
উপস্থাপনার স্লাইড থেকে শুরু করে কণ্ঠস্বর তৈরি, ছবি আঁকা, তথ্য অনুসন্ধান, কোডিং এবং দৈনন্দিন কাজের সহায়তা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢুকে পড়েছে এআই টুলস। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি প্রাতিষ্ঠানিক কর্মদক্ষতা, সৃজনশীল কাজের ধারা এবং ডেভেলপারদের কাজের পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। সাধারণ চ্যাট ইন্ট

কর্নওয়ালের ফালমাউথে একটি পুরোনো ব্যাংক ভবনের ভেতরে তখন চারপাশ কাঁপিয়ে বাজছে মিউজিক। ঘামে ভেজা তরুণ-তরুণীর ভিড়, আলো আর মিউজিকের তালে সবাই যেন এক অদ্ভুত সুরের জালে বন্দী। সেখানে ডিজে হিসেবে উপস্থিত রবার্ট (রস) অ্যাটকিনস স্পষ্ট অনুভব করেছিলেন—এই অভিজ্ঞতা শুধু একটি ডিজে নাইটের নয়

ব্যবসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি ও এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘এআই অটোমেশন সামিট ২০২৬’। গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ঢাকার রিজেন্সি হোটেলে দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অবকাঠামোতে বিপুল বিনিয়োগের কারণে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশে রয়েছে। এ বিনিয়োগ এশিয়ার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে। তবে একই সঙ্গে কর্মসংস্থান, করব্যবস্থা ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।