারে না। তাই প্রযুক্তিকে ভয় নয়, বুঝে ব্যবহার করাই হবে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় দক্ষতা।
সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস

৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ৬ হাজার ১৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
২ ঘণ্টা আগে
জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি। প্রতিষ্ঠানটি ‘লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রোডাকশন বিভাগে ‘সিনিয়র অফিসার/অফিসার’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রান্সকম গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস লিমিটেড জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের লজিস্টিকস বিভাগে ‘অফিসার’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ২৯ জুলাই পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে