
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে প্রযুক্তি দুনিয়ার উচ্ছ্বাসে নতুন প্রজন্মের অনেক শিক্ষার্থী আর আস্থা রাখতে পারছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্প্রতি এআই প্রসঙ্গ উঠতেই শিক্ষার্থীদের প্রকাশ্য বিরক্তি ও প্রতিবাদ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।

নোবেলজয়ী লেখক ওলগা তোগারচুক জানিয়েছেন, তিনি লেখালেখির ক্ষেত্রে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পোল্যান্ডের এই নারী লেখক বিষয়টি স্বীকার করেন। এমনকি তিনি জানান, তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস লিখতেও তিনি এআই ব্যবহার করেছেন।

রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে আর একমুহূর্তও সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই। ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে এখনই প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। ডিজিটাল সক্ষমতা ছাড়া রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন ঝুঁকিতে পড়বে। এআই ও সাইবার নিরাপত্তায় প্রস্তুত হতে হবে...

প্রযুক্তির কল্যাণে এখন যেকোনো জটিল প্রশ্নের উত্তর মিলছে চোখের পলকে। গুগল সার্চের ওপরের পাতায় থাকা ‘এআই ওভারভিউ’ কিংবা চ্যাটবটের এক লাইনের উত্তর আমাদের জীবন সহজ করে দিয়েছে মনে হয়। কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক বিরাট আশঙ্কার কথা।